ঢাকা ০২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাভারে শারমিন গ্রুপের পোশাক কারখানার এক এডমিনের কর্মকর্তা বাসের ধাক্কায় নিহত

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১
  • / ১১২৩ বার পড়া হয়েছে

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ

বৃহস্পতিবার ১১ মার্চ প্রায় রাত ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড মহাসড়কের নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্রঘটনা ঘটে। এ সময় তিনটি বাসে আগুন ও ১০টি বাস ভাঙচুরের করে শ্রমিকরা। মহাসড়কে পরিবহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।সেখানকার লোকজন জানান, প্রায় রাত ৮টার দিকে নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ডে এক পোশাক কারখানার অ্যাডমিন অফিসার শামসুল আলমকে একটি বাস চাপা দেন। তাকে উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।খবর পেয়ে শ্রমিকরা তিনটি বাসে আগুন ও ১০টি বাস ভাঙচুর করেন। এতে করে আলিফ পরিবহন ও আশুলিয়া।ক্ল্যাসিক পরিবহনের তিনটি বাস পুড়ে যায়।

এক শ্রমিক বলেন, শারমিন গ্রুপের অ্যাডমিন অফিসার শামসুল আলমকে আশুলিয়া ক্ল্যাসিক পরিবহন চাপা দেয় পরে তিনি মারা যান। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বাস ভাঙচুর শুরু করেন, শেষে বাসে আগুন ধরিয়ে দেন।

ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে তিনটি বাসের আগুন নেভানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। আশুলিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল ইসলাম বলেন, আমরা আছি,বিষয়টি দেখছি। সেই সাথে মহাসড়কে পরিবহণ চলাচলের ও পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।

ট্যাগস :

সাভারে শারমিন গ্রুপের পোশাক কারখানার এক এডমিনের কর্মকর্তা বাসের ধাক্কায় নিহত

আপডেট সময় : ০৪:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মার্চ ২০২১

মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ

বৃহস্পতিবার ১১ মার্চ প্রায় রাত ৮টার দিকে টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড মহাসড়কের নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্রঘটনা ঘটে। এ সময় তিনটি বাসে আগুন ও ১০টি বাস ভাঙচুরের করে শ্রমিকরা। মহাসড়কে পরিবহণ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।সেখানকার লোকজন জানান, প্রায় রাত ৮টার দিকে নরসিংহপুর বাসস্ট্যান্ডে এক পোশাক কারখানার অ্যাডমিন অফিসার শামসুল আলমকে একটি বাস চাপা দেন। তাকে উদ্ধার করে নারী ও শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।খবর পেয়ে শ্রমিকরা তিনটি বাসে আগুন ও ১০টি বাস ভাঙচুর করেন। এতে করে আলিফ পরিবহন ও আশুলিয়া।ক্ল্যাসিক পরিবহনের তিনটি বাস পুড়ে যায়।

এক শ্রমিক বলেন, শারমিন গ্রুপের অ্যাডমিন অফিসার শামসুল আলমকে আশুলিয়া ক্ল্যাসিক পরিবহন চাপা দেয় পরে তিনি মারা যান। সংবাদটি ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকরা একত্রিত হয়ে বাস ভাঙচুর শুরু করেন, শেষে বাসে আগুন ধরিয়ে দেন।

ইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, খবর পেয়ে তিনটি বাসের আগুন নেভানোর কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট। আশুলিয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক জিয়াউল ইসলাম বলেন, আমরা আছি,বিষয়টি দেখছি। সেই সাথে মহাসড়কে পরিবহণ চলাচলের ও পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি।