ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠিতে হঠাৎ করে লবনাক্ত সুগন্ধা-বিষখালির মিঠা পানি

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১১:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১
  • / ১০৭৩ বার পড়া হয়েছে

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠির উপর দিয়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা ও বিষখালি নদী। হঠাৎ করে লবনাক্ত হয়ে গেছে এ নদীর পানি। গত ৩০ মার্চ থেকে পূর্নিমার জোয়ারের পানি আসার পর থেকেই পানি লবনাক্ত অনুভব করেন বিষখালি তীরবর্তী মানুষ। হঠাৎ করে নদীর পানি লবন হওয়ার বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে ফসল হানির শঙ্কায় কৃষকরা। কিন্তু কিভাবে পানি লবন হলো তা নিয়ে অনেকেই ভাবনায় পড়ে গেছে। কেননা এ নদী থেকে সাগর অনেক দুরে আর জোয়ার ভাটা খুব কম সময়ে হয়ে যায়। যেখানে দক্ষিনাঞ্চল থেকে পানি আসা খুবই কষ্টকর। স্থানীয়রা জানান, এই প্রথম বিষখালির নদীর পানিতে লবন দেখা দিয়েছে।

তবে কতটা মঙ্গল বা অমঙ্গল বয়ে এনেছে তা সবারই অজানা। কারণ বিষখালি নদী থেকে সাগর অনেক দূরে। এত বছরে নোনা পানি আসেনি। কিন্তু হঠাৎ করেই লবন দেখা দিল পানিতে যা ভাববার বিষয়। এ পানি বেশিদিন স্থায়ী হবে কিনা তা নিয়েও সংসয় তৈরি হয়েছে।

এদিকে পানিতে বেশি পরিমান লবন দেখা দিলে মানুষের জীবনযাপনে অসুবিধা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। বিষখালিন নদী তীরের বাসিন্দা মাওলানা আল-আমীন জানান, আমি মানুষের কাছ থেকে শুনে নিজেই নদীর পানি পান করে দেখি পানি লবনাক্ত, হঠাৎ কেনো পানি লবনাক্ত একমাত্র আল্লাহ ভালো জানেন।

নদীরপাড়ের বাসিন্দা রুবেল ফকির বলেন, আমরা এর আগে নদীতে গোসল করতাম হঠাৎ লবনাক্ত হওয়ায় গোসল করলে শরীর কেমন জানি লাগে।

এছাড়াও এলাকার মুরব্বিরা জানান, নদীতে পানি লবনাক্ত হওয়ায় কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, জোয়ারে সমূদ্রের লবনাক্ত পানি প্রবেশ করতে পারে, তবে এ পানি আবার চলে গেলে ফসলের কোন সমস্যা হবে না।

ট্যাগস :

ঝালকাঠিতে হঠাৎ করে লবনাক্ত সুগন্ধা-বিষখালির মিঠা পানি

আপডেট সময় : ১১:৩৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১

আমির হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ঝালকাঠির উপর দিয়ে বয়ে গেছে সুগন্ধা ও বিষখালি নদী। হঠাৎ করে লবনাক্ত হয়ে গেছে এ নদীর পানি। গত ৩০ মার্চ থেকে পূর্নিমার জোয়ারের পানি আসার পর থেকেই পানি লবনাক্ত অনুভব করেন বিষখালি তীরবর্তী মানুষ। হঠাৎ করে নদীর পানি লবন হওয়ার বিষয়টি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে ফসল হানির শঙ্কায় কৃষকরা। কিন্তু কিভাবে পানি লবন হলো তা নিয়ে অনেকেই ভাবনায় পড়ে গেছে। কেননা এ নদী থেকে সাগর অনেক দুরে আর জোয়ার ভাটা খুব কম সময়ে হয়ে যায়। যেখানে দক্ষিনাঞ্চল থেকে পানি আসা খুবই কষ্টকর। স্থানীয়রা জানান, এই প্রথম বিষখালির নদীর পানিতে লবন দেখা দিয়েছে।

তবে কতটা মঙ্গল বা অমঙ্গল বয়ে এনেছে তা সবারই অজানা। কারণ বিষখালি নদী থেকে সাগর অনেক দূরে। এত বছরে নোনা পানি আসেনি। কিন্তু হঠাৎ করেই লবন দেখা দিল পানিতে যা ভাববার বিষয়। এ পানি বেশিদিন স্থায়ী হবে কিনা তা নিয়েও সংসয় তৈরি হয়েছে।

এদিকে পানিতে বেশি পরিমান লবন দেখা দিলে মানুষের জীবনযাপনে অসুবিধা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। বিষখালিন নদী তীরের বাসিন্দা মাওলানা আল-আমীন জানান, আমি মানুষের কাছ থেকে শুনে নিজেই নদীর পানি পান করে দেখি পানি লবনাক্ত, হঠাৎ কেনো পানি লবনাক্ত একমাত্র আল্লাহ ভালো জানেন।

নদীরপাড়ের বাসিন্দা রুবেল ফকির বলেন, আমরা এর আগে নদীতে গোসল করতাম হঠাৎ লবনাক্ত হওয়ায় গোসল করলে শরীর কেমন জানি লাগে।

এছাড়াও এলাকার মুরব্বিরা জানান, নদীতে পানি লবনাক্ত হওয়ায় কৃষির জন্য মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, জোয়ারে সমূদ্রের লবনাক্ত পানি প্রবেশ করতে পারে, তবে এ পানি আবার চলে গেলে ফসলের কোন সমস্যা হবে না।