ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রংপুরে বৃষ্টি চেয়ে নামাজ- আদায়

Doinik Astha
Doinik Astha
  • আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২
  • / ১০৪৮ বার পড়া হয়েছে

 রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ রংপুরে বৃষ্টির জন্য দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেছেন মুসল্লিরা। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি ও তাপদাহ থেকে মুক্তির জন্য ও আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টায় রংপুরের প্রধান ঈদগাহ মাঠ কালেক্টরেট ময়দানে দুই রাকাত নামাজ আদায় ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করে সম্মিলিত ইমাম পরিষদ রংপুর। নামাজ শেষে মুসল্লিরা জানান, প্রচণ্ড তাপদাহে পুড়ছে রংপুরাঞ্চল। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে মানুষের জীবন।

এই তাপদাহ ও অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তি ও আল্লাহর নিয়ামতের জন্য এই নামাজ আদায় করেছেন তারা। চাষি একরামুল হোসেন নামাজ আদায় করতে এসেছেন প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের গংগাচড়া থেকে। তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমনের আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছি। বৃষ্টির অভাবে বর্ষাকালেও ডাঙা ও আবাদি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তাই খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে দুই রাকাআত নামাজ আদায় করলাম।’ একরামুলের মতো আরও অনেকেই এসেছেন নামাজ আদায়ে। দোকান বন্ধ রেখে নামাজ আদায়ে এসেছেন মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, এই কষ্ট থেকে রেহাই পেতে এই নামাজে পড়তে এসেছেন তিনি। ক্বারী আতাউল হক বলেন, ‘এ বছর তেমন বৃষ্টি নেই। তাই আল্লাহর দরবারে দুই রাকাত নামাজ পড়ে দোয়া করেছি। আল্লাহ যেন এই পরিস্থিতির অবসান ঘটান, তার জন্য দোয়া করেছি।’

এই আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজুল ইসলাম জানান, এমন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনসহ আনুগত্য প্রকাশে এই নামাজ আদায় করা হয়েছে। নামাজে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন— রংপুরের ঐতিহাসিক কেরামতিয়া মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা বায়েজিদ হোসাইন। বৃষ্টি চেয়ে নামাজ আদায় ও আল্লাহর দরবারে দোয়া মোনাজাতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫ হাজার মুসল্লি অংশ নেন।

ট্যাগস :

রংপুরে বৃষ্টি চেয়ে নামাজ- আদায়

আপডেট সময় : ০৩:০২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

 রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ রংপুরে বৃষ্টির জন্য দুই রাকাত নামাজ আদায় করে বিশেষ মোনাজাত করেছেন মুসল্লিরা। নামাজ শেষে অনাবৃষ্টি ও তাপদাহ থেকে মুক্তির জন্য ও আল্লাহর রহমত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বেলা ১১টায় রংপুরের প্রধান ঈদগাহ মাঠ কালেক্টরেট ময়দানে দুই রাকাত নামাজ আদায় ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করে সম্মিলিত ইমাম পরিষদ রংপুর। নামাজ শেষে মুসল্লিরা জানান, প্রচণ্ড তাপদাহে পুড়ছে রংপুরাঞ্চল। গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেছে মানুষের জীবন।

এই তাপদাহ ও অনাবৃষ্টি থেকে মুক্তি ও আল্লাহর নিয়ামতের জন্য এই নামাজ আদায় করেছেন তারা। চাষি একরামুল হোসেন নামাজ আদায় করতে এসেছেন প্রায় ১০ কিলোমিটার দূরের গংগাচড়া থেকে। তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের অভাবে আমনের আবাদ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন পার করছি। বৃষ্টির অভাবে বর্ষাকালেও ডাঙা ও আবাদি জমি ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। তাই খরা ও অনাবৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে দুই রাকাআত নামাজ আদায় করলাম।’ একরামুলের মতো আরও অনেকেই এসেছেন নামাজ আদায়ে। দোকান বন্ধ রেখে নামাজ আদায়ে এসেছেন মুরাদ হোসেন।

তিনি জানান, এই কষ্ট থেকে রেহাই পেতে এই নামাজে পড়তে এসেছেন তিনি। ক্বারী আতাউল হক বলেন, ‘এ বছর তেমন বৃষ্টি নেই। তাই আল্লাহর দরবারে দুই রাকাত নামাজ পড়ে দোয়া করেছি। আল্লাহ যেন এই পরিস্থিতির অবসান ঘটান, তার জন্য দোয়া করেছি।’

এই আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাফিজুল ইসলাম জানান, এমন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনসহ আনুগত্য প্রকাশে এই নামাজ আদায় করা হয়েছে। নামাজে ইমামতি ও মোনাজাত পরিচালনা করেন— রংপুরের ঐতিহাসিক কেরামতিয়া মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা বায়েজিদ হোসাইন। বৃষ্টি চেয়ে নামাজ আদায় ও আল্লাহর দরবারে দোয়া মোনাজাতে জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন এলাকার প্রায় ৫ হাজার মুসল্লি অংশ নেন।