ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে একমঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ১০ প্রার্থী Logo পানছড়িতে ধানের শীষের সমর্থনে শ্রমিক দলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo শেরপুরে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষে নিহত-১, আহত অন্তত-৪ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামীর বাংলাদেশের দিকনির্দেশনা নির্ধারণ-এয়াকুব আলী Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার

ভারপ্রাপ্তে ভারী নোবিপ্রবির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৫৩ বার পড়া হয়েছে

ভারপ্রাপ্তে ভারী নোবিপ্রবির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো

 

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

কোনো ভাবেই অতিরিক্ত দায়িত্ব ও ভারপ্রাপ্তের ভার থেকে মুক্ত হতে পারছেনা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) প্রশাসন। নোবিপ্রবির প্রথম সারির অধিকাংশ পদই চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের দিয়ে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ‘হৃৎপিণ্ড’ হিসেবে ধরা হয় রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে। কারণ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সব কর্মকাণ্ড চলে এই দপ্তরকে ঘিরেই। নোবিপ্রবিতে এ দপ্তরটি প্রায় তিন বছর ধরে চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান দিয়ে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ‘উপাচার্য’ পদটিও চলছে এখন ভারপ্রাপ্তের ভারে।

খোজ নিয়ে জানা যায়, উপাচার্য, রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে প্রক্টর,জনসংযোগ পরিচালক, হিসাব পরিচালক (অর্থ), রিসার্চ সেলের পরিচালক, সাইবার সেন্টার পরিচালক, শরীরচর্চা বিভাগের পরিচালক ও চিফ মেডিকেল অফিসারসহ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদ সবই চলছে অতিরিক্ত আর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বের মাধ্যমে।

 

যতদিন না গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের পদগুলো স্থায়ী করা হবে, ততদিন ওই সব শাখার কার্যক্রম গতিশীলতা বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্টরা।এছাড়াও দীর্ঘদিন যাবৎ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলায় ওইসব বিভাগগুলোর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, একই ব্যক্তি একই সময়ে দু-তিনটি পদের দায়িত্ব নিয়ে থাকায় দপ্তর গুলোতে পর্যাপ্ত সময় দেয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে স্থবিরতা চলে আসে দপ্তরগুলোতে।

 

সুত্র জানায়, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত নোবিপ্রবির বর্তমান উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী উপাচার্যের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। এদিকে গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রার পদটি কখনো অতিরিক্ত, আবার কখনো ভারপ্রাপ্ত দিয়েই চলছে। বর্তমানে এই পদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পালন করছেন। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন ড. আলমগীর সরকার।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা প্রক্টর পদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারীঅধ্যাপক ইকবাল হোসেন সুমন । পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদটিতে যোগ্য লোক না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিজেই।

 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন প্রকৌশলী জামাল হোসাইন। বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্বে আছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক মো.রুবেল মিয়া।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকির সাথে সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

ট্যাগস :

ভারপ্রাপ্তে ভারী নোবিপ্রবির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো

আপডেট সময় : ১০:৫৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জুলাই ২০২৩

ভারপ্রাপ্তে ভারী নোবিপ্রবির গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো

 

নোবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

কোনো ভাবেই অতিরিক্ত দায়িত্ব ও ভারপ্রাপ্তের ভার থেকে মুক্ত হতে পারছেনা নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) প্রশাসন। নোবিপ্রবির প্রথম সারির অধিকাংশ পদই চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের দিয়ে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমের ‘হৃৎপিণ্ড’ হিসেবে ধরা হয় রেজিস্ট্রার কার্যালয়কে। কারণ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সব কর্মকাণ্ড চলে এই দপ্তরকে ঘিরেই। নোবিপ্রবিতে এ দপ্তরটি প্রায় তিন বছর ধরে চলছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান দিয়ে।বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক প্রধান ‘উপাচার্য’ পদটিও চলছে এখন ভারপ্রাপ্তের ভারে।

খোজ নিয়ে জানা যায়, উপাচার্য, রেজিস্ট্রার থেকে শুরু করে প্রক্টর,জনসংযোগ পরিচালক, হিসাব পরিচালক (অর্থ), রিসার্চ সেলের পরিচালক, সাইবার সেন্টার পরিচালক, শরীরচর্চা বিভাগের পরিচালক ও চিফ মেডিকেল অফিসারসহ অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পদ সবই চলছে অতিরিক্ত আর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বের মাধ্যমে।

 

যতদিন না গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের পদগুলো স্থায়ী করা হবে, ততদিন ওই সব শাখার কার্যক্রম গতিশীলতা বৃদ্ধি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংশ্লিষ্টরা।এছাড়াও দীর্ঘদিন যাবৎ গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো ভারপ্রাপ্ত দিয়ে চলায় ওইসব বিভাগগুলোর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে অভিযোগ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।

 

সংশ্লিষ্টদের দাবি, একই ব্যক্তি একই সময়ে দু-তিনটি পদের দায়িত্ব নিয়ে থাকায় দপ্তর গুলোতে পর্যাপ্ত সময় দেয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না। ফলে স্থবিরতা চলে আসে দপ্তরগুলোতে।

 

সুত্র জানায়, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত নোবিপ্রবির বর্তমান উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকী উপাচার্যের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করে যাবেন। এদিকে গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে রেজিস্ট্রার পদটি কখনো অতিরিক্ত, আবার কখনো ভারপ্রাপ্ত দিয়েই চলছে। বর্তমানে এই পদটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. নেওয়াজ মোহাম্মদ বাহাদুর অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পালন করছেন। তার অবর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের দায়িত্ব পালন করেন ড. আলমগীর সরকার।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা প্রক্টর পদের ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে রয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের সহকারীঅধ্যাপক ইকবাল হোসেন সুমন । পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পদটিতে যোগ্য লোক না পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিজেই।

 

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা উন্নয়ন দপ্তরের পরিচালক পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন প্রকৌশলী জামাল হোসাইন। বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারের গ্রন্থাগারিক হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। শরীরচর্চা শিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্বে আছেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক মো.রুবেল মিয়া।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকির সাথে সার্বিক বিষয়ে কথা বলতে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।