ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিনাজপুরে একটা আলুর ওজনই ৮ কেজি!

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১১১২ বার পড়া হয়েছে

দিনাজপুরে একটা আলুর ওজনই ৮ কেজি!

 

নিজামুল ইসলাম/দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের খানসামায় বিরল প্রজাতির আলু চাষে সফল হয়েছেন দুই কৃষক৷ ‘গাছ আলু’ নামের এই আলুগুলো একেকটিই ৭-৮ কেজি ওজনের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের সহায়তায় চলতি মৌসুমে ২০ শতক করে ৪০ শতক জমিতে দুজন কৃষক বাণিজ্যিকভাবে আলু চাষ করেছেন। এ ছাড়াও অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে গাছ আলুর আবাদ করছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার খামারপাড়া ও টংগুয়া গ্রামে কৃষি বিভাগের সহায়তায় ঝিনাইদহের স্থানীয় জাতের গাছ আলু চাষ করেছে কৃষকেরা। ২০ শতকে জমিতে প্রায় ২ টন অর্থাৎ ২ হাজার কেজি ফলনের আশা করছে তাঁরা। এই আলুর প্রতি কেজির বর্তমান বাজার দর প্রায় ৩০ টাকা।

কৃষকেরা জানান, অন্যান্য সবজির মতোই ভর্তা, মাছ ও মাংসের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায় আলুটি। এটি সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবার হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা।

টংগুয়া গ্রামের গাছ আলু চাষি খয়রাত আলী বলেন, কৃষি বিভাগের অনুপ্রেরণায় ২০ শতক জমিতে গাছ আলু লাগিয়েছি। এই ফসলে উৎপাদন খরচ ১৫-২০ হাজার টাকা। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় এ আলু চাষে।

দিনাজপুরের মাটি চাষাবাদের জন্য আদিকাল থেকেই আদর্শ। গুরুত্ব পেলে এ ধরণের ব্যতিক্রমী ফসল আরও উপহার দিতে পারি আমরা।

ট্যাগস :

দিনাজপুরে একটা আলুর ওজনই ৮ কেজি!

আপডেট সময় : ০৫:২৬:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৩

দিনাজপুরে একটা আলুর ওজনই ৮ কেজি!

 

নিজামুল ইসলাম/দিনাজপুর প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের খানসামায় বিরল প্রজাতির আলু চাষে সফল হয়েছেন দুই কৃষক৷ ‘গাছ আলু’ নামের এই আলুগুলো একেকটিই ৭-৮ কেজি ওজনের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের সহায়তায় চলতি মৌসুমে ২০ শতক করে ৪০ শতক জমিতে দুজন কৃষক বাণিজ্যিকভাবে আলু চাষ করেছেন। এ ছাড়াও অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে গাছ আলুর আবাদ করছে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার খামারপাড়া ও টংগুয়া গ্রামে কৃষি বিভাগের সহায়তায় ঝিনাইদহের স্থানীয় জাতের গাছ আলু চাষ করেছে কৃষকেরা। ২০ শতকে জমিতে প্রায় ২ টন অর্থাৎ ২ হাজার কেজি ফলনের আশা করছে তাঁরা। এই আলুর প্রতি কেজির বর্তমান বাজার দর প্রায় ৩০ টাকা।

কৃষকেরা জানান, অন্যান্য সবজির মতোই ভর্তা, মাছ ও মাংসের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া যায় আলুটি। এটি সুস্বাদু ও মুখরোচক খাবার হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা।

টংগুয়া গ্রামের গাছ আলু চাষি খয়রাত আলী বলেন, কৃষি বিভাগের অনুপ্রেরণায় ২০ শতক জমিতে গাছ আলু লাগিয়েছি। এই ফসলে উৎপাদন খরচ ১৫-২০ হাজার টাকা। যার বাজার মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়া যায় এ আলু চাষে।

দিনাজপুরের মাটি চাষাবাদের জন্য আদিকাল থেকেই আদর্শ। গুরুত্ব পেলে এ ধরণের ব্যতিক্রমী ফসল আরও উপহার দিতে পারি আমরা।