ঢাকা ০১:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo নির্বাচনী ব্যস্ততায় প্রশাসনিক গতি কমেছে, মাঠে ও সচিবালয়ে ঢিলেমি Logo কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo যা থাকবে জামায়েতের নির্বাচনী ইশতেহারে Logo যা থাকবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে Logo গণভোটে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা ও জনগণের সার্বভৌম অধিকার: সংবিধান, সরকার এবং হ্যাঁ/না ভোটের প্রশ্ন Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩
  • / ১২৩০ বার পড়া হয়েছে

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা


স্টাফ রিপোর্টারঃ


এমপিওভুক্তির সময় সনদ জালিয়াতি করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী নেওয়া ৬শ ৭৮ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত ও ফৌজদারি মামলাসহ সাত দফা শাস্তি কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা) মোঃ সেলিম শিকদার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে ৬শ ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রদানকারী দপ্তর প্রধান/প্রতিনিধি সমন্বয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক/কর্মচারীদের সনদের সত্যতা যাচাই পূর্বক ৬শ ৭৮ জনের জাল সনদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

৬শ ৭৮ জন জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সাত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় সেগুলো হলো-

১।

জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকুরীচ্যুত করা।

২।


অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৩।


যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা।

৪।


যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা।

৫।


বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের অবসর ভাতা/কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা।

৬।


জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের।

৭।

জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ।

ট্যাগস :

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা

আপডেট সময় : ১০:৪২:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ মে ২০২৩

চাকরি গেল ৬৭৮ শিক্ষকের, ফেরত নেওয়া হবে বেতন-ভাতা


স্টাফ রিপোর্টারঃ


এমপিওভুক্তির সময় সনদ জালিয়াতি করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকুরী নেওয়া ৬শ ৭৮ শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে বেতন-ভাতা বাবদ নেওয়া অর্থ ফেরত ও ফৌজদারি মামলাসহ সাত দফা শাস্তি কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) তদন্তে সনদ জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১৮ মে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব (অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা শাখা) মোঃ সেলিম শিকদার স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে ৬শ ৭৮ জন শিক্ষক-কর্মচারীর জাল সনদ শনাক্ত হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সনদ প্রদানকারী দপ্তর প্রধান/প্রতিনিধি সমন্বয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক/কর্মচারীদের সনদের সত্যতা যাচাই পূর্বক ৬শ ৭৮ জনের জাল সনদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

৬শ ৭৮ জন জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে যে সাত ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয় সেগুলো হলো-

১।

জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের এমপিও বন্ধ এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে চাকুরীচ্যুত করা।

২।


অবৈধভাবে গ্রহণকৃত বেতন ভাতা সরকারি কোষাগারে ফেরৎ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

৩।


যারা অবসরে গেছেন তাদের অবসরের সুবিধা প্রাপ্তি বাতিল করা।

৪।


যারা স্বেচ্ছায় অবসর নিয়েছেন তাদের আপত্তির টাকা অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে আদায় করা।

৫।


বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জাল সনদধারী শিক্ষক/কর্মচারীদের অবসর ভাতা/কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাল সনদধারীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা।

৬।


জাল সনদধারীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক ফৌজদারি অপরাধের মামলা দায়ের।

৭।

জাল সনদধারীদের নিয়োগ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ।