ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জেএসএস’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৫৫ বার পড়া হয়েছে

জেএসএস’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ও হুমকিমূলক অপতৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বাঘাইছড়ি ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত প্রতিরোধ কমিটি। আজ সোমবার, (২৭ মার্চ/২৩) সকাল ১০টায় সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাটের রেতকাবা দপদা এলাকায় এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

“পাহাড়ে বিভেদ ও সংঘাত সৃষ্টির হোতা থলের বিড়াল আবুল হাসনাত-সন্তু’র কুয়াকাটায় নতুন ষড়যন্ত্র, রুখে দাঁড়াও জনতা” শ্লোগানে বৈ-সা-বি উৎসব লগ্নে খাগড়াছড়ি’র পানছড়িতে জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ও হুমকিমূলক অপতৎপরতার প্রতিবাদে সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমার সভাপতিত্বে ও বিপুল চাকমার সঞ্চালিত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন, বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান জ্যোতি চাকমা, সাজেক ইউপির কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা, গুরিময় চাকমা ও বিধান চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের জন্য সন্তু লারমার প্রতি আহ্বান জানিয়ে সমাবেশে বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান জ্যোতি চাকমা বলেন, পাহাড়ে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ না হলে আমাদের বেঁচে থাকার কোন পথ নেই। তিনি অবিলম্বে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করে সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সন্তু লারমার প্রতি আহ্বান জানান।

কার্বারী নতুন জয় চাকমা বলেন, সরকার সন্তু লারমার সাথে ১৯৯৭ সালে যে চুক্তি করেছে তা দীর্ঘ ২৬ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বরং পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সকল জুম্ম রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।


সমাবেশে বিধান চাকমা বলেন, ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত জাতির জন্য কোন দিন মঙ্গল বয়ে আনবে না। অবিলম্বে এ সংঘাত বন্ধ না হলে আমাদের জাতির অস্তিত্ব ধংসের মুখে পড়বে।

 

সমাবেশের সভাপতি সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন, ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতের কারণে আজ পুরো পার্বত্যবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে। এই সংঘাত বন্ধ না হলে জাতি আরো মহাসংকটে পতিত হবে। তাই অচিরেই এ সংঘাত বন্ধ হওয়া দরকার। অবিলম্বে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সন্তু লারমাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

ট্যাগস :

জেএসএস’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ

আপডেট সময় : ০১:২৩:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ মার্চ ২০২৩

জেএসএস’র সন্ত্রাসী তৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়িতে জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ও হুমকিমূলক অপতৎপরতার প্রতিবাদে সাজেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বাঘাইছড়ি ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত প্রতিরোধ কমিটি। আজ সোমবার, (২৭ মার্চ/২৩) সকাল ১০টায় সাজেক ইউনিয়নের বাঘাইহাটের রেতকাবা দপদা এলাকায় এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

“পাহাড়ে বিভেদ ও সংঘাত সৃষ্টির হোতা থলের বিড়াল আবুল হাসনাত-সন্তু’র কুয়াকাটায় নতুন ষড়যন্ত্র, রুখে দাঁড়াও জনতা” শ্লোগানে বৈ-সা-বি উৎসব লগ্নে খাগড়াছড়ি’র পানছড়িতে জেএসএস (সন্তু)-এর সশস্ত্র গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশ ও হুমকিমূলক অপতৎপরতার প্রতিবাদে সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমার সভাপতিত্বে ও বিপুল চাকমার সঞ্চালিত সমাবেশে সংহতি জানিয়ে আরো বক্তব্য রাখেন, বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান জ্যোতি চাকমা, সাজেক ইউপির কার্বারী এসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা, গুরিময় চাকমা ও বিধান চাকমা প্রমুখ।

সমাবেশ থেকে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের জন্য সন্তু লারমার প্রতি আহ্বান জানিয়ে সমাবেশে বঙ্গলতলী ইউপি চেয়ারম্যান জ্ঞান জ্যোতি চাকমা বলেন, পাহাড়ে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ না হলে আমাদের বেঁচে থাকার কোন পথ নেই। তিনি অবিলম্বে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধ করে সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সন্তু লারমার প্রতি আহ্বান জানান।

কার্বারী নতুন জয় চাকমা বলেন, সরকার সন্তু লারমার সাথে ১৯৯৭ সালে যে চুক্তি করেছে তা দীর্ঘ ২৬ বছর অতিক্রান্ত হতে চললেও এখনো বাস্তবায়ন হয়নি বরং পাহাড়ে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সকল জুম্ম রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।


সমাবেশে বিধান চাকমা বলেন, ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত জাতির জন্য কোন দিন মঙ্গল বয়ে আনবে না। অবিলম্বে এ সংঘাত বন্ধ না হলে আমাদের জাতির অস্তিত্ব ধংসের মুখে পড়বে।

 

সমাবেশের সভাপতি সাজেক ইউপি চেয়ারম্যান অতুলাল চাকমা বলেন, ভ্রাতৃঘাতি সংঘাতের কারণে আজ পুরো পার্বত্যবাসী জিম্মি হয়ে পড়েছে। এই সংঘাত বন্ধ না হলে জাতি আরো মহাসংকটে পতিত হবে। তাই অচিরেই এ সংঘাত বন্ধ হওয়া দরকার। অবিলম্বে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সন্তু লারমাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।