ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাইবান্ধায় ১২০ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেলেন ৯১ জন প্রার্থী

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৫১ বার পড়া হয়েছে

ওমর ফারুক রনি,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় ১২০ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেলেন ৯১ জন প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্স চত্ত্বরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষার চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার কামাল হোসেন। এসময় সেখানে আবেগঘন এক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মাত্র ১ শ ২০ টাকায় চাকুরি পাওয়া সৌভাগ্যবান গাইবান্ধা সদরের পর্বকমরনই গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে আনিকা খাতুন, অঝরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন তার বাবা একজন ক্ষুদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ী। কোনদিন ভাবিনি এ ভাবে ফ্রিতে সরকারি চাকুরির নামে সোনার হরিন মিলবে। পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্ববধান ও স্বচ্ছতার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাহাবাজ গ্রামের মারুফ প্রমানিক বলেন, আমার বাবা শুক্কুর আলী পেশায় একজন দিনমজুর। একজন দিনমজুরের ছেলে এভাবে বিনা পয়সায় সরকারি চাকুরি পাবে এটা স্বপ্নেরও ভাবিনি।একথা বলেই তিনি কেঁদে ফেলেন। একই ভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় জামালপুর গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে জুথি খাতুনসহ অন্যান্যরা শেষে পুলিশ সুপার উত্তীর্ণ সকালের হাতে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুলিশ সুপার কামাল হোসেন জানান,মোট ৭শ ৩৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ ২শ ২৭ জন। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৯১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ ১৪ জন নারী।

ট্যাগস :

গাইবান্ধায় ১২০ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেলেন ৯১ জন প্রার্থী

আপডেট সময় : ০৬:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ ২০২৩

ওমর ফারুক রনি,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ গাইবান্ধায় ১২০ টাকায় পুলিশ কনস্টেবল পদে চাকুরি পেলেন ৯১ জন প্রার্থী। বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) দুপুরে জেলা পুলিশ লাইন্স চত্ত্বরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষার চুড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেন পুলিশ সুপার কামাল হোসেন। এসময় সেখানে আবেগঘন এক দৃশ্যের অবতারণা হয়। মাত্র ১ শ ২০ টাকায় চাকুরি পাওয়া সৌভাগ্যবান গাইবান্ধা সদরের পর্বকমরনই গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে আনিকা খাতুন, অঝরে কাঁদতে কাঁদতে বলেন তার বাবা একজন ক্ষুদ্র কাঁচামাল ব্যবসায়ী। কোনদিন ভাবিনি এ ভাবে ফ্রিতে সরকারি চাকুরির নামে সোনার হরিন মিলবে। পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্ববধান ও স্বচ্ছতার কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সাহাবাজ গ্রামের মারুফ প্রমানিক বলেন, আমার বাবা শুক্কুর আলী পেশায় একজন দিনমজুর। একজন দিনমজুরের ছেলে এভাবে বিনা পয়সায় সরকারি চাকুরি পাবে এটা স্বপ্নেরও ভাবিনি।একথা বলেই তিনি কেঁদে ফেলেন। একই ভাবে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার বড় জামালপুর গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে জুথি খাতুনসহ অন্যান্যরা শেষে পুলিশ সুপার উত্তীর্ণ সকালের হাতে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পুলিশ সুপার কামাল হোসেন জানান,মোট ৭শ ৩৫ জন প্রার্থী লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে উত্তীর্ণ ২শ ২৭ জন। সর্বশেষ মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৯১ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে ৭৭ জন পুরুষ ১৪ জন নারী।