ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

ই-মেইল সাক্ষাৎকার পরিচালনার টিপস

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১১:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩
  • / ১০৫৯ বার পড়া হয়েছে

ই-মেইল সাক্ষাৎকার পরিচালনার টিপস

 

শেখ শ্রাবণ হোসেন শাওনঃ

১. প্রায়শই,যখন আমাকে একটি ই-মেইল সাক্ষাৎকারের জন্য বলা হয়,তখন আমাকে একটি দীর্ঘ প্রশ্ন তালিকা পাঠানো হয়, যা চিন্তাভাবনা করে জবাব দিতে অনেক বেশি সময় নেয়, অথচ অতটা সময় আমার হাতে থাকে না। সুতরাং ই-মেইল সাক্ষাৎকারই যদি একমাত্র বিকল্প হয়, তাহলে সর্বপ্রথমে আপনার সোর্সের সময় নিয়ে চিন্তা করুন এবং নিজেকে তিন থেকে পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।

২. আপনার সোর্সের কাছে নিজের ও আপনার সংবাদ সংস্থার পরিচয় দিন। তাকে জানান কিভাবে তার সম্পর্কে জানতে পারলেন – কোথা থেকে তাদের নাম এবং যোগাযোগের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন? আপনি যখন প্রশ্ন পাঠাবেন,তখন যদি প্রয়োজন হয় ফলোআপ বা স্পষ্টকরণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসার সুযোগ রাখুন।

৩. আপনার সময়সীমা সম্পর্কে তাদের জানান। আপনি যদি প্রত্যুত্তর না পান তাহলে এর ফলোআপ করুন এবং একাধিক সোর্সের কাছেও প্রশ্নাবলী পাঠান, বিশেষত যদি আপনি ডেডলাইনের কাছাকাছি থাকেন।

৪. একবার জবাব পেয়ে থাকলে, যদি আপনার প্রয়োজন হয়, তাহলে ফলোআপ প্রশ্ন করে কোনও বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চাইতে পারেন। পরবর্তীতে তাকে একটি ধন্যবাদ নোট পাঠাতে ভুলবেন না। এবং বলে রাখুন চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা নিবন্ধ তৈরি হলে এর একটি লিঙ্ক আপনি তাকে পাঠাবেন। (আপনি যদি লিঙ্ক পাঠানোর প্রস্তাব করে থাকেন, তাহলে পরবর্তীতে তা অনুসরণ করুন)

৫. স্কাইপ প্রাপ্যতা সহজ হলে, ফোনে সাক্ষাৎকারের জন্য আমি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পছন্দ করি। এখানে এমন সব প্রোগ্রাম রয়েছে, যেখানে সহজে সাক্ষাৎকার ধারণ করা যায়। (সাক্ষাৎকারটি যে রেকর্ড করছেন আপনার সোর্সকে তা জানাতে ভুলবেন না)।

ফোন, স্কাইপ বা ইন্টারনেট যা-ই ব্যবহার করেন না কেন, আপনি সাক্ষাৎকার গ্রহনের জন্য প্রস্তুতি নিতে ভুলবেন না। তথ্যসূত্র-আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউট।

ট্যাগস :

ই-মেইল সাক্ষাৎকার পরিচালনার টিপস

আপডেট সময় : ১১:২৭:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৩

ই-মেইল সাক্ষাৎকার পরিচালনার টিপস

 

শেখ শ্রাবণ হোসেন শাওনঃ

১. প্রায়শই,যখন আমাকে একটি ই-মেইল সাক্ষাৎকারের জন্য বলা হয়,তখন আমাকে একটি দীর্ঘ প্রশ্ন তালিকা পাঠানো হয়, যা চিন্তাভাবনা করে জবাব দিতে অনেক বেশি সময় নেয়, অথচ অতটা সময় আমার হাতে থাকে না। সুতরাং ই-মেইল সাক্ষাৎকারই যদি একমাত্র বিকল্প হয়, তাহলে সর্বপ্রথমে আপনার সোর্সের সময় নিয়ে চিন্তা করুন এবং নিজেকে তিন থেকে পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন।

২. আপনার সোর্সের কাছে নিজের ও আপনার সংবাদ সংস্থার পরিচয় দিন। তাকে জানান কিভাবে তার সম্পর্কে জানতে পারলেন – কোথা থেকে তাদের নাম এবং যোগাযোগের ঠিকানা খুঁজে পেয়েছেন? আপনি যখন প্রশ্ন পাঠাবেন,তখন যদি প্রয়োজন হয় ফলোআপ বা স্পষ্টকরণ প্রশ্ন জিজ্ঞাসার সুযোগ রাখুন।

৩. আপনার সময়সীমা সম্পর্কে তাদের জানান। আপনি যদি প্রত্যুত্তর না পান তাহলে এর ফলোআপ করুন এবং একাধিক সোর্সের কাছেও প্রশ্নাবলী পাঠান, বিশেষত যদি আপনি ডেডলাইনের কাছাকাছি থাকেন।

৪. একবার জবাব পেয়ে থাকলে, যদি আপনার প্রয়োজন হয়, তাহলে ফলোআপ প্রশ্ন করে কোনও বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চাইতে পারেন। পরবর্তীতে তাকে একটি ধন্যবাদ নোট পাঠাতে ভুলবেন না। এবং বলে রাখুন চূড়ান্ত প্রতিবেদন বা নিবন্ধ তৈরি হলে এর একটি লিঙ্ক আপনি তাকে পাঠাবেন। (আপনি যদি লিঙ্ক পাঠানোর প্রস্তাব করে থাকেন, তাহলে পরবর্তীতে তা অনুসরণ করুন)

৫. স্কাইপ প্রাপ্যতা সহজ হলে, ফোনে সাক্ষাৎকারের জন্য আমি এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পছন্দ করি। এখানে এমন সব প্রোগ্রাম রয়েছে, যেখানে সহজে সাক্ষাৎকার ধারণ করা যায়। (সাক্ষাৎকারটি যে রেকর্ড করছেন আপনার সোর্সকে তা জানাতে ভুলবেন না)।

ফোন, স্কাইপ বা ইন্টারনেট যা-ই ব্যবহার করেন না কেন, আপনি সাক্ষাৎকার গ্রহনের জন্য প্রস্তুতি নিতে ভুলবেন না। তথ্যসূত্র-আন্তর্জাতিক প্রেস ইনস্টিটিউট।