ঢাকা ০৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ Logo অষ্টগ্রামে জলমহাল দখলকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলা, ছাত্রদল সভাপতিসহ আহত ৬ Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে স্বেচ্ছাসেবক দলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ঘরে-বাইরে নিরাপত্তাহীনতা, সারাদেশে বাধাহীন ‘মব’-২০২৫ Logo সড়ক পাশে ফেলে যাওয়া দুই শিশুর বাবার বাড়ি খাগড়াছড়ি

হাসপাতালগুলোতে ভয়াবহ অক্সিজেন সংকট

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১
  • / ১১০৪ বার পড়া হয়েছে

অনলাইন ডেস্কঃ

হাসপাতালগুলোতে ভয়াবহ অক্সিজেন সংকট।করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল ভারত। রাজধানী দিল্লিসহ দেশটির হাসপাতালগুলোতে করোনায় আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় জরুরি উপাদান অক্সিজেনের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার। খবর আরব নিউজের।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া বুধবার বলেছেন, রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন মজুদ দিয়ে আট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম চালানো যাবে। বেসরকারি হাসপাতালে মজুদের পরিমাণ মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মতো।

বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে একটা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দেশ একটি করোনাভাইরাস ‘ঝড়ের’ কবলে পড়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে নাকাল করে ফেলেছে। কোভিড ১৯-এর প্রবল দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছে।

[irp]

দেশজুড়ে হাসপাতালের শয্যা, অক্সিজেন ও ভাইরাস প্রতিরোধক ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্র।

টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে মোদি বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ একটি ঝড়ের মতো আছড়ে পড়েছে। ভারতের কাছে ইতিহাসের ভয়াবহতম এ জরুরি অবস্থার মধ্যে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো এবং বেসরকারি খাতও একত্রে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা অক্সিজেনের উৎপাদন ও দেশজুড়ে এর সরবরাহ বাড়ানোরও চেষ্টা করছি।

ফেব্রুয়ারি নাগাদ যখন ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে এসেছিল, তখন প্রশাসন যথেষ্ট ঢিলেঢালা পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।

বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে জনসমাগমে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেও জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। এসব নিয়ে এখন যথেষ্ট সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসন।

বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ। সংক্রমণের এই রেকর্ড বৃদ্ধিতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখের ঘর।

হাসপাতালগুলোতে ভয়াবহ অক্সিজেন সংকট

আপডেট সময় : ০১:২৩:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ এপ্রিল ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ

হাসপাতালগুলোতে ভয়াবহ অক্সিজেন সংকট।করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল ভারত। রাজধানী দিল্লিসহ দেশটির হাসপাতালগুলোতে করোনায় আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় জরুরি উপাদান অক্সিজেনের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকারের জরুরি সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার। খবর আরব নিউজের।

দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনিশ সিসোদিয়া বুধবার বলেছেন, রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন মজুদ দিয়ে আট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম চালানো যাবে। বেসরকারি হাসপাতালে মজুদের পরিমাণ মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মতো।

বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে একটা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, দেশ একটি করোনাভাইরাস ‘ঝড়ের’ কবলে পড়েছে, যা স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে নাকাল করে ফেলেছে। কোভিড ১৯-এর প্রবল দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় সরকার সাধ্যমতো কাজ করে যাচ্ছে।

[irp]

দেশজুড়ে হাসপাতালের শয্যা, অক্সিজেন ও ভাইরাস প্রতিরোধক ওষুধ পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে কেন্দ্র।

টেলিভিশনে প্রচারিত ভাষণে মোদি বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই ছিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ একটি ঝড়ের মতো আছড়ে পড়েছে। ভারতের কাছে ইতিহাসের ভয়াবহতম এ জরুরি অবস্থার মধ্যে সবাইকে ঘরে থাকার আহ্বান জানান তিনি।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী অক্সিজেনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলো এবং বেসরকারি খাতও একত্রে চেষ্টা করে যাচ্ছে। আমরা অক্সিজেনের উৎপাদন ও দেশজুড়ে এর সরবরাহ বাড়ানোরও চেষ্টা করছি।

ফেব্রুয়ারি নাগাদ যখন ভারতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে এসেছিল, তখন প্রশাসন যথেষ্ট ঢিলেঢালা পদক্ষেপ নিতে শুরু করে।

বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব এবং রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে জনসমাগমে কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানা হয়নি। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজেও জনসভায় ভাষণ দিয়েছেন। এসব নিয়ে এখন যথেষ্ট সমালোচনার মুখে রয়েছেন তিনি ও তার প্রশাসন।

বুধবার ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ লাখ ৯৫ হাজার মানুষ। সংক্রমণের এই রেকর্ড বৃদ্ধিতে দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ কোটি ৫৬ লাখের ঘর।