ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে থামার আহ্বান

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১
  • / ১০৫৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মিয়ানমারে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দেশটির সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। একই সঙ্গে অং সান সুচি-সহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি চাওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পরিষদ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় অপ্রত্যাশিত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে সেনাবাহিনী।’

মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শরণার বার্গনার ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সঙ্গে তার আলোচনা নানা জটিলতার দিকে গেছে।

[irp]

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাজ হারানোর বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো তাদের গভীর উদ্বেগের বিষয়টি আরেকবার সামনে এনে বলছে, সব ধরনের সহিংসতা এখনই বন্ধ করা উচিত।

মিয়ানমারের নির্বাচনে কারচুপির প্রমাণবিহীন দাবি করে সামরিক বাহিনী গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে এবং দেশে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে। সু চি-সহ বেসামরিক রাজনৈতিক নেতাদের বন্দি করা হয়।

সামরিক বাহিনীর প্রধান মিন অং লাইং-ই এখন দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি।

অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে সেনা কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও লাখ-লাখ লোক রাজপথে নেমে আসে।

বিক্ষোভকারীদের থামাতে সেনাবাহিনী-পুলিশ গুলি ছোড়ে। এখন পর্যন্ত ৭৫০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।

ট্যাগস :

মিয়ানমার সেনাবাহিনীকে থামার আহ্বান

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১ মে ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

মিয়ানমারে দ্রুত সহিংসতা বন্ধ করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে দেশটির সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। একই সঙ্গে অং সান সুচি-সহ সব রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি চাওয়া হয়েছে।

শুক্রবার পরিষদ থেকে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ায় অপ্রত্যাশিত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছে সেনাবাহিনী।’

মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিন শরণার বার্গনার ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদকে বলেছেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির সঙ্গে তার আলোচনা নানা জটিলতার দিকে গেছে।

[irp]

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংঘর্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাজ হারানোর বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো তাদের গভীর উদ্বেগের বিষয়টি আরেকবার সামনে এনে বলছে, সব ধরনের সহিংসতা এখনই বন্ধ করা উচিত।

মিয়ানমারের নির্বাচনে কারচুপির প্রমাণবিহীন দাবি করে সামরিক বাহিনী গত ১ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা দখল করে এবং দেশে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে। সু চি-সহ বেসামরিক রাজনৈতিক নেতাদের বন্দি করা হয়।

সামরিক বাহিনীর প্রধান মিন অং লাইং-ই এখন দেশটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি।

অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভ ঠেকাতে সেনা কর্তৃপক্ষ ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছিল কিন্তু তা সত্ত্বেও লাখ-লাখ লোক রাজপথে নেমে আসে।

বিক্ষোভকারীদের থামাতে সেনাবাহিনী-পুলিশ গুলি ছোড়ে। এখন পর্যন্ত ৭৫০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।