ঢাকা ১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ঢাকায় পাকিস্তান দিবস উদযাপন Logo তিন দেশের মধ্যস্ততায় কমছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা Logo স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জামায়াতের কর্মসূচি ঘোষণা Logo বাড়ি ভাঙচুর লুটপাট, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে বিএনপি Logo ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের পর ইরান জুড়ে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক হামলা Logo নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাড়ি Logo বড় হুমকির মুখে বৈশ্বিক অর্থনীতি: আইইএর প্রধান Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করবে সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী Logo তারেক–মোদির ঈদ শুভেচ্ছা, পূর্বের বন্ধুত্বের সেতুবন্ধনে বাংলাদেশ Logo সামনে বাড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম: মির্জা ফখরুল

পিস্তল নিয়ে ধস্তাধস্তি, জাপা নেতার সংবাদ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১০৭৪ বার পড়া হয়েছে

পিস্তল নিয়ে ধস্তাধস্তি, জাপা নেতার সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলার আহবায়ক সিটি কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন এর উপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় বরিশাল প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলার হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ.কে.এম মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে বলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর পরপর ৫বার নির্বাচিত কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন। তার ওপর গতকাল রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শ্রমিকলীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না ও তার সহগযোগীরা পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে মুরতজা আবেদীনের লাইসেন্স করা পিস্তল ছিনতাই করতে অপপ্রয়াস চালায় যা ভিডিওতে পরিস্কার। মুরতজা আবেদীনের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা করার পরও মান্না মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রশাসন সহ বরিশাল বাসীকে বিভ্রান্ত করেছে। যা মুরতজা ভাইয়ের নিজের করা ভিডিওতে দেখা গেছে।

মান্নাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার সময় মুরতজা আবেদীন বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড সেটেলমেন্ট অফিস থেকে অফিসিয়াল কাজ শেষে রাস্তায় বের হলেই পরিকল্পিত ভাবে মান্না তার বাহিনী নিয়ে রাস্তার উপর প্রকাশ্য দিবালকে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে। পরবর্তীতে অতর্কিত হামলা চালায় পেছন থেকে গলা জাপটে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যাচেষ্টা চালায়। সেইসাথে মুরতজা ভাইয়ের বৈধ লাইসেন্সকৃত পিস্তল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে রইজ আহম্মেদ মান্না সহ তার ২০/২৫ জন সহযোগী। অস্ত্র ছিনিয়ে নিতে না পেরে সন্ত্রাসী মান্না ও তার সহযোগীরা মুরতজা ভাইয়ের অস্ত্র ধরে রেখে গুলির নাটক সাজায় এবং পুলিশকে ফোন করে থানায় সোপর্দ করে।

তিনি বলেন, ওই ঘটনায় অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন ভাইয়ের মোবাইলসহ পোর্ট রোডের সিসিটিভি ফুটেজ থেকেই প্রকৃত ঘটনা পাওয়া যাবে। গতকালকের ঘটনায় বরিশাল সহ পুরো দেশবাসী এরইমধ্যে সত্য টা জানতে পেরেছে। কিন্তু অপরাধীরা এখনও বুক ফুলিয়ে চলছে শহরে, এদেরকে প্রতিহত করতে না পারলে আজকে মুরতজা ভাইয়ের মত আগামীতে আপনি, বা আমরা হব তাদের শিকার, তাই আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।

এ বিষয়ে শ্রমিকলীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না বলেন, মুরতজা আবেদীন মিথ্যা কথা বলছে, আমি অস্ত্র ছিনিয়ে নেতে যাইনি, সে অস্ত্রের টিগারে হাতের আঙ্গুল দেয়া ছিলো যা ছবিতে স্পষ্ট। যদি তার অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার পরিস্থিতি হতো তাহলে আমি বলতাম না অস্ত্রটা পুলিশের হাতে দে। যা ওখানে শত শত লোকের মাঝে বলেছি এবং ভিডিওতেও প্রমাণ রয়েছে।

তিনি বলেন, সে প্রথমে ধীরে বলছে বাইচা আছো এরপর জোরে বলছে কেমন আছো। আমি জিজ্ঞাসাও করছি কারে বলছো, কারণ তার সাথে আমার কথা হয়না। আর এসব ভিডিওতে আছে।

মুরতজা তাকে উত্তেজিত করেছে জানিয়ে মান্না বলেন, অস্ত্র ছিনতাইয়ের চিন্তা থাকলে আমি সেটি আগেই নিতে পারতাম। আমার কথা হলো অস্ত্র বের করছে সে, সবকিছু আগেই করছে সে, অপরাধ করছে সে আর শাস্তি হবে আমার।

ট্যাগস :

পিস্তল নিয়ে ধস্তাধস্তি, জাপা নেতার সংবাদ

আপডেট সময় : ১০:২৬:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩

পিস্তল নিয়ে ধস্তাধস্তি, জাপা নেতার সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলার আহবায়ক সিটি কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন এর উপর হামলার প্রতিবাদে সাংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় বরিশাল প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলার হলরুমে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এ.কে.এম মোস্তফা লিখিত বক্তব্যে বলেন, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক বরিশাল সিটি কর্পোরেশন এর পরপর ৫বার নির্বাচিত কাউন্সিলর অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন। তার ওপর গতকাল রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শ্রমিকলীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না ও তার সহগযোগীরা পূর্বপরিকল্পিত হামলা চালায়। হামলার এক পর্যায়ে মুরতজা আবেদীনের লাইসেন্স করা পিস্তল ছিনতাই করতে অপপ্রয়াস চালায় যা ভিডিওতে পরিস্কার। মুরতজা আবেদীনের ওপর পূর্বপরিকল্পিত হামলা করার পরও মান্না মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে প্রশাসন সহ বরিশাল বাসীকে বিভ্রান্ত করেছে। যা মুরতজা ভাইয়ের নিজের করা ভিডিওতে দেখা গেছে।

মান্নাকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ঘটনার সময় মুরতজা আবেদীন বরিশাল নগরীর পোর্ট রোড সেটেলমেন্ট অফিস থেকে অফিসিয়াল কাজ শেষে রাস্তায় বের হলেই পরিকল্পিত ভাবে মান্না তার বাহিনী নিয়ে রাস্তার উপর প্রকাশ্য দিবালকে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে। পরবর্তীতে অতর্কিত হামলা চালায় পেছন থেকে গলা জাপটে ধরে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যাচেষ্টা চালায়। সেইসাথে মুরতজা ভাইয়ের বৈধ লাইসেন্সকৃত পিস্তল ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে রইজ আহম্মেদ মান্না সহ তার ২০/২৫ জন সহযোগী। অস্ত্র ছিনিয়ে নিতে না পেরে সন্ত্রাসী মান্না ও তার সহযোগীরা মুরতজা ভাইয়ের অস্ত্র ধরে রেখে গুলির নাটক সাজায় এবং পুলিশকে ফোন করে থানায় সোপর্দ করে।

তিনি বলেন, ওই ঘটনায় অ্যাডভোকেট এ কে এম মুরতজা আবেদীন ভাইয়ের মোবাইলসহ পোর্ট রোডের সিসিটিভি ফুটেজ থেকেই প্রকৃত ঘটনা পাওয়া যাবে। গতকালকের ঘটনায় বরিশাল সহ পুরো দেশবাসী এরইমধ্যে সত্য টা জানতে পেরেছে। কিন্তু অপরাধীরা এখনও বুক ফুলিয়ে চলছে শহরে, এদেরকে প্রতিহত করতে না পারলে আজকে মুরতজা ভাইয়ের মত আগামীতে আপনি, বা আমরা হব তাদের শিকার, তাই আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে।

এ বিষয়ে শ্রমিকলীগ বরিশাল মহানগরের সাধারণ সম্পাদক রইজ আহম্মেদ মান্না বলেন, মুরতজা আবেদীন মিথ্যা কথা বলছে, আমি অস্ত্র ছিনিয়ে নেতে যাইনি, সে অস্ত্রের টিগারে হাতের আঙ্গুল দেয়া ছিলো যা ছবিতে স্পষ্ট। যদি তার অস্ত্র ছিনিয়ে নেয়ার পরিস্থিতি হতো তাহলে আমি বলতাম না অস্ত্রটা পুলিশের হাতে দে। যা ওখানে শত শত লোকের মাঝে বলেছি এবং ভিডিওতেও প্রমাণ রয়েছে।

তিনি বলেন, সে প্রথমে ধীরে বলছে বাইচা আছো এরপর জোরে বলছে কেমন আছো। আমি জিজ্ঞাসাও করছি কারে বলছো, কারণ তার সাথে আমার কথা হয়না। আর এসব ভিডিওতে আছে।

মুরতজা তাকে উত্তেজিত করেছে জানিয়ে মান্না বলেন, অস্ত্র ছিনতাইয়ের চিন্তা থাকলে আমি সেটি আগেই নিতে পারতাম। আমার কথা হলো অস্ত্র বের করছে সে, সবকিছু আগেই করছে সে, অপরাধ করছে সে আর শাস্তি হবে আমার।