ঢাকা ০২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ঘুষ চাওয়ার ঘটনা সামনে আসায় আইসিটি’র বিচারপ্রক্রিয়ার উপর আস্থা কমবে Logo অভিযোগ-প্রশ্নে জর্জরিত জুলাই হত্যার বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল Logo ইরানে রাশিয়ার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত-চুপসে গেছে রাশিয়া Logo ধেঁয়ে আসছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র-ইসরায়েল Logo যুক্তরাষ্ট্রের ৬টি পারমাণবিক বোমা নিখোঁজ Logo মাদারীপুরে হত্যাকান্ডে রণক্ষেত্র: হাতবোমা বিস্ফোরণ, বাড়ি ঘরে আগুন ও লুটপাট Logo ইরান থেকে সরে আসার পরামর্শ ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের Logo অস্ত্রের মুখে উচ্ছেদের পরদিন ঘর পুননির্মাণের আশ্বাস পেল গারো পরিবার “ফলোআপ” Logo ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে গ্রেপ্তার ইমি ও মামুনের মুক্তি দাবি ১৫৬ নাগরিকের Logo রণকৌশল পরিবর্তন করলো ইরান

যশোরের বেনাপোলে ১০টি সোনার বারসহ আটক ১

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১
  • / ১১০৬ বার পড়া হয়েছে

যশোরের বেনাপোলে ১০টি সোনার বারসহ আটক ১

জেলা প্রতিনিধিঃযশোরের বেনাপোলের আমড়াখালি চেকপোস্ট এলাকা থেকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ সুমন মিয়া (৩০) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।

সোমবার (১৭ মে) সকালে বিজিবি সদস্যরা বেনাপোলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশীকালে সুমন মিয়াকে আটক করে। ভারতে পাচারের জন্য এক কেজি ১৬৬ গ্রাম ওজনের ওই ১০টি স্বর্ণবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। আটক স্বর্ণপাচারকারী সুমন মিয়া বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদীপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে।

বিজিবি জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে সীমান্ত পথে একটি স্বর্ণ চালান ভারতে পাচার হবে। এরপর বিজিবি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে। আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্টে কর্মরত হাবিলদার মো: নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বিজিবি‘র একটি দল নাভারন থেকে বেনাপোলমুখি একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে যাত্রী সুমন মিয়ার শরীর তল্লাশী করে।

[irp]

এসময় অভিনব কায়দায় আসামীর প্যান্টের কোমরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় বাধা ১০টি স্বর্ণের বার (১.১৬৬ কেজি) উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৬৭ লাখ টাকা। আটক সুমন মিয়া এ স্বর্ণবার ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল সীমান্তে নিয়ে যাচ্ছিলো বলে জানান।

বিজিবি আরও জানায়, তার সাথে আরো একজন ছিল সে পালিয়ে যায়। তার নাম কামরুল ইসলাম (৩২) একই গ্রামের আবু সাঈদ এর ছেলে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল সেলিম রেজা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্বর্ণ পাচারকারী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড-১৯ এর মধ্যেও ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন গত ২০২০ সালে ১৩ জন আসামীসহ ৪১.৭২২ কেজি স্বর্ণ, ও ২০২১ সালে ৫ জন আসামীসহ ৭.৩০৩ কেজি স্বর্ণসহ সর্বমোট ৪৯.০২৫ কেজি স্বর্ণ এবং আসামী ১৮ জন স্বর্ণপাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় ৩২ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৩৪০ টাকা।

[irp]

যশোরের বেনাপোলে ১০টি সোনার বারসহ আটক ১

আপডেট সময় : ০৭:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১

যশোরের বেনাপোলে ১০টি সোনার বারসহ আটক ১

জেলা প্রতিনিধিঃযশোরের বেনাপোলের আমড়াখালি চেকপোস্ট এলাকা থেকে ১০টি স্বর্ণের বারসহ সুমন মিয়া (৩০) নামে একজন স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি।

সোমবার (১৭ মে) সকালে বিজিবি সদস্যরা বেনাপোলগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তল্লাশীকালে সুমন মিয়াকে আটক করে। ভারতে পাচারের জন্য এক কেজি ১৬৬ গ্রাম ওজনের ওই ১০টি স্বর্ণবার নিয়ে যাওয়া হচ্ছিলো। আটক স্বর্ণপাচারকারী সুমন মিয়া বেনাপোল পোর্ট থানার সীমান্তবর্তী সাদীপুর গ্রামের আব্দুল জব্বার মিয়ার ছেলে।

বিজিবি জানায়, তাদের কাছে গোপন খবর আসে সীমান্ত পথে একটি স্বর্ণ চালান ভারতে পাচার হবে। এরপর বিজিবি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে। আমড়াখালী বিজিবি চেকপোষ্টে কর্মরত হাবিলদার মো: নুরুল ইসলাম এর নেতৃত্বে বিজিবি‘র একটি দল নাভারন থেকে বেনাপোলমুখি একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে যাত্রী সুমন মিয়ার শরীর তল্লাশী করে।

[irp]

এসময় অভিনব কায়দায় আসামীর প্যান্টের কোমরের মধ্যে বিশেষ ব্যবস্থায় বাধা ১০টি স্বর্ণের বার (১.১৬৬ কেজি) উদ্ধার করা হয়। যার বাজার মূল্য ৬৭ লাখ টাকা। আটক সুমন মিয়া এ স্বর্ণবার ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে বেনাপোল সীমান্তে নিয়ে যাচ্ছিলো বলে জানান।

বিজিবি আরও জানায়, তার সাথে আরো একজন ছিল সে পালিয়ে যায়। তার নাম কামরুল ইসলাম (৩২) একই গ্রামের আবু সাঈদ এর ছেলে।

যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল সেলিম রেজা আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্বর্ণ পাচারকারী ও পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতি কোভিড-১৯ এর মধ্যেও ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন গত ২০২০ সালে ১৩ জন আসামীসহ ৪১.৭২২ কেজি স্বর্ণ, ও ২০২১ সালে ৫ জন আসামীসহ ৭.৩০৩ কেজি স্বর্ণসহ সর্বমোট ৪৯.০২৫ কেজি স্বর্ণ এবং আসামী ১৮ জন স্বর্ণপাচারকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়। যার মূল্য বাংলাদেশি টাকায় ৩২ কোটি ৯০ লাখ ৬২ হাজার ৩৪০ টাকা।

[irp]