ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

দোহারে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, হচ্ছে রমরমা ব্যবসা

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩
  • / ১০৬৯ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা দোহার উপজেলার পৌরসভার ইসলামপুর এলাকায় সাহেব খালী (হিলসা মারী) খালের পড় থেকে অবৈধভাবে বালু তোলে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশলী আমিরের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালের পাশ থেকে অবৈধ ভাবে বালু তুলে এক সপ্তাহ ধরে বিক্রি করছে মো: আমির। এতে ভাঙন-হুমকিতে রয়েছে বসতভিটা, দুই পাশে থাকা রাস্তাসহ শতাধিক স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় অনেককেই হুমকি দিয়েছেন মো: আমির। সার জমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইসলাপুর (হিল শামারী) খাল থেকে অবৈধ ভাবে বালু তুলে এক সপ্তাহ ধরে বিক্রি করছে মো: আমির। মাটি কাটার জন্য ঐ খাল থেকেই পানি ব্যবহার করছে তারা। দোহার উপজেলা থেকে এটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। এই স্থানটিতে প্রতি বছর মাটি কাটা হয়। যখন বর্ষা মৌসুম আসে তখন মাটি দিয়ে ভরে যায় আর এই ভাবেই প্রতি বছর চলে মাটি উতলন।

এই ভাবে মাটি উতলন করতে থাকলে দুইপাশে থাকা রাস্তা ভেঙে বিলিন হয়ে যাবে নদীতে। স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা বলে তিনি ( মো: আমির) অনেককেই টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছে যার ফলে কেইও কোন কথা বলে না। এ বিষয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান প্রসাশনের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ স্থানের এক বাসিন্দা জানান, এখানে খননযন্ত্র দিয়ে প্রতিদিন বালু তোলা হচ্ছে। এ কারণে নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে আতঙ্কে দিন পার করছেন স্থানীয়রা। মাটি কাটার বিষয় মো: আমির এর সাথে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ঐ স্থানের মাটি কাটার শ্রমিক তোতা মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা এখানে এক সপ্তাহ ধরে মাটি কাটতেছি। অবৈধ ভাবে খাল থেকে বালু কেন কাটা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা শ্রমিক আমাদের টাকা দেয় আর সেই টাকার বিনিময় আমরা কাজ করি। এটি বৈধ নাকি অবৈধ সেটা আমির ভাই জানে আমরা জানি না। এ বিষয় দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা এ বিষয় দ্রুত পদক্ষেপ নিব।

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধি

ট্যাগস :

দোহারে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন, হচ্ছে রমরমা ব্যবসা

আপডেট সময় : ০৩:২৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ মার্চ ২০২৩

ঢাকা দোহার উপজেলার পৌরসভার ইসলামপুর এলাকায় সাহেব খালী (হিলসা মারী) খালের পড় থেকে অবৈধভাবে বালু তোলে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশলী আমিরের বিরুদ্ধে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, খালের পাশ থেকে অবৈধ ভাবে বালু তুলে এক সপ্তাহ ধরে বিক্রি করছে মো: আমির। এতে ভাঙন-হুমকিতে রয়েছে বসতভিটা, দুই পাশে থাকা রাস্তাসহ শতাধিক স্থাপনা। স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় অনেককেই হুমকি দিয়েছেন মো: আমির। সার জমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইসলাপুর (হিল শামারী) খাল থেকে অবৈধ ভাবে বালু তুলে এক সপ্তাহ ধরে বিক্রি করছে মো: আমির। মাটি কাটার জন্য ঐ খাল থেকেই পানি ব্যবহার করছে তারা। দোহার উপজেলা থেকে এটির দূরত্ব প্রায় দুই কিলোমিটার। এই স্থানটিতে প্রতি বছর মাটি কাটা হয়। যখন বর্ষা মৌসুম আসে তখন মাটি দিয়ে ভরে যায় আর এই ভাবেই প্রতি বছর চলে মাটি উতলন।

এই ভাবে মাটি উতলন করতে থাকলে দুইপাশে থাকা রাস্তা ভেঙে বিলিন হয়ে যাবে নদীতে। স্থানীয়দের সাথে কথা হলে তারা বলে তিনি ( মো: আমির) অনেককেই টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছে যার ফলে কেইও কোন কথা বলে না। এ বিষয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান প্রসাশনের কাছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐ স্থানের এক বাসিন্দা জানান, এখানে খননযন্ত্র দিয়ে প্রতিদিন বালু তোলা হচ্ছে। এ কারণে নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ফলে আতঙ্কে দিন পার করছেন স্থানীয়রা। মাটি কাটার বিষয় মো: আমির এর সাথে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে ঐ স্থানের মাটি কাটার শ্রমিক তোতা মিয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমরা এখানে এক সপ্তাহ ধরে মাটি কাটতেছি। অবৈধ ভাবে খাল থেকে বালু কেন কাটা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা শ্রমিক আমাদের টাকা দেয় আর সেই টাকার বিনিময় আমরা কাজ করি। এটি বৈধ নাকি অবৈধ সেটা আমির ভাই জানে আমরা জানি না। এ বিষয় দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, আমরা এ বিষয় দ্রুত পদক্ষেপ নিব।

ঢাকা জেলা দক্ষিণ প্রতিনিধি