কিশোরগঞ্জে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ঘিরে নানা প্রশ্ন, প্রচারে ঘাটতির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৬:২২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
- / ১১৭৪ বার পড়া হয়েছে
কিশোরগঞ্জ শিশু, কিশোর-কিশোরী ও নারী উন্নয়নের প্রচার কার্যক্রমের আওতায় ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় আয়োজিত টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন “Consultation Workshop”-কে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালায় সরকারি অর্থ ব্যয় হলেও অধিকাংশ নামমাত্র সাংবাদিকদেরকে নিয়ে প্রোগ্রাম করায় বাস্তবে এর সুফল আসেনি।
গত, ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালার সভাপতি ছিলেন জেলা প্রশাসক জনাব ফৌজিয়া খান (যুগ্মসচিব)ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। সরকারি অর্থায়নে ও ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিশুর টিকাদান কর্মসূচির সাফল্য তুলে ধরা হলেও বাস্তবে ছবির চেয়ে ভিন্ন অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেছেন এসব কর্মশালা প্রায়ই রুটিনমাফিক অনুষ্ঠান হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাঠপর্যায়ে তেমন কোনো কার্যকর দেখা যাচ্ছে না।
একাধিক সাংবাদিকের মতে, একই বিষয় নিয়ে বছরের পর বছর সেমিনার হচ্ছে কিন্তু উপজেলার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এখনো টিকা সংকট বা সেবা জটিলতা রয়ে গেছে। সকল সাংবাদিককে না নিয়ে নির্দিষ্ট কয়েকজনকে নিয়ে প্রোগ্রাম করায় জেলায় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তারা বলেছে, এই কর্মশালাগুলোয় তথ্য পরিবেশনের চেয়ে বরং ফরমালিটি বেশি মানা হয়। প্রয়োজনে যে সম্মানি দেওয়া হয় তা আমরা সকলে মিলে নিতে পারতাম তবুও সকল সহকর্মীদের নিয়ে করলে ভালো হতো।
নির্দিষ্ট করে নামমাত্র সাংবাদিকদের ইনভাইট করার মাধ্যমে একটি বৈষম্য তৈরি করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্যে যদিও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে, তবে স্থানীয় মহলে প্রশ্ন উঠেছে এই ধরনের ব্যয়বহুল আয়োজনের প্রকৃত উপকারভোগী কারা? বিশ্লেষকরা মনে করেন, উন্নয়নমূলক প্রচারণা কার্যক্রমগুলো সফল করতে হলে মাঠপর্যায়ের বাস্তব সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শুধুমাত্র অনুষ্ঠান নয়, কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে জনগণ যেন পরিবর্তন অনুভব করে সেটিই এখন সময়ের দাবি।
এ বিষয়ে জেলা তথ্য অফিসের সহকারী পরিচালক মো. সাইফুল আলম বলেন, আমাদের এই প্রোগ্রাম মূল লক্ষ্য প্রচার করা। কিন্তু আশানুরূপ প্রচার হয়নি। জেলা প্রশাসকের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী আমরা সাংবাদিকদের তালিকা তৈরি করেছি। পরবর্তীতে অন্য কোনো প্রোগ্রামে যারা বাদ পড়েছেন তাদের ইনভাইট করা হবে
জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খানের মন্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।




















