স্মৃতিসৌধ সুবর্ণজয়ন্তী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
- আপডেট সময় : ০৪:৫০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ মার্চ ২০২১
- / ১০৭৪ বার পড়া হয়েছে
মোঃ আহসান হাবীব, সাভার প্রতিনিধি ঢাকাঃ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সাজানো হচ্ছে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করার পর বিভিন্ন ধরনের ফুল ও লাল-সবুজের পতাকা বিভিন্ন রকমারি আলোয় সাজানো হয়েছে পুরো স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ও তার খানিকটা জায়গায় ও কিছু দুর রাস্তাঘাট এবং নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে ঢাকা জেলার পুলিশ বিভাগ। মহামারি করোনার কারণে গত বছর ক্ষুদ্র পরিসরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।উদযাপন করা হয় তবে সেটা জাঁকজমক ভাবে করা হয়নি, তবে এবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষকে ঘিরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন প্রতিবেশী দেশের পাঁচ রাষ্ট্রপতি ও সরকার। প্রতিবছর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপন শুরু হলেও এবার ১৭ মার্চ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। যারা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন তারা হলেন ১৭ মার্চ মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইবরাহিম মোহামেদ সলিহ আগমনের মধ্যে দিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর ১৯ মার্চ শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, ২২ মার্চ নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী, ২৪ মার্চ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং, ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতা দিবস ও মুজিববর্ষ ঘিরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পাঁচ দেশের ভিভিআইপিদের পাশাপাশি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আসবেন। তাদের জন্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হয়েছে। ২৬ মার্চ দুপুরের পর থেকে জনসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্মৃতিসৌধ খুলে দেওয়া হবে। তবে তাদের জন্যও স্যানিটাইজিং এবং ডিসইনফেকশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কয়েকটি বুথের মাধ্যমে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণের কার্যক্রম চলবে।ঢাকার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে এ বিশাল আয়োজনকে কেন্দ্র করে পর্যাপ্ত পরিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। মুজিববর্ষের এই বিশেষ আয়োজনের নিরাপত্তার দায়িত্ব ঢাকা জেলা পুলিশের ওপর ন্যস্ত। এই দায়িত্ব পাওয়াতে ঢাকা জেলার পুলিশ গর্বিত।কোনো ধরণের দেশি-বিদেশি হুমকি আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে এমন কোনো খবর নেই। তবুও আমরা সতর্ক অবস্থান করবো।
















