ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত: মীমাংসায় বিএনপি নেতা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৪:২০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০০০ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত: মীমাংসায় বিএনপি নেতা

আস্থা ডেস্কঃ

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আটককৃদের মধ্যে এবাদুল্লাহ জামায়াতের কর্মী। মীমাংসায় জড়িত ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী।

নয় জন আসামীর মাঝে এপর্যন্ত পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ, তার মধ্যে ৪ জন সরাসরি অপরাধে জড়িত। ভুক্তভোগী পরিবার এখনও হুমকির মধ্যে রয়েছে।

এলাকাবাসীরা জানান, ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ নুরা। তার সহযোগী ছিল ৩ জন। এর মধ্য এবাদুল্লাহ জামায়াতের কর্মী। এবারের সংসদ নির্বাচনে এবাদুল্লাহ সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

ভুক্তভোগী পরিবারটির অভিযোগ, ধর্ষণের ১৫ দিন পর্যন্ত মামলা করতে দেয়নি স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। মামলা করতে চাইলে মীমাংসার নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়, যাতে আলামত নষ্ট হয়। সালিসে তাদের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় ৮ হাজার টাকা সালিস কমিটি ও পুলিশকে দেয় আসামিরা।

প্রতিদিনই হত্যার হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবারটির। সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা না হওয়ায় বিপদে আছেন বলে জানান তারা।

এদিকে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীকে কেন আসামি করা হলো, সে কারণে বাদির বাড়ি ঘেরাও করে তার স্বজনেরা। তাদের দাবি, এলাকার সম্মানের কথা চিন্তা করে মীমাংসা করেছেন মোহাম্মদ আলী।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, আসামিরা জবানবন্দিতে সালিসে মীমাংসার ভিত্তিতে টাকা দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। নির্বাচনের কারণে ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করার সময় পায়নি বলে জানান তিনি।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ্ আল ফারুক জানান, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হত্যা ও ধর্ষণে ৪ জন জড়িত।

ট্যাগস :

ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত: মীমাংসায় বিএনপি নেতা

আপডেট সময় : ০৪:২০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত: মীমাংসায় বিএনপি নেতা

আস্থা ডেস্কঃ

নরসিংদীর মাধবদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আটককৃদের মধ্যে এবাদুল্লাহ জামায়াতের কর্মী। মীমাংসায় জড়িত ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী।

নয় জন আসামীর মাঝে এপর্যন্ত পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ, তার মধ্যে ৪ জন সরাসরি অপরাধে জড়িত। ভুক্তভোগী পরিবার এখনও হুমকির মধ্যে রয়েছে।

এলাকাবাসীরা জানান, ধর্ষণ ও হত্যার প্রধান অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ নুরা। তার সহযোগী ছিল ৩ জন। এর মধ্য এবাদুল্লাহ জামায়াতের কর্মী। এবারের সংসদ নির্বাচনে এবাদুল্লাহ সক্রিয়ভাবে কাজ করে।

ভুক্তভোগী পরিবারটির অভিযোগ, ধর্ষণের ১৫ দিন পর্যন্ত মামলা করতে দেয়নি স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। মামলা করতে চাইলে মীমাংসার নামে সময়ক্ষেপণ করা হয়, যাতে আলামত নষ্ট হয়। সালিসে তাদের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এ সময় ৮ হাজার টাকা সালিস কমিটি ও পুলিশকে দেয় আসামিরা।

প্রতিদিনই হত্যার হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবারটির। সেখানকার স্থায়ী বাসিন্দা না হওয়ায় বিপদে আছেন বলে জানান তারা।

এদিকে ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলীকে কেন আসামি করা হলো, সে কারণে বাদির বাড়ি ঘেরাও করে তার স্বজনেরা। তাদের দাবি, এলাকার সম্মানের কথা চিন্তা করে মীমাংসা করেছেন মোহাম্মদ আলী।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, আসামিরা জবানবন্দিতে সালিসে মীমাংসার ভিত্তিতে টাকা দিয়েছে বলে স্বীকার করেছে। নির্বাচনের কারণে ধর্ষণের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করার সময় পায়নি বলে জানান তিনি।

নরসিংদীর পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ্ আল ফারুক জানান, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় সবমিলিয়ে এ পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে সরাসরি হত্যা ও ধর্ষণে ৪ জন জড়িত।