ঢাকা ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ঢাকায় পাকিস্তান দিবস উদযাপন Logo তিন দেশের মধ্যস্ততায় কমছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা Logo স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি Logo ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের পর ইরান জুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা Logo নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাড়ি Logo বড় হুমকির মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি: আইইএর প্রধান Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক–মোদির ঈদ শুভেচ্ছা, পূর্বের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনে বাংলাদেশ Logo সামনে বাড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম: মির্জা ফখরুল

জিপিএ ৫ পেয়েও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা পানছড়ির জান্নাতুল

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০১:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১০৯১ বার পড়া হয়েছে

জিপিএ ৫ পেয়েও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা পানছড়ির জান্নাতুল

 

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

 

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির লোগাং বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসা বিভাগ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে পাশ করলেও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা জান্নাতুল ফেরদৌস।

 

সে লোগাং ইউনিয়ন এর বাসিন্দা দিনমজুর কাজী জাকির হোসেন এর কনিষ্ঠ কন্যা। সংসার চালাতে দীর্ঘ আট বছর ধরে চট্টগ্রামের আবুল খায়ের কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন জান্বানাতুল এর বাবা জাকির হোসেন।

 

জানা যায়, মেধাবী সাদিয়া পিএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষায়ও ভালো ফলাফল করেছিলো। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেও অর্থের অভাবে ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারবে কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার দরিদ্র বাবা-মা। অভাবের সংসারে পড়ালেখা করানোর সামর্থ্য নেই তার দিনমজুর বাবার। অথচ শত অভাবের মাঝেও জান্নাতুল ফেরদৌস বুকে লালন করছে ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন।

 

ভালো ফলাফলের জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, স্যাররা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।এইছাড়াও আমার বাবা ধার দেনা করে বিভিন্ন বই কিনে দিয়েছিল এজন্য এই ফল করতে পেরেছি আমি।

 

জান্নাতুল ফেরদৌস এর মা জমিলা বেগম বলেন, অনেক কষ্টে আমাদের সংসার চালাতে হয়। দিনে এনে দিনে খাওয়ার মতো। মেয়ের পড়াশোনার টাকা দেবো কোথা থেকে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আল্লাহ জানেন, টাকার অভাবে মেয়ের ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে কি না।এছাড়া আমার আরেকটি মেয়ে ও ছেলে আছে। মেয়ে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে পানছড়ি সরকারি কলেজ থেকে।

 

পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা বলেন, মেয়েটি অত্যন্ত মেধাবী বলে জানতে পেরেছি আমরা। তাকে আমরা সহযোগিতা করবো ভর্তির ব্যাপারে। এই ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা চালিয়ে নিতে বিত্তবান ব্যক্তিরা সহযোগিতা করলে সে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে।

ট্যাগস :

জিপিএ ৫ পেয়েও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা পানছড়ির জান্নাতুল

আপডেট সময় : ০১:৪৩:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

জিপিএ ৫ পেয়েও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা পানছড়ির জান্নাতুল

 

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

 

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ির লোগাং বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবসা বিভাগ থেকে এসএসসিতে জিপিএ ৫ পেয়ে পাশ করলেও অর্থাভাবে কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা জান্নাতুল ফেরদৌস।

 

সে লোগাং ইউনিয়ন এর বাসিন্দা দিনমজুর কাজী জাকির হোসেন এর কনিষ্ঠ কন্যা। সংসার চালাতে দীর্ঘ আট বছর ধরে চট্টগ্রামের আবুল খায়ের কোম্পানিতে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন জান্বানাতুল এর বাবা জাকির হোসেন।

 

জানা যায়, মেধাবী সাদিয়া পিএসসি এবং জেএসসি পরীক্ষায়ও ভালো ফলাফল করেছিলো। এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করলেও অর্থের অভাবে ভালো কলেজে ভর্তি হতে পারবে কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত জান্নাতুল ফেরদৌস ও তার দরিদ্র বাবা-মা। অভাবের সংসারে পড়ালেখা করানোর সামর্থ্য নেই তার দিনমজুর বাবার। অথচ শত অভাবের মাঝেও জান্নাতুল ফেরদৌস বুকে লালন করছে ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন।

 

ভালো ফলাফলের জন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, স্যাররা আমাকে অনেক সহযোগিতা করেছেন।এইছাড়াও আমার বাবা ধার দেনা করে বিভিন্ন বই কিনে দিয়েছিল এজন্য এই ফল করতে পেরেছি আমি।

 

জান্নাতুল ফেরদৌস এর মা জমিলা বেগম বলেন, অনেক কষ্টে আমাদের সংসার চালাতে হয়। দিনে এনে দিনে খাওয়ার মতো। মেয়ের পড়াশোনার টাকা দেবো কোথা থেকে, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আল্লাহ জানেন, টাকার অভাবে মেয়ের ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে কি না।এছাড়া আমার আরেকটি মেয়ে ও ছেলে আছে। মেয়ে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে পানছড়ি সরকারি কলেজ থেকে।

 

পানছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ সমীর দত্ত চাকমা বলেন, মেয়েটি অত্যন্ত মেধাবী বলে জানতে পেরেছি আমরা। তাকে আমরা সহযোগিতা করবো ভর্তির ব্যাপারে। এই ক্ষেত্রে উচ্চ শিক্ষা চালিয়ে নিতে বিত্তবান ব্যক্তিরা সহযোগিতা করলে সে লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারবে।