ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

প্রাণনাশের হুমকি তে মুনিয়ার পরিবার

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৫৬ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলার পর থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন নিহত কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিবার। অজ্ঞাত নম্বর থেকে এসব হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুনিয়ার খালাতো ভাই ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে মোবাইল ফোনে ইকবাল হোসেন জাগরণ অনলাইনে জানান, মামলা করার পর গতকাল রাত থেকে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন দিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ‘কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন’।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

[irp]

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান তানভীরের (৪২) মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এদিকে মুনিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ছয়টি ডায়েরি, তার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস ও ওই ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটের সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল হাসান ফিরোজ এ কথা জানিয়ে বলেন, “ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটি একাই থাকতেন। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে তার (মোসারাত জাহান মুনিয়া) সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যবসায়ী মুনিয়ার ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। তবে আর কে কে সেখানে আসা-যাওয়া করতেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

 

ট্যাগস :

প্রাণনাশের হুমকি তে মুনিয়ার পরিবার

আপডেট সময় : ০৪:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে মামলার পর থেকে প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন নিহত কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার পরিবার। অজ্ঞাত নম্বর থেকে এসব হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুনিয়ার খালাতো ভাই ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে মোবাইল ফোনে ইকবাল হোসেন জাগরণ অনলাইনে জানান, মামলা করার পর গতকাল রাত থেকে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন দিয়ে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। প্রতিনিয়ত ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে, ‘কার বিরুদ্ধে মামলা করছেন’।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

[irp]

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান তানভীরের (৪২) মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

এদিকে মুনিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ছয়টি ডায়েরি, তার ব্যবহৃত ডিজিটাল ডিভাইস ও ওই ভবনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটের সংগ্রহ করেছে পুলিশ।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিএমপির গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নাজমুল হাসান ফিরোজ এ কথা জানিয়ে বলেন, “ওই ফ্ল্যাটে মেয়েটি একাই থাকতেন। দেশের একটি শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে তার (মোসারাত জাহান মুনিয়া) সম্পর্ক ছিল। ওই ব্যবসায়ী মুনিয়ার ফ্ল্যাটে যাতায়াত করতেন বলেও আমরা জানতে পেরেছি। তবে আর কে কে সেখানে আসা-যাওয়া করতেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”