ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিব্র গরমেও ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদ শপিং

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩
  • / ১০৫৬ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধি শরীফ হাসান: ঈদের কেনাকাটা বলতে মুহূর্তে বড় বড় শপিং মলের দৃশ্য মনে ভাসে, কিন্তু তার বাইরেও একটি অবহেলিত বাজার আছে। সব মানুষের সাধ্য নেই বড় দোকান বা মার্কেট থেকে কেনাকাটা করার, তারা কোথায় যায়? এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম না। তাই ফুটপাতের ঈদ বাজারও এখন জমজামাট।

জয়পাড়া পাইলট স্কুল মার্কেটর ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড় বেড়েছে। স্বল্প দামে ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক পাওয়া যায় বলে ফুটপাতের দোকানে ছুটে আসেন স্বল্প আয়ের লোকজন। তবে সেখানকার বিক্রেতাদের দাবি, বেচাকেনা খুব একটা ভালো হচ্ছে না। হয়তোবা আর কয়েকদিন গেলে বেচাকেনা আরো বৃদ্ধি পাবে। অন্য দিকে হাটের দোকান গুলোতে কিছুটা বেচাকেনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফুটপাতের ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, ফুটপাত ও বৃহস্পতিবার হাটের দোকানগুলোর জন্য শো-র ও মার্কেটের দোকানেরমত হাজার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয় না কম টাকা ভাড়া দিতে হয়। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নেই কোনো আলোর ঝলকানি। ফলে স্বল্প লাভে ফুটপাতের বিক্রেতারা ক্রেতাদের দরদামে পোশাক দিয়ে থাকেন। ক্রেতারাও স্বাচ্ছন্দ্যে নিয়ে থাকেন।

ব্রাহ্রা থেকে শপিং করতে আসা ক্রেতা সজীব হোসেন জানান, বড় দোকানগুলো থেকে আমার পক্ষে প্যান্ট কেনা সম্ভব নয়। এ জন্য ছেলেকে পছন্দমতো জিন্স প্যান্ট কিনতে এখানে নিয়ে এসেছি ৩০০ টাকা দিয়ে প্যান্ট কিনতে পেরেছি।

ফুটপাতের দোকানদার মো: শহিদুল ইসলাম জানান, নিজেরাই ব্যবসা করি। এতে কর্মচারী বেতন, আলোর ব্যবস্থাসহ নানান ধরনের খরচ হয় না। তাই স্বল্প লাভে বড় দোকানের তুলনায় কম দামে পোশাক বিক্রি করতে পারি । তবে এবার ফুটপাতের কেনাকাটা ভালো হচ্ছে না বলেও দাবি তাঁর ।

অন্য দিকে জয়পাড়া বৃহস্পতিবার হাটের দোকানী রফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের বেচাকেনা এই হাট কেন্দ্রিক আর ঈদের জন্য আমরাও কিছু নতুন নতুন জামা এনেছি। যাদের বড় বড় দোকান থেকে কিনতে সামর্থ নাই তারাই আমাদের এখন থেকে কম দামে জামা কাপড় কিনে, বিশেষ করে নিম্ন বৃত্ত মানুষেরা এখনে বেশী আসে।

হাট থেকে মেয়ের জামা কিনতে আসা আলেয়া আক্তার জানান, আমোরা গরিব মানুষ আমাগো ঈদের শপিং মানেই হাটের জামা কাপড়। একটু ঘুইরা ঘুইরা দেখবার লাগছি আরো কমে পেলে মেয়ে তার পছন্দের জামা কিননা দিমু।

ট্যাগস :

তিব্র গরমেও ফুটপাতে জমে উঠেছে ঈদ শপিং

আপডেট সময় : ১২:০৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৩

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধি শরীফ হাসান: ঈদের কেনাকাটা বলতে মুহূর্তে বড় বড় শপিং মলের দৃশ্য মনে ভাসে, কিন্তু তার বাইরেও একটি অবহেলিত বাজার আছে। সব মানুষের সাধ্য নেই বড় দোকান বা মার্কেট থেকে কেনাকাটা করার, তারা কোথায় যায়? এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু কম না। তাই ফুটপাতের ঈদ বাজারও এখন জমজামাট।

জয়পাড়া পাইলট স্কুল মার্কেটর ফুটপাতের দোকানগুলোতে স্বল্প আয়ের মানুষের ভিড় বেড়েছে। স্বল্প দামে ও সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক পাওয়া যায় বলে ফুটপাতের দোকানে ছুটে আসেন স্বল্প আয়ের লোকজন। তবে সেখানকার বিক্রেতাদের দাবি, বেচাকেনা খুব একটা ভালো হচ্ছে না। হয়তোবা আর কয়েকদিন গেলে বেচাকেনা আরো বৃদ্ধি পাবে। অন্য দিকে হাটের দোকান গুলোতে কিছুটা বেচাকেনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফুটপাতের ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, ফুটপাত ও বৃহস্পতিবার হাটের দোকানগুলোর জন্য শো-র ও মার্কেটের দোকানেরমত হাজার হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয় না কম টাকা ভাড়া দিতে হয়। ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নেই কোনো আলোর ঝলকানি। ফলে স্বল্প লাভে ফুটপাতের বিক্রেতারা ক্রেতাদের দরদামে পোশাক দিয়ে থাকেন। ক্রেতারাও স্বাচ্ছন্দ্যে নিয়ে থাকেন।

ব্রাহ্রা থেকে শপিং করতে আসা ক্রেতা সজীব হোসেন জানান, বড় দোকানগুলো থেকে আমার পক্ষে প্যান্ট কেনা সম্ভব নয়। এ জন্য ছেলেকে পছন্দমতো জিন্স প্যান্ট কিনতে এখানে নিয়ে এসেছি ৩০০ টাকা দিয়ে প্যান্ট কিনতে পেরেছি।

ফুটপাতের দোকানদার মো: শহিদুল ইসলাম জানান, নিজেরাই ব্যবসা করি। এতে কর্মচারী বেতন, আলোর ব্যবস্থাসহ নানান ধরনের খরচ হয় না। তাই স্বল্প লাভে বড় দোকানের তুলনায় কম দামে পোশাক বিক্রি করতে পারি । তবে এবার ফুটপাতের কেনাকাটা ভালো হচ্ছে না বলেও দাবি তাঁর ।

অন্য দিকে জয়পাড়া বৃহস্পতিবার হাটের দোকানী রফিকুল ইসলাম জানান, আমাদের বেচাকেনা এই হাট কেন্দ্রিক আর ঈদের জন্য আমরাও কিছু নতুন নতুন জামা এনেছি। যাদের বড় বড় দোকান থেকে কিনতে সামর্থ নাই তারাই আমাদের এখন থেকে কম দামে জামা কাপড় কিনে, বিশেষ করে নিম্ন বৃত্ত মানুষেরা এখনে বেশী আসে।

হাট থেকে মেয়ের জামা কিনতে আসা আলেয়া আক্তার জানান, আমোরা গরিব মানুষ আমাগো ঈদের শপিং মানেই হাটের জামা কাপড়। একটু ঘুইরা ঘুইরা দেখবার লাগছি আরো কমে পেলে মেয়ে তার পছন্দের জামা কিননা দিমু।