ঢাকা ০১:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০১৮ বার পড়া হয়েছে

বিল মাকসা জলমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হামলা। ছবি: আস্থা


কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত  ৮টার দিকে উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের লাউড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিল মাকসা নামক জলমহালটির দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে কোনো সমাধান হয়নি।

এরই জেরে রাতে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বাঙালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মুর্শেদ ই কামলের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর নওগাঁ যাওয়ার পথে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় আহত হন উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), তাঁর পিতা হুমায়ুন কবির দানা, তাকবীর (২৮), অজু মিয়া, মীর রাফি (২৩) ও রিমন (৩৫)।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে গুরুতর আহতদের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল অভিযোগ করে বলেন, ‘বিল মাকসা জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এ হামলা হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদ বলেন, ‘হামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। শুনেছি আকসার ও শহিদুল মাছ নিয়ে কুলিয়ারচর যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়। পরে বাঙালপাড়ার লাউড়া এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করতে গেলে ওই সময় ছাত্রদল সভাপতি আহত হন।’

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

আপডেট সময় : ১১:৪৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিল মাকসা জলমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হামলা। ছবি: আস্থা


কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে জলমহাল দখল ও নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেলসহ অন্তত ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাত  ৮টার দিকে উপজেলার বাঙালপাড়া ইউনিয়নের লাউড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিল মাকসা নামক জলমহালটির দখল ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ ও পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে কোনো সমাধান হয়নি।

এরই জেরে রাতে উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বাঙালপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মুর্শেদ ই কামলের নেতৃত্বে একটি দল উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর নওগাঁ যাওয়ার পথে অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় আহত হন উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল (৩৫), তাঁর পিতা হুমায়ুন কবির দানা, তাকবীর (২৮), অজু মিয়া, মীর রাফি (২৩) ও রিমন (৩৫)।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে গুরুতর আহতদের শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহত ছাত্রদল সভাপতি তিতুমীর হোসেন সোহেল অভিযোগ করে বলেন, ‘বিল মাকসা জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে আমাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিত অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদের নেতৃত্বেই এ হামলা হয়েছে। দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’

অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইদ আহমেদ বলেন, ‘হামলার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। শুনেছি আকসার ও শহিদুল মাছ নিয়ে কুলিয়ারচর যাওয়ার পথে হামলার শিকার হয়। পরে বাঙালপাড়ার লাউড়া এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করতে গেলে ওই সময় ছাত্রদল সভাপতি আহত হন।’

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেব খান বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’