হামের টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়: ডিসমিসল্যাব
- আপডেট সময় : ০৩:২৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
- / ১০১৪ বার পড়া হয়েছে
হামের টিকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য সঠিক নয়: ডিসমিসল্যাব
আস্থা ডেস্কঃ
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলের দেওয়া ‘গত ৮ বছর দেশে হামের টিকা দেওয়া হয়নি’ বক্তব্যটি সঠিক নয়। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান ডিসমিসল্যাবের ফ্যাক্টচেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। ডিসমিসল্যাব বলছে, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশব্যাপী হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি পালিত হয়েছিল বলে জানা যায় ইউনিসেফের প্রবন্ধে।
গত ২৯ মার্চ বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক ওষুধ শিল্প মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “মিজেলসের (হাম) রোগী অনেক বেড়েছে। আট বছর আগে মিজেলসের ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। এরপর আর এই ভ্যাকসিন কোনো গভমেন্ট দেয় নাই। আমরা কিন্তু এর মধ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি। পারচেজ কমিটি পাশ হয়েছে।” একাধিক সংবাদমাধ্যমে তার এই বক্তব্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
ডিসমিসল্যাব জানিয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের সত্যতা যাচাইয়ে প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড লিখে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর সময়সীমা নির্ধারণ করে গুগলে সার্চ করা হয়। এতে জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একাধিক প্রবন্ধ সামনে আসে। ২০২১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত একটি প্রবন্ধ অনুযায়ী, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত হামের টিকাদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশে।
ইউনিসেফের প্রবন্ধে জানানো হয়, সম্প্রতি দেশজুড়ে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ শিশুকে হাম ও রুবেলার টিকা দেওয়ার বিশাল কাজটি যারা সম্পন্ন করেছেন এমন হাজার হাজার বাংলাদেশি স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যে ইয়োচুঙ্গু একজন। ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় বাংলাদেশ সরকার এই টিকা অভিযানটি সম্পন্ন করে।
সেখানে আরও বলা হয়, ২০২০ সালের মার্চ মাসে এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে এটি স্থগিত করা হয়। এমনকি ২০২০ সালের ডিসেম্বরে একবার চালু করার পরে এটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল ছিল যে, এবারের কার্যক্রম অন্যবারের চেয়ে ভিন্নতর হবে। অবশেষে টিকা দেওয়ার জায়গাগুলিতে ভিড় এড়াতে তিন সপ্তাহের পরিকল্পিত কার্যক্রমকে ছয় সপ্তাহ ব্যাপী চালানো হয়।
দৈনিক আস্থা/এমএইচ


















