ঢাকা ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

`যুক্তরাষ্ট্রের এমন সাহসী সিদ্ধান্ত ইতিহাস বদলে দেবে’

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / ১১১৩ বার পড়া হয়েছে

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের মারাত্মক ও ন্যায়সংগত শক্তি দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার আপনার সাহসী সিদ্ধান্ত, ইতিহাস বদলে দেবে।’

আজ রোববার ভোরে দেওয়া এক ভিডিও বিবৃতিতে এ কথা বলেন নেতানিয়াহু। ইরানের ফার্দো, নাতানজ ও ইসফাহানে শনিবার দিবাগত রাতে হামলা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসি, আল জাজিরা, সিএনএনের

নেতানিয়াহু বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি প্রায়শই বলি; শক্তির মাধ্যমে শান্তি। প্রথমে শক্তি অর্জন, এরপর শান্তি আসে। এবং আজ রাতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক শক্তি দিয়ে কাজ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক শাসনব্যবস্থাকে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র থেকে বিরত রেখেছেন।’

ইসরায়েলি নাগরিকদের উদ্দেশে আলাদা এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস হবে। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে।’

এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ফোর্ডো পারমাণবিক কেন্দ্রে ছয়টি বাঙ্কার-বাস্টার বোমা এবং নাতানজ ও ইসফাহানে ৩০টি টমাহক মিসাইল ছোড়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই হামলা ছিল একটি বিস্ময়কর সামরিক সাফল্য। এখন ইরানকে এই যুদ্ধ শেষ করতে হবে।’

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি টিম হিসেবে কাজ করেছি; যা সম্ভবত এর আগে আর কোনো টিম এমনভাবে কাজ করেনি। আমরা ইসরায়েলের প্রতি এই ভয়ানক হুমকি দূর করতে অনেক দূর এগিয়েছি।’

ট্যাগস :

`যুক্তরাষ্ট্রের এমন সাহসী সিদ্ধান্ত ইতিহাস বদলে দেবে’

আপডেট সময় : ০৬:০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘অভিনন্দন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যুক্তরাষ্ট্রের মারাত্মক ও ন্যায়সংগত শক্তি দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার আপনার সাহসী সিদ্ধান্ত, ইতিহাস বদলে দেবে।’

আজ রোববার ভোরে দেওয়া এক ভিডিও বিবৃতিতে এ কথা বলেন নেতানিয়াহু। ইরানের ফার্দো, নাতানজ ও ইসফাহানে শনিবার দিবাগত রাতে হামলা করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। খবর বিবিসি, আল জাজিরা, সিএনএনের

নেতানিয়াহু বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং আমি প্রায়শই বলি; শক্তির মাধ্যমে শান্তি। প্রথমে শক্তি অর্জন, এরপর শান্তি আসে। এবং আজ রাতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্র অনেক শক্তি দিয়ে কাজ করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই পদক্ষেপ ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। কারণ, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের সবচেয়ে বিপজ্জনক শাসনব্যবস্থাকে সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র থেকে বিরত রেখেছেন।’

ইসরায়েলি নাগরিকদের উদ্দেশে আলাদা এক ভাষণে নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্রগুলো ধ্বংস হবে। আজ সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়েছে।’

এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ফোর্ডো পারমাণবিক কেন্দ্রে ছয়টি বাঙ্কার-বাস্টার বোমা এবং নাতানজ ও ইসফাহানে ৩০টি টমাহক মিসাইল ছোড়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এই হামলা ছিল একটি বিস্ময়কর সামরিক সাফল্য। এখন ইরানকে এই যুদ্ধ শেষ করতে হবে।’

অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটি টিম হিসেবে কাজ করেছি; যা সম্ভবত এর আগে আর কোনো টিম এমনভাবে কাজ করেনি। আমরা ইসরায়েলের প্রতি এই ভয়ানক হুমকি দূর করতে অনেক দূর এগিয়েছি।’