ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী Logo যেসব দেশে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার পরও কার্যকর হয়নি Logo শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী Logo জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটিতে বড় রদবদল Logo মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা, হাসপাতালে ভর্তি Logo একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন জামায়াত আমীর Logo ভারতীয় স্পাইসজেটকে আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দিলো বাংলাদেশ Logo ঝটিকা মিছিল চলাকালে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের ৮ কর্মী আটক Logo ইউনূস সরকারের শেষ সময়ের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে বিতর্ক কেন? Logo প্রথম আলোয় হামলা: অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতা-ফাওজুল কবীর

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১০

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৬৩ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘরমধুয়া গ্রামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশের এএসআই’সহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলেন, বাঁশগ্রাম পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই ফরিদ, শালঘরমধুয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে রাশিদুল হককে (৩৫) ও মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ফারুক (৩৮)। অন্যদের নাম জানা যায়নি।

[irp]

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রভাষক আলী ও তোফাজ্জেল গ্রুপের সঙ্গে জাফর ও লিটন গ্রুপের বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে গত ৪ এপ্রিল জাফরের সমর্থক আরিফ তোফাজ্জেলের এলাকায় রোগী দেখতে যান। এ সময় চোর সন্দেহে আরিফকে বেধড়ক মারপিট করে প্রতিপক্ষরা।

এনিয়ে ২ দিন পর গত ৬ এপ্রিল উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে জাফর গ্রুপের মুকুল ও তোফাজ্জেল গ্রুপের ওয়াদুদ আহত হন। এছাড়া উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিরা সবাই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তোফাজ্জেল গ্রুপের সমর্থকরা জাফর গ্রুপের ফারুক, রাশিদুলসহ অন্যান্যদের বাড়িঘর ভাঙচুর চালালে তারা বাধা দেন। পরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শতাধিক ঘরবাড়ি ভাংচুর ও আগুন লাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয় নিয়ে থানায় ২টি মামলা রয়েছে। বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে হঠাৎ দুই গ্রুপ ঘরবাড়ি ভাঙচুর শুরু করে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৯ জনকে আটক করেছে।

ট্যাগস :

আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত ১০

আপডেট সময় : ০৯:২৬:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ এপ্রিল ২০২১

জেলা প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাগুলাট ইউনিয়নের শালঘরমধুয়া গ্রামে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে পুলিশের এএসআই’সহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আহতরা হলেন, বাঁশগ্রাম পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই ফরিদ, শালঘরমধুয়া গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে রাশিদুল হককে (৩৫) ও মৃত চাঁদ আলীর ছেলে ফারুক (৩৮)। অন্যদের নাম জানা যায়নি।

[irp]

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রভাষক আলী ও তোফাজ্জেল গ্রুপের সঙ্গে জাফর ও লিটন গ্রুপের বিরোধ চলে আসছে। বিরোধের জের ধরে গত ৪ এপ্রিল জাফরের সমর্থক আরিফ তোফাজ্জেলের এলাকায় রোগী দেখতে যান। এ সময় চোর সন্দেহে আরিফকে বেধড়ক মারপিট করে প্রতিপক্ষরা।

এনিয়ে ২ দিন পর গত ৬ এপ্রিল উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সংঘর্ষে জাফর গ্রুপের মুকুল ও তোফাজ্জেল গ্রুপের ওয়াদুদ আহত হন। এছাড়া উভয় পক্ষের ১৫ থেকে ২০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় উভয় পক্ষ থানায় মামলা দায়ের করেন। আসামিরা সবাই বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে তোফাজ্জেল গ্রুপের সমর্থকরা জাফর গ্রুপের ফারুক, রাশিদুলসহ অন্যান্যদের বাড়িঘর ভাঙচুর চালালে তারা বাধা দেন। পরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শতাধিক ঘরবাড়ি ভাংচুর ও আগুন লাগিয়ে দেয়। সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

এ বিষয়ে কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিব হাসান জানান, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এ বিষয় নিয়ে থানায় ২টি মামলা রয়েছে। বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে হঠাৎ দুই গ্রুপ ঘরবাড়ি ভাঙচুর শুরু করে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় পুলিশসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ ৯ জনকে আটক করেছে।