ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে চান ইইউ প্রতিনিধিরা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৫৩ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে চান ইইউ প্রতিনিধিরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন এক্সপ্লোরেটরি মিশন প্রতিনিধিদল। বৈঠকে ইইউয়ের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলটি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিদর্শনের কথা জানিয়েছে। সেখানকার প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানিয়েছে।
আজ সোমবার (১০জুলাই) সকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আজকের আমিনুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বৈঠকের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠক শেষে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আমিনুল ইসলাম বলেন, ইইউ এর ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল এবার পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যেতে চায়। সেখানকার প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে। সে ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েছে তারা।

অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিনিধিরা সেখানে গেলে প্রশাসনিক সব ধরনের সহায়তা দেবে মন্ত্রণালয়। নির্বাচনের আগে ছয় সপ্তাহের জন্য তারা পার্বত্য জেলার তিন জেলায় যাওয়ার ব্যাপারে জানিয়েছে। নির্বাচনের আগে তিন জেলায় যাওয়ার ব্যাপারে দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, সেখানে (পার্বত্য চট্টগ্রামে) গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলতে চান। আমরা বলেছি, এটা যেহেতু নির্বাচনকেন্দ্রিক, তাই এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দেবে। তবে কূটনীতিকদের সেখানে অবস্থান, নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ ও নির্বাচনপূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইইউর নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যানুসন্ধানী দলটি গত শনিবার ১৬ দিনের সফরে ঢাকায় আসে। প্রতিনিধিদলটির মূল কাজ হবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের কর্মপরিধি, পরিকল্পনা, বাজেট, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করা।

পর্যবেক্ষক দলটি গতকাল রোববার তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এদিন ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলটি ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিক ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সঙ্গে আলাদা একাধিক বৈঠক করে।

ট্যাগস :

পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে চান ইইউ প্রতিনিধিরা

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ জুলাই ২০২৩

পার্বত্য চট্টগ্রামে যেতে চান ইইউ প্রতিনিধিরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন এক্সপ্লোরেটরি মিশন প্রতিনিধিদল। বৈঠকে ইইউয়ের ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলটি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা পরিদর্শনের কথা জানিয়েছে। সেখানকার প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে বলে জানিয়েছে।
আজ সোমবার (১০জুলাই) সকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আজকের আমিনুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বৈঠকের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠক শেষে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব আমিনুল ইসলাম বলেন, ইইউ এর ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল এবার পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় যেতে চায়। সেখানকার প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করবে। সে ব্যাপারে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চেয়েছে তারা।

অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, প্রতিনিধিরা সেখানে গেলে প্রশাসনিক সব ধরনের সহায়তা দেবে মন্ত্রণালয়। নির্বাচনের আগে ছয় সপ্তাহের জন্য তারা পার্বত্য জেলার তিন জেলায় যাওয়ার ব্যাপারে জানিয়েছে। নির্বাচনের আগে তিন জেলায় যাওয়ার ব্যাপারে দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, সেখানে (পার্বত্য চট্টগ্রামে) গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে তাঁরা কথা বলতে চান। আমরা বলেছি, এটা যেহেতু নির্বাচনকেন্দ্রিক, তাই এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দেবে। তবে কূটনীতিকদের সেখানে অবস্থান, নিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের পরিবেশ ও নির্বাচনপূর্ব রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ইইউর নির্বাচনসংক্রান্ত তথ্যানুসন্ধানী দলটি গত শনিবার ১৬ দিনের সফরে ঢাকায় আসে। প্রতিনিধিদলটির মূল কাজ হবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের কর্মপরিধি, পরিকল্পনা, বাজেট, নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয় মূল্যায়ন করা।

পর্যবেক্ষক দলটি গতকাল রোববার তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এদিন ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদলটি ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের কূটনীতিক ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর সঙ্গে আলাদা একাধিক বৈঠক করে।