ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে কৃষক

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১১৭ বার পড়া হয়েছে

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষক বিপাকে পড়েছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষ করে তা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করতে পেরে তারা দিশাহারা।

রোববার উপজেলার ধীপুর ইউনিয়নের কৃষক জসিম শেখ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে পাট রোপণ করি। এবার দেরিতে বর্ষার পানি আশায় এ অঞ্চলের পাট লম্বা ও মোটা হয়েছে। প্রতি মণ পাট রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা করে তা কাটা, ধোয়া ও শুকানো বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়।

তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১৬ থেকে ১৮০০ টাকা দরে। মণপ্রতি তিন থেকে চারশ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

তবে পাটখড়ির মাধ্যমে চালান উঠলেও তেমন লাভ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ উপজেলায় ৭৩৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে দেড় টন করে পাট উৎপাদন হয়েছে। তবে দাম না থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ট্যাগস :

পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় বিপাকে কৃষক

আপডেট সময় : ০১:১৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় পাটের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষক বিপাকে পড়েছে। বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন নিয়ে চাষ করে তা ন্যায্যমূল্যে বিক্রি না করতে পেরে তারা দিশাহারা।

রোববার উপজেলার ধীপুর ইউনিয়নের কৃষক জসিম শেখ বলেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে পাট রোপণ করি। এবার দেরিতে বর্ষার পানি আশায় এ অঞ্চলের পাট লম্বা ও মোটা হয়েছে। প্রতি মণ পাট রোপণ থেকে শুরু করে পরিচর্যা করে তা কাটা, ধোয়া ও শুকানো বাবদ প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়।

তা বাজারে বিক্রি হচ্ছে মণপ্রতি ১৬ থেকে ১৮০০ টাকা দরে। মণপ্রতি তিন থেকে চারশ টাকা লোকশান গুনতে হচ্ছে।

তবে পাটখড়ির মাধ্যমে চালান উঠলেও তেমন লাভ হচ্ছে না।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ উপজেলায় ৭৩৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে দেড় টন করে পাট উৎপাদন হয়েছে। তবে দাম না থাকায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।