ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

গরুর খামার করে অর্থাভাবে দূর্ভোগে পানছড়ির নারী উদ্যোক্তা

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৪৪ বার পড়া হয়েছে

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ/খাগড়াছড়িঃ

গরুর খামার করে অর্থাভাবে চরম দূর্ভোগে পড়েছে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা সত্যধন কার্বারীপাড়ার চন্দনা চাকমা। তিনি দেড় বছর পূর্বে কৃষি ব্যাংক ও ভিবিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে বসত বাড়িতে শুরু করেন গরুর খামার।

বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ৩টি অস্ট্রেলিয়ার দুধাল গাভী ও ২টি বাছুর। ৩টি অস্ট্রেলিয়ার গাভী থেকে প্রতিদিন ৪৯লিটার দুধ পায এই নারী উদ্যেক্তা।

[irp]

যা লোক মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করে জেলা সদরে। বর্তমানে অর্থাভাবে গরুর পরিচর্যার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় চরম দূর্দশায় পড়েছে এই খামারীনী।

চন্দনা চাকমা বলেন, দুধ বিক্রির টাকা দিয়ে চলে ৪ জনের সংসার। তার ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খরচসহ যাবতীয় খরচ। তার মধ্যে ছেলে পড়ছে কলেজে ও মেয়ে পড়ছে উচ্চ বিদ্যালয়ে। এছাড়াও লোনের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে।

ট্যাগস :

গরুর খামার করে অর্থাভাবে দূর্ভোগে পানছড়ির নারী উদ্যোক্তা

আপডেট সময় : ০২:০১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছ/খাগড়াছড়িঃ

গরুর খামার করে অর্থাভাবে চরম দূর্ভোগে পড়েছে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলা সত্যধন কার্বারীপাড়ার চন্দনা চাকমা। তিনি দেড় বছর পূর্বে কৃষি ব্যাংক ও ভিবিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে বসত বাড়িতে শুরু করেন গরুর খামার।

বর্তমানে তার খামারে রয়েছে ৩টি অস্ট্রেলিয়ার দুধাল গাভী ও ২টি বাছুর। ৩টি অস্ট্রেলিয়ার গাভী থেকে প্রতিদিন ৪৯লিটার দুধ পায এই নারী উদ্যেক্তা।

[irp]

যা লোক মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে বিক্রয় করে জেলা সদরে। বর্তমানে অর্থাভাবে গরুর পরিচর্যার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম না থাকায় চরম দূর্দশায় পড়েছে এই খামারীনী।

চন্দনা চাকমা বলেন, দুধ বিক্রির টাকা দিয়ে চলে ৪ জনের সংসার। তার ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খরচসহ যাবতীয় খরচ। তার মধ্যে ছেলে পড়ছে কলেজে ও মেয়ে পড়ছে উচ্চ বিদ্যালয়ে। এছাড়াও লোনের কিস্তি পরিশোধ করতে হচ্ছে।