ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

কারাগারের ভেতরেও গড়ে তুলেছিলেন অপরাধী চক্র

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৩৩ বার পড়া হয়েছে

কারাগারের ভেতরেও গড়ে তুলেছিলেন অপরাধী চক্র

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আলোচিত যুব মহিলা লীগের সাবেক নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া কারাগারের ভেতরেও অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন।

 

২০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পাপিয়া ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণসহ সহযোগী কয়েদিদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ নারী বন্দীদের নির্যাতন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জুনে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাপিয়ার নেতৃত্বে তৎকালীন বন্দী শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে নির্যাতন করা হয়।

 

এ ঘটনা তদন্ত করে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ওবায়দুর রহমান কারা মহাপরিদর্শককে যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন, তাতে পাপিয়ার সংশ্লিষ্টতা উঠে এসেছে। ৫ জুলাই পাঠানো ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শামীমা নূর পাপিয়াসহ অন্য বন্দীরা হাজতি বন্দী রুনা লায়লাকে মারধর ও আঘাত করেছেন। এ ছাড়া রুনার ভাই আবদুল করিম বোনের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গেলে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়। অন্য বন্দীকে রুনা সাজিয়ে তাঁর সঙ্গে ভুয়া টেলিফোন আলাপ করানো হয়।

 

ঢাকার কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ১৬ জুন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। কারাগারে নেওয়ার পর রুনার দেহ তল্লাশি করে কর্তব্যরত মেট্রন তাঁর কাছে ৭ হাজার ৪শ টাকা পান। ওই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পাপিয়া ও তাঁর সহযোগীরা ১৯ জুন রুনাকে নির্যাতন করেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রুনাকে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ নিয়ে কারাগারের ভেতরে সালিস বসে (কেস টেবিল)। সেখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বন্দী ও কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ২৭ জুন জামিনে মুক্তি পাওয়া রুনা লায়লা বলেছিলেন, ‘আমার কাছে ৭ হাজার ৪শ টাকা ছিল। সেই টাকা কেড়ে নেওয়ার জন্য শামীমা নূর পাপিয়াসহ তাঁর সহযোগীরা আমাকে সিসি ক্যামেরা নেই এমন স্থানে নিয়ে যান। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁরা জোর করে সেই টাকা নিয়ে যান। পরে পাপিয়া ও তাঁর সহযোগীরা শিকল দিয়ে আমার হাত-পা বেঁধে অমানবিকভাবে মারধর করে। আমাকে না মারার জন্য পাপিয়ার হাত–পায়ে ধরেছি। কিন্তু সে আমার কথা শোনেনি।

ট্যাগস :

কারাগারের ভেতরেও গড়ে তুলেছিলেন অপরাধী চক্র

আপডেট সময় : ০৯:০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

কারাগারের ভেতরেও গড়ে তুলেছিলেন অপরাধী চক্র

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে আলোচিত যুব মহিলা লীগের সাবেক নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়া কারাগারের ভেতরেও অপরাধী চক্র গড়ে তুলেছিলেন।

 

২০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পাপিয়া ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণসহ সহযোগী কয়েদিদের সঙ্গে নিয়ে সাধারণ নারী বন্দীদের নির্যাতন করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত জুনে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাপিয়ার নেতৃত্বে তৎকালীন বন্দী শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে নির্যাতন করা হয়।

 

এ ঘটনা তদন্ত করে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার ওবায়দুর রহমান কারা মহাপরিদর্শককে যে প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন, তাতে পাপিয়ার সংশ্লিষ্টতা উঠে এসেছে। ৫ জুলাই পাঠানো ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শামীমা নূর পাপিয়াসহ অন্য বন্দীরা হাজতি বন্দী রুনা লায়লাকে মারধর ও আঘাত করেছেন। এ ছাড়া রুনার ভাই আবদুল করিম বোনের সঙ্গে দেখা করতে কারাগারে গেলে তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করা হয়। অন্য বন্দীকে রুনা সাজিয়ে তাঁর সঙ্গে ভুয়া টেলিফোন আলাপ করানো হয়।

 

ঢাকার কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী রুনা লায়লাকে ১৬ জুন কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয়। কারাগারে নেওয়ার পর রুনার দেহ তল্লাশি করে কর্তব্যরত মেট্রন তাঁর কাছে ৭ হাজার ৪শ টাকা পান। ওই টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য পাপিয়া ও তাঁর সহযোগীরা ১৯ জুন রুনাকে নির্যাতন করেন।

 

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রুনাকে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ নিয়ে কারাগারের ভেতরে সালিস বসে (কেস টেবিল)। সেখানে ত্রিমুখী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন বন্দী ও কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ঘটনার পর চলতি মাসের শুরুতে পাপিয়াকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। ২৭ জুন জামিনে মুক্তি পাওয়া রুনা লায়লা বলেছিলেন, ‘আমার কাছে ৭ হাজার ৪শ টাকা ছিল। সেই টাকা কেড়ে নেওয়ার জন্য শামীমা নূর পাপিয়াসহ তাঁর সহযোগীরা আমাকে সিসি ক্যামেরা নেই এমন স্থানে নিয়ে যান। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাঁরা জোর করে সেই টাকা নিয়ে যান। পরে পাপিয়া ও তাঁর সহযোগীরা শিকল দিয়ে আমার হাত-পা বেঁধে অমানবিকভাবে মারধর করে। আমাকে না মারার জন্য পাপিয়ার হাত–পায়ে ধরেছি। কিন্তু সে আমার কথা শোনেনি।