ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

রসিক নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি জামানত বাজেয়াপ্ত

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৬:২৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
  • / ১০৪৭ বার পড়া হয়েছে

রসিক নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি জামানত বাজেয়াপ্ত

 

রিয়াজুল হক সাগর/রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

“জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী” দিনের পরদিন এমন বক্তব্য রাখলেও নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার। শুধু তাই নয়, ভোট এত কম পেয়েছেন যে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়র পদে লড়াই করা ৯ মেয়র প্রার্থীর আরও ছয়জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

 

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৭২ এতে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান জামান পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট। আরেকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফুর রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৮৩ ভোট। এই তিনজন তাদের জামানত ফেরত পাবেন।

 

অন্যদিকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া ২২ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট। নির্বাচনে তিনি ২২ হাজার ৪৭৮ ভোট পেলে জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী আরও ১৭২ ভোট পেলে নৌকার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতো না। শুধু ডালিয়া নয়, একই সঙ্গে জামানত হারিয়েছেন আরও পাঁচ মেয়রপ্রার্থী।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচনি বিধিমালা ২০১০ এর ৪৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, ‘কোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (আট ভাগের এক ভাগ ভোটের কম) অপেক্ষা কম ভোট পেলে তার জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।

 

এই নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে অনধিক ৫ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২০ হাজার টাকা, ৫ লাখ ১ থেকে ১০ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৩০ হাজার টাকা, ১০ লাখ ১ হইতে ২০ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং ২০ লাখ এক ও তদূর্ধ্ব ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ১ লাখ টাকা জমাদানের প্রমাণস্বরূপ ট্রেজারি চালান বা পে-অর্ডার বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের রসিদ জমা দিতে হবে।
এই বিধান অনুসারে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ ভোটারের রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

 

রংপুরের এই নির্বাচন নিয়ে দিনভর তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না। শুরুতে জাপার প্রার্থী ভোটগ্রহণ ইভিএমের ধীরগতি ও নিজে ভোট দিতে গিয়ে বিড়ম্বনার কথা বলেন। তবে এর চেয়ে বড় কোনো অভিযোগ সেই অর্থে পাওয়া যায়নি। অবশ্য কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে কিছু জায়গায় সমস্যা হয়েছে। সংঘর্ষে বিজিবির গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

ট্যাগস :

রসিক নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় : ০৬:২৩:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

রসিক নির্বাচনে নৌকার ভরাডুবি জামানত বাজেয়াপ্ত

 

রিয়াজুল হক সাগর/রংপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

“জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী” দিনের পরদিন এমন বক্তব্য রাখলেও নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়ার। শুধু তাই নয়, ভোট এত কম পেয়েছেন যে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়র পদে লড়াই করা ৯ মেয়র প্রার্থীর আরও ছয়জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

 

মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ঘোষিত ফলাফলে দেখা গেছে মোট ভোট পড়েছে দুই লাখ ৮০ হাজার ৯৭২ এতে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ১ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান জামান পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৮৯২ ভোট। আরেকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী লতিফুর রহমান পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৮৩ ভোট। এই তিনজন তাদের জামানত ফেরত পাবেন।

 

অন্যদিকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া ২২ হাজার ৩০৬ ভোট পেয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ ভোট। নির্বাচনে তিনি ২২ হাজার ৪৭৮ ভোট পেলে জামানত ফেরত পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী আরও ১৭২ ভোট পেলে নৌকার প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতো না। শুধু ডালিয়া নয়, একই সঙ্গে জামানত হারিয়েছেন আরও পাঁচ মেয়রপ্রার্থী।
স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) নির্বাচনি বিধিমালা ২০১০ এর ৪৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, ‘কোনো প্রার্থী নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ (আট ভাগের এক ভাগ ভোটের কম) অপেক্ষা কম ভোট পেলে তার জামানতের টাকা সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হবে।

 

এই নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
সিটি করপোরেশন নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী মেয়র নির্বাচনের ক্ষেত্রে, প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে অনধিক ৫ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ২০ হাজার টাকা, ৫ লাখ ১ থেকে ১০ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৩০ হাজার টাকা, ১০ লাখ ১ হইতে ২০ লাখ ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং ২০ লাখ এক ও তদূর্ধ্ব ভোটার সম্বলিত নির্বাচনী এলাকার জন্য ১ লাখ টাকা জমাদানের প্রমাণস্বরূপ ট্রেজারি চালান বা পে-অর্ডার বা কোনো তফসিলি ব্যাংকের রসিদ জমা দিতে হবে।
এই বিধান অনুসারে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ ভোটারের রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ২০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

 

রংপুরের এই নির্বাচন নিয়ে দিনভর তেমন কোনো অভিযোগ ছিল না। শুরুতে জাপার প্রার্থী ভোটগ্রহণ ইভিএমের ধীরগতি ও নিজে ভোট দিতে গিয়ে বিড়ম্বনার কথা বলেন। তবে এর চেয়ে বড় কোনো অভিযোগ সেই অর্থে পাওয়া যায়নি। অবশ্য কাউন্সিলর প্রার্থীর লোকজনের মধ্যে কিছু জায়গায় সমস্যা হয়েছে। সংঘর্ষে বিজিবির গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।