ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo নির্বাচনী ব্যস্ততায় প্রশাসনিক গতি কমেছে, মাঠে ও সচিবালয়ে ঢিলেমি Logo কেন্দ্র দখলের চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo যা থাকবে জামায়েতের নির্বাচনী ইশতেহারে Logo যা থাকবে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে Logo গণভোটে রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতা ও জনগণের সার্বভৌম অধিকার: সংবিধান, সরকার এবং হ্যাঁ/না ভোটের প্রশ্ন Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩
  • / ১০৬১ বার পড়া হয়েছে

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে প্রথম এই সেবা নিয়েছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

আনসার বাহিনীর বিশেষায়িত ব্যাটালিয়ন এজিবির ১৬ সদস্যের একটি দল (ইউনিট) মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তায় রোববার থেকে কাজ শুরু করেছে।

আনসার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষিত করেই মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্য দেশগুলোর দূতাবাস থেকেও আনসার সদস্যদের চেয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে, অর্থের বিনিময়ে সব দূতাবাসই আনসারের নিরাপত্তা সেবা নিতে পারবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন জানায়, বিদেশি দূতাবাস, সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনগুলো নির্ধারিত পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে আনসার বাহিনীর মাধ্যমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা (এসকর্ট) নিতে পারবে। এ-সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করে দূতাবাসগুলোকে জানিয়েছে সরকার।কোনো দূতাবাস যদি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য প্রশিক্ষিত একজন আনসার সদস্যকে নিতে চায়, তাহলে মাসে ৩শ মার্কিন ডলার বা ৩৩ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

আনসার সূত্র জানায়, নিরাপত্তার জন্য নিয়োগের আগে মার্কিন দূতাবাস এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ১১ অক্টোবর মার্কিন দূতাবাসের পক্ষে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ডাস্টিন ডং ও আনসারের পরিচালক (অপারেশনস) সৈয়দ ইফতেহার আলী সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে অনেকটা আকস্মিকভাবে বিদেশি কূটনীতিকদের ট্রাফিক মুভমেন্টে (রাস্তায় চলাচল) সহায়তার জন্য বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা (এসকর্ট) প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। ভিয়েনা সনদ অনুসারে যেকোনো স্বাগতিক দেশ সব কূটনৈতিক মিশন এবং তাদের কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে।

ট্যাগস :

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৩

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিদেশি কূটনীতিকদের নিরাপত্তায় আনসার সদস্যদের নিয়োগ শুরু হয়েছে। অর্থের বিনিময়ে প্রথম এই সেবা নিয়েছে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।

আনসার বাহিনীর বিশেষায়িত ব্যাটালিয়ন এজিবির ১৬ সদস্যের একটি দল (ইউনিট) মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের নিরাপত্তায় রোববার থেকে কাজ শুরু করেছে।

আনসার নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষিত করেই মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নিরাপত্তার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্য দেশগুলোর দূতাবাস থেকেও আনসার সদস্যদের চেয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে, অর্থের বিনিময়ে সব দূতাবাসই আনসারের নিরাপত্তা সেবা নিতে পারবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তখন জানায়, বিদেশি দূতাবাস, সংস্থা ও কূটনৈতিক মিশনগুলো নির্ধারিত পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে আনসার বাহিনীর মাধ্যমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা (এসকর্ট) নিতে পারবে। এ-সংক্রান্ত নীতিমালা চূড়ান্ত করে দূতাবাসগুলোকে জানিয়েছে সরকার।কোনো দূতাবাস যদি অতিরিক্ত নিরাপত্তার জন্য প্রশিক্ষিত একজন আনসার সদস্যকে নিতে চায়, তাহলে মাসে ৩শ মার্কিন ডলার বা ৩৩ হাজার টাকা খরচ করতে হবে।

আনসার সূত্র জানায়, নিরাপত্তার জন্য নিয়োগের আগে মার্কিন দূতাবাস এবং আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। ১১ অক্টোবর মার্কিন দূতাবাসের পক্ষে আঞ্চলিক নিরাপত্তা কর্মকর্তা ডাস্টিন ডং ও আনসারের পরিচালক (অপারেশনস) সৈয়দ ইফতেহার আলী সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

প্রসঙ্গত, গত ১৫ মে অনেকটা আকস্মিকভাবে বিদেশি কূটনীতিকদের ট্রাফিক মুভমেন্টে (রাস্তায় চলাচল) সহায়তার জন্য বাড়তি পুলিশি নিরাপত্তা (এসকর্ট) প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। ভিয়েনা সনদ অনুসারে যেকোনো স্বাগতিক দেশ সব কূটনৈতিক মিশন এবং তাদের কর্মীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাধ্য থাকবে।