ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি,আটক ৬

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৬৭ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা:

চুয়াডাঙ্গায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি করায় কিশোর গ্যাংয়ের ছয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

 

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে কিশোরীর বাবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় শহরের সাদেক আলী মল্লিক পাড়ার ১৩ কিশোরের নামে নারী শিশু, পর্নোগ্রাফি এবং চাঁদাবাজি মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি জুবায়ের হোসেন জীমসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।

 

[irp]

 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন জানান, ফেসবুকে ৮ মাস আগে জুবায়ের হোসেন জীমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৪) বন্ধুত্ব হয়। এরপর ২৫ মার্চ দুপুরে বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে জীম। এ সময় কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। ওই আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে ছাত্রীর কাছে থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়।

 

ওসি ফকরুল আলম আরও বলেন, ১৯ এপ্রিল জুবায়ের হোসেন জীম ও তার সহযোগীরা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে স্কুলছাত্রীর কাছে আরও এক লাখ টাকা দাবি করে। বিষয়টি স্কুলছাত্রী তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।

 

ওসি আরও জানান, এ মামলার বাকি আসামিদের আটকের জন্য অভিযান চলছে। মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ট্যাগস :

চুয়াডাঙ্গায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেবার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি,আটক ৬

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ এপ্রিল ২০২১

জেলা প্রতিনিধি চুয়াডাঙ্গা:

চুয়াডাঙ্গায় এক কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে টাকা দাবি করায় কিশোর গ্যাংয়ের ছয় সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।

 

সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে কিশোরীর বাবার চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় শহরের সাদেক আলী মল্লিক পাড়ার ১৩ কিশোরের নামে নারী শিশু, পর্নোগ্রাফি এবং চাঁদাবাজি মামলা করেন। ওই মামলার প্রধান আসামি জুবায়ের হোসেন জীমসহ ৬ জনকে আটক করে পুলিশ।

 

[irp]

 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খাঁন জানান, ফেসবুকে ৮ মাস আগে জুবায়ের হোসেন জীমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী এলাকার অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৪) বন্ধুত্ব হয়। এরপর ২৫ মার্চ দুপুরে বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে স্কুলছাত্রীকে অপহরণের পর একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে জীম। এ সময় কিছু আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে। ওই আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে ছাত্রীর কাছে থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেয়।

 

ওসি ফকরুল আলম আরও বলেন, ১৯ এপ্রিল জুবায়ের হোসেন জীম ও তার সহযোগীরা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও সামাজিক মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে স্কুলছাত্রীর কাছে আরও এক লাখ টাকা দাবি করে। বিষয়টি স্কুলছাত্রী তার পরিবারকে ঘটনাটি জানায়।

 

ওসি আরও জানান, এ মামলার বাকি আসামিদের আটকের জন্য অভিযান চলছে। মঙ্গলবার দুপুরে স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।