Home জাতীয় র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে গোপনে বদলি

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে গোপনে বদলি

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে গোপনে বদলি

র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে বদলির আদেশ দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। র‍্যাবের একটি সূত্র জানায়, সোমবার (০৯ অক্টোবর) জনপ্রশাসান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আলিয়া মেহের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়া হয়। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরওয়ার আলমকে গোপনে বদলি দেয়া হয় ।

সরওয়ার আলমকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে বলে জানায় সূত্র। তবে অন্যান্য বদলির আদেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে দেয়া হলেও এটি দেয়া হয়নি।

আরও পড়ুন- গার্মেন্টস শ্রমিকদের বেঁচে থাকা কঠিন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কারণে

সরওয়ার আলম ২০১৫ সাল থেকে র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি দুর্নীতি বিরোধী শুদ্ধি অভিযানের সময় সাহসী ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও গেল পাঁচ বছরে অনেক অনিয়ম প্রতারণার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। বিশেষ করে ভেজাল খাদ্য ও ভেজাল পণ্য উৎপাদনের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এই নির্বাহী ম্যাজিসেট্রট।

অসুস্থ পুলিশ কর্মকর্তাকে হাসপাতালে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রাজধানীর আদাবরে মাইন্ড এইড হাসপাতালে ভর্তি মানসিকভাবে অসুস্থ এক জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপারকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলেছে তার পরিবার। তার নাম আনিসুল করিম শিপন।

সোমবার সকালে ভর্তির পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই মারা যান তিনি।

পরিবারের অভিযোগ, ভর্তির পরপর হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হাসপাতালের ব্যবস্থাপকসহ ছয়জনকে আটক করেছে।

তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করায় পুলিশ কর্মকর্তাকে শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন তারা।

আনিসুল করিম ৩১তম বিসিএস দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৩৩ ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। সর্বশেষ তিনি বরিশাল মহানগর পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি এক সন্তানের জনক।

আনিসুল করিমের ভাই রেজাউল করিম বলেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে তার ভাই মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা তাকে নিয়ে মাইন্ড এইড হাসপাতালে যান। কাউন্টারে যখন ভর্তির ফরম পূরণ করছিলেন, তখন কয়েকজন কর্মচারী তাকে দোতলায় নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর তাদের জানানো হয় আনিসুল অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন। এরপর তারা তাকে দ্রুত হৃদ্‌রোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন।