ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাভারে ধামরাই থানাধীন গৃহবধূ কে হত্যার অভিযোগে শাশুড়িকে আটক 

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১
  • / ১০৯৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ

মঙ্গলবার ১৬ মার্চ দুপুরে সময় ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের মধ্য ফরিঙ্গা গ্রামের মিজান মোল্লার বাড়িতে। মৃত্যু ব্যক্তির নাম কামরুন্নাহার লক্ষ্মী ।

তিনি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার ফোর্টনগর মোল্লাপাড়ার কুদ্দুস মোল্লার মেয়ে। মৃত্যু লক্ষ্মীর ভাগনে আলিম বলেন, আমরা ভাগনি বিয়ে দিছি ফড়িঙ্গা মধ্যপাড়ার মিজান মোল্লার সঙ্গে। তার সৎমা ঘরে, সৎমা ও মিজান সব সময় আমার ভাগনিকে অত্যাচার ও অমানবিক নির্যাতন করত।

সৎমা বেশি নির্যাতন করত,দুজনই মাঝেমধ্যেই মারধর করত। আমরা মাঝেমধ্যে বাড়িতে নিয়ে আসতাম। ভাগনির একটা ছেলে আছে। ওই ছেলেটার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে ভাগনি আবার যেতো। আলিম বলেন, গয়না এবং যৌতুকের টাকার। মাঝে মাঝে মিজানের টাকার চাহিদা থাকতো যখন তখন সে টাকা নিয়ে মারধর করতো ভাগনিকে। রাতে অনেক মারধর করেছে তাকে।

সারা রাত মারার পর আমার ভাগনিকে গলাটিপে মেরে ফেলছে। আমরা গিয়ে দেখছি ঘরের বারান্দায় লাশ রেখেছে। পরে গ্রামবাসী আটক করে লক্ষ্মীর শাশুড়িকে তারপর পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ জানায়, লক্ষ্মীর নামের ওই নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

পরে সকাল দিকে পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগে শাশুড়ি বেদেনা বেগমকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই থানার পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বাবা কুদ্দুস মোল্লা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে। মৃত্যু গৃহবধূর স্বামী মিজান মোল্লাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ট্যাগস :

সাভারে ধামরাই থানাধীন গৃহবধূ কে হত্যার অভিযোগে শাশুড়িকে আটক 

আপডেট সময় : ০১:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ

মঙ্গলবার ১৬ মার্চ দুপুরে সময় ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের মধ্য ফরিঙ্গা গ্রামের মিজান মোল্লার বাড়িতে। মৃত্যু ব্যক্তির নাম কামরুন্নাহার লক্ষ্মী ।

তিনি মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার ফোর্টনগর মোল্লাপাড়ার কুদ্দুস মোল্লার মেয়ে। মৃত্যু লক্ষ্মীর ভাগনে আলিম বলেন, আমরা ভাগনি বিয়ে দিছি ফড়িঙ্গা মধ্যপাড়ার মিজান মোল্লার সঙ্গে। তার সৎমা ঘরে, সৎমা ও মিজান সব সময় আমার ভাগনিকে অত্যাচার ও অমানবিক নির্যাতন করত।

সৎমা বেশি নির্যাতন করত,দুজনই মাঝেমধ্যেই মারধর করত। আমরা মাঝেমধ্যে বাড়িতে নিয়ে আসতাম। ভাগনির একটা ছেলে আছে। ওই ছেলেটার ভবিষ্যৎ চিন্তা করে ভাগনি আবার যেতো। আলিম বলেন, গয়না এবং যৌতুকের টাকার। মাঝে মাঝে মিজানের টাকার চাহিদা থাকতো যখন তখন সে টাকা নিয়ে মারধর করতো ভাগনিকে। রাতে অনেক মারধর করেছে তাকে।

সারা রাত মারার পর আমার ভাগনিকে গলাটিপে মেরে ফেলছে। আমরা গিয়ে দেখছি ঘরের বারান্দায় লাশ রেখেছে। পরে গ্রামবাসী আটক করে লক্ষ্মীর শাশুড়িকে তারপর পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ জানায়, লক্ষ্মীর নামের ওই নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।

পরে সকাল দিকে পুত্রবধূকে হত্যার অভিযোগে শাশুড়ি বেদেনা বেগমকে আটক করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ধামরাই থানার পরিদর্শক কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির বাবা কুদ্দুস মোল্লা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযুক্ত একজনকে গ্রেফতার করেছে। মৃত্যু গৃহবধূর স্বামী মিজান মোল্লাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।