ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জিগজ্যাগেও ছাড়পত্রহীন ৪ হাজার ৭৮১

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০১৭ বার পড়া হয়েছে

জিগজ্যাগেও ছাড়পত্রহীন ৪ হাজার ৭৮১

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৫ ধরনের প্রযুক্তিতে ইট উৎপাদন হচ্ছে। এর মধ্যে জিগজ্যাগ ভাটা ৬ হাজার ৪শ ৬টি, হাইব্রিড হফম্যান ৫৪টি, অটোমেটিক বা টানেল কিলন ৩২টি, ফিক্সড ৮০-১২০ ফুট চিমনির ভাটা ৭শ ৮৮টি এবং ড্রাম চিমনির ভাটা ২শ ৫০টি। সব মিলিয়ে ইটভাটার সংখ্যা ৭ হাজার ৫শ ৩০টি। এসব ভাটার মধ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নবায়ন রয়েছে ১ হাজার ৬শ ৭৫টির। অর্থাৎ ৫ হাজার ৮শ ৫৫টির ক্ষেত্রে ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই।

প্রযুক্তিভেদে সবচেয়ে বেশি ছাড়পত্রহীন ভাটা জিগজ্যাগ। ৬ হাজার ৪শ ৬টির মধ্যে ৪ হাজার ৭শ ৮১টি ছাড়পত্র বা নবায়নবিহীন। হাইব্রিড হফম্যানের ৫৪টির মধ্যে ২৪টি এবং অটোমেটিক/টানেল কিলনের ৩২টির মধ্যে ১২টিরও ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই। আর ফিক্সড চিমনি ও ড্রাম চিমনির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও খারাপ। ৭শ ৮৮টি ফিক্সড চিমনি এবং ২শ ৫০টি ড্রাম চিমনি—কোনোটিরই পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই।

তথ্য বলছে, এসব অনুমোদনহীন অবৈধ ইটের ভাটায় বিপুল পরিমাণ ইট উৎপাদন হচ্ছে। নথিপত্র অনুযায়ী, বছরে দেশে প্রায় ৩ হাজার ৯শ ৩৪ কোটি পোড়ানো ইট উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে জিগজ্যাগ ভাটাগুলোতেই উৎপাদন হয় প্রায় ৩ হাজার ২শ কোটি ইট।

হাইব্রিড হফম্যান ভাটায় ১শ ৪০ কোটি, অটোমেটিক/টানেল কিলনে ১শ কোটি, ফিক্সড চিমনিতে ৩শ ৯৪ কোটি এবং ড্রাম চিমনিতে প্রায় ১শ কোটি ইট উৎপাদনের প্রাক্কলন করা হয়েছে। অর্থাৎ পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন বিপুলসংখ্যক ভাটার পাশাপাশি এসব ভাটার উৎপাদনও দেশের নির্মাণ খাতে সরাসরি প্রবেশ করছে।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

জিগজ্যাগেও ছাড়পত্রহীন ৪ হাজার ৭৮১

আপডেট সময় : ১২:২৮:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

জিগজ্যাগেও ছাড়পত্রহীন ৪ হাজার ৭৮১

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৫ ধরনের প্রযুক্তিতে ইট উৎপাদন হচ্ছে। এর মধ্যে জিগজ্যাগ ভাটা ৬ হাজার ৪শ ৬টি, হাইব্রিড হফম্যান ৫৪টি, অটোমেটিক বা টানেল কিলন ৩২টি, ফিক্সড ৮০-১২০ ফুট চিমনির ভাটা ৭শ ৮৮টি এবং ড্রাম চিমনির ভাটা ২শ ৫০টি। সব মিলিয়ে ইটভাটার সংখ্যা ৭ হাজার ৫শ ৩০টি। এসব ভাটার মধ্যে পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নবায়ন রয়েছে ১ হাজার ৬শ ৭৫টির। অর্থাৎ ৫ হাজার ৮শ ৫৫টির ক্ষেত্রে ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই।

প্রযুক্তিভেদে সবচেয়ে বেশি ছাড়পত্রহীন ভাটা জিগজ্যাগ। ৬ হাজার ৪শ ৬টির মধ্যে ৪ হাজার ৭শ ৮১টি ছাড়পত্র বা নবায়নবিহীন। হাইব্রিড হফম্যানের ৫৪টির মধ্যে ২৪টি এবং অটোমেটিক/টানেল কিলনের ৩২টির মধ্যে ১২টিরও ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই। আর ফিক্সড চিমনি ও ড্রাম চিমনির ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও খারাপ। ৭শ ৮৮টি ফিক্সড চিমনি এবং ২শ ৫০টি ড্রাম চিমনি—কোনোটিরই পরিবেশগত ছাড়পত্র বা নবায়ন নেই।

তথ্য বলছে, এসব অনুমোদনহীন অবৈধ ইটের ভাটায় বিপুল পরিমাণ ইট উৎপাদন হচ্ছে। নথিপত্র অনুযায়ী, বছরে দেশে প্রায় ৩ হাজার ৯শ ৩৪ কোটি পোড়ানো ইট উৎপাদিত হয়। এর মধ্যে জিগজ্যাগ ভাটাগুলোতেই উৎপাদন হয় প্রায় ৩ হাজার ২শ কোটি ইট।

হাইব্রিড হফম্যান ভাটায় ১শ ৪০ কোটি, অটোমেটিক/টানেল কিলনে ১শ কোটি, ফিক্সড চিমনিতে ৩শ ৯৪ কোটি এবং ড্রাম চিমনিতে প্রায় ১শ কোটি ইট উৎপাদনের প্রাক্কলন করা হয়েছে। অর্থাৎ পরিবেশগত ছাড়পত্রবিহীন বিপুলসংখ্যক ভাটার পাশাপাশি এসব ভাটার উৎপাদনও দেশের নির্মাণ খাতে সরাসরি প্রবেশ করছে।

আস্থা/এমএইচ