ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬

কল্যাণকাঠি আবাসনে অগ্নিকান্ডে পুড়েছে দশ বসতঘর

Md Elias
  • আপডেট সময় : ১২:২৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২
  • / ১০৪৮ বার পড়া হয়েছে

কল্যাণকাঠি আবাসনে অগ্নিকান্ডে পুড়েছে দশ বসতঘর

আমির হোসেন/ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি সদর উপজেলার কল্যাণকাঠি আবাসন প্রকল্পে অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২০মার্চ) দুপুরে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিঃস্ব হয়ে গেছে আবাসনে আশ্রয় নেওয়া ভূমিহীন হতদরিদ্র পরিবারগুলো। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

ফায়ার সার্ভিস ও আবাসনের বাসিন্দারা বলেন, দুপুরে কল্যাণকাঠি আবাসনের ১ নম্বর ব্যারাকের আকলিমা বেগমের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঝালকাঠি ও বরিশালের ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আবাসনের ওই ব্যারাকের ১০টি ঘর মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়েগেছে।

আবাসনে বসবাসকারী কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোক বলেন, সকালে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে আমরা বেড়িয়ে পড়ি। রাতে আমাদের ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি, আমাদের সহায় সম্বল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কান্নায় ভেঙে পড়ে হতদরিদ্র ভূমিহীন এ পরিবারগুলো।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকুন নাহার ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন পলাশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাদের দুপুর ও রাতের খাবারের ব্যবস্থাও করেন তারা।

আবাসনে বসবাসকারী মো. মনির হোসেন জানান, গ্রামের বাড়িতে আমার জমি বিক্রির চার লাখ টাকা ঘরে এনে রেখেছিলাম। সকালে কাজে বের হইছি, দুপুরে খবর পাই ঘরে আগুন লেগেছে। এসে দেখি আমার মালামালসহ ঘরটি চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফিরোজ কুতুবি জানান, আগুন লাগার পরে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ঘরের ভিতরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এর মধ্যে একজনের ঘরে নগদ চার লাখ টাকা ছিল, তা-ও পুড়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন।

[irp]

ট্যাগস :

কল্যাণকাঠি আবাসনে অগ্নিকান্ডে পুড়েছে দশ বসতঘর

আপডেট সময় : ১২:২৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মার্চ ২০২২

কল্যাণকাঠি আবাসনে অগ্নিকান্ডে পুড়েছে দশ বসতঘর

আমির হোসেন/ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠি সদর উপজেলার কল্যাণকাঠি আবাসন প্রকল্পে অগ্নিকাণ্ডে ১০টি বসতঘর মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

রোববার (২০মার্চ) দুপুরে শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে নিঃস্ব হয়ে গেছে আবাসনে আশ্রয় নেওয়া ভূমিহীন হতদরিদ্র পরিবারগুলো। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।

ফায়ার সার্ভিস ও আবাসনের বাসিন্দারা বলেন, দুপুরে কল্যাণকাঠি আবাসনের ১ নম্বর ব্যারাকের আকলিমা বেগমের ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পাশের ঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঝালকাঠি ও বরিশালের ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিটের কর্মীরা স্থানীয়দের সহায়তায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আবাসনের ওই ব্যারাকের ১০টি ঘর মালামালসহ পুড়ে ছাই হয়েগেছে।

আবাসনে বসবাসকারী কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের লোক বলেন, সকালে জীবিকার তাগিদে কাজের সন্ধানে আমরা বেড়িয়ে পড়ি। রাতে আমাদের ঘরে ফেরার কথা। কিন্তু আগুন লাগার খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি, আমাদের সহায় সম্বল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কান্নায় ভেঙে পড়ে হতদরিদ্র ভূমিহীন এ পরিবারগুলো।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাবেকুন নাহার ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মঈনুদ্দিন পলাশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাদের দুপুর ও রাতের খাবারের ব্যবস্থাও করেন তারা।

আবাসনে বসবাসকারী মো. মনির হোসেন জানান, গ্রামের বাড়িতে আমার জমি বিক্রির চার লাখ টাকা ঘরে এনে রেখেছিলাম। সকালে কাজে বের হইছি, দুপুরে খবর পাই ঘরে আগুন লেগেছে। এসে দেখি আমার মালামালসহ ঘরটি চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

ঝালকাঠি ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফিরোজ কুতুবি জানান, আগুন লাগার পরে দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ঘরের ভিতরের সব মালামাল পুড়ে গেছে। এর মধ্যে একজনের ঘরে নগদ চার লাখ টাকা ছিল, তা-ও পুড়েছে। অগ্নিকাণ্ডে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন।

[irp]