ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

নিষেধাজ্ঞায়ও থেমে নেই ইলিশ শিকার, পানির দামে বড় ইলিশ

News Editor
  • আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০
  • / ১১১৬ বার পড়া হয়েছে

মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশে চলছে ইলিশ শিকার-পরিবহন-বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা। অথচ এ নিষাধাজ্ঞার তোয়াক্কাই করছে না বরিশালের বাবুগঞ্জের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। নদীর পাড়েই পানির দামে বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় ইলিশ। মাছ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে ক্রেতারাও।

সরেজমিনে সুগন্ধা, সন্ধ্যা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে দেখা গেছে, এক কেজি ওজনের পাঁচটি ইলিশ মাত্র দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আবার ছোট সাইজের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৬০০ টাকায়। বেশি মুনাফার আশায় এক শ্রেণির অসাধু জেলে নদীতে মাছ শিকার করছে। মাছ কিনতে নদীর পারে ব্যাগ ও বস্তা নিয়ে ক্রেতাদের আনাগোনা চলছে। নদীর পার থেকেই মাছ কিনে বস্তা বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছে তারা।

শেখ হাসিনার গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা সফল হয়েছে

জানা গেছে, সুগন্ধা নদী সংলগ্ন উত্তর দেহেরগতি ও দক্ষিণ দেহেরগতি, বাহেরচর বাজার, সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর ও কেদারপুর ইউপির ভাঙ্গার মুখ, রমজানকাঠী, শিলন্দিয়া, মোল্লারহাট বাজার, ছানিকেদারপুর, স্টিমারঘাট, পূর্ব কেদারপুর, পশ্চিম ভূতেরদিয়া, আড়িয়াল খাঁ নদী সংলগ্ন রহমতপুর ও চাঁদপাশা ইউপির রাজগুরু, নয়াচর, সিংহেরকাঠী, নোমর হাট, ছোট মিরগঞ্জ, রফিয়াদি এলাকার সব স্পটে অবাধে চলছে মা ইলিশ নিধন।

এসব স্পটে জেলেরা রাতের আঁধারে মা ইলিশ শিকার করে অনেক কম দামে গোপনে বিক্রি করে। ত্রেতারা গোপনে মাছ কিনে ফ্রিজে রাখছেন। এমনকি বিভিন্ন আড়তদারের কাছে বিক্রিও করছেন। এক কেজি সাইজের ইলিশের হালি ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশ হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়।

বাবুগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সায়েদুজ্জামান বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা তিনটি নদী দ্বারা বেষ্টিত থাকায় একদিকে অভিযান চালালে অন্য প্রান্তে জেলেরা নদীতে জাল ফেলছে। অভিযানের সময় অসাধু জেলেরা নদীর পাড়ে পাহারা বসিয়ে রাখে। আমরা অভিযানে যাওয়ার আগে মোবাইলে তাদের কাছে খবর পৌঁছে যায়। এ কারণে অসাধু জেলেদের ধরা যাচ্ছে না।

নিষেধাজ্ঞায়ও থেমে নেই ইলিশ শিকার, পানির দামে বড় ইলিশ

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০

মা ইলিশ রক্ষায় সারাদেশে চলছে ইলিশ শিকার-পরিবহন-বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা। অথচ এ নিষাধাজ্ঞার তোয়াক্কাই করছে না বরিশালের বাবুগঞ্জের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। নদীর পাড়েই পানির দামে বিক্রি হচ্ছে ছোট-বড় ইলিশ। মাছ কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে ক্রেতারাও।

সরেজমিনে সুগন্ধা, সন্ধ্যা ও আড়িয়াল খাঁ নদীর পাড়ে দেখা গেছে, এক কেজি ওজনের পাঁচটি ইলিশ মাত্র দুই হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আবার ছোট সাইজের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৬০০ টাকায়। বেশি মুনাফার আশায় এক শ্রেণির অসাধু জেলে নদীতে মাছ শিকার করছে। মাছ কিনতে নদীর পারে ব্যাগ ও বস্তা নিয়ে ক্রেতাদের আনাগোনা চলছে। নদীর পার থেকেই মাছ কিনে বস্তা বোঝাই করে নিয়ে যাচ্ছে তারা।

শেখ হাসিনার গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করার পরিকল্পনা সফল হয়েছে

জানা গেছে, সুগন্ধা নদী সংলগ্ন উত্তর দেহেরগতি ও দক্ষিণ দেহেরগতি, বাহেরচর বাজার, সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর ও কেদারপুর ইউপির ভাঙ্গার মুখ, রমজানকাঠী, শিলন্দিয়া, মোল্লারহাট বাজার, ছানিকেদারপুর, স্টিমারঘাট, পূর্ব কেদারপুর, পশ্চিম ভূতেরদিয়া, আড়িয়াল খাঁ নদী সংলগ্ন রহমতপুর ও চাঁদপাশা ইউপির রাজগুরু, নয়াচর, সিংহেরকাঠী, নোমর হাট, ছোট মিরগঞ্জ, রফিয়াদি এলাকার সব স্পটে অবাধে চলছে মা ইলিশ নিধন।

এসব স্পটে জেলেরা রাতের আঁধারে মা ইলিশ শিকার করে অনেক কম দামে গোপনে বিক্রি করে। ত্রেতারা গোপনে মাছ কিনে ফ্রিজে রাখছেন। এমনকি বিভিন্ন আড়তদারের কাছে বিক্রিও করছেন। এক কেজি সাইজের ইলিশের হালি ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০-৮০০ গ্রামের ইলিশ হালি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়।

বাবুগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সায়েদুজ্জামান বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলা তিনটি নদী দ্বারা বেষ্টিত থাকায় একদিকে অভিযান চালালে অন্য প্রান্তে জেলেরা নদীতে জাল ফেলছে। অভিযানের সময় অসাধু জেলেরা নদীর পাড়ে পাহারা বসিয়ে রাখে। আমরা অভিযানে যাওয়ার আগে মোবাইলে তাদের কাছে খবর পৌঁছে যায়। এ কারণে অসাধু জেলেদের ধরা যাচ্ছে না।