ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:

হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১০০৩ বার পড়া হয়েছে

হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে নির্ধারিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিবর্তন এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো আপত্তি প্রকাশ করছে না, বরং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ও সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর স্বদেশে ফেরার পথকেই সমর্থন করছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী টকশো ‘পরিপ্রেক্ষিত’-এর সাবেক সঞ্চালক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘পরিপ্রেক্ষিত’-এর নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ বোরহান কবীর এক বিশেষ রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দ বোরহান কবীর বলেন, বিগত কিছু দিনে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে বাংলাদেশ সংকট ও শেখ হাসিনার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি স্পষ্টভাবে করেন, “আমরা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রে যতটুকু নিশ্চিতভাবে জেনেছি—বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক মনোভাব এখন শতভাগ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই। তারা অনুধাবন করতে পেরেছে যে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।”

প্রেস কনফারেন্সের বার্তা: সিদ্ধান্ত ভারতের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: আমেরিকার অফিসিয়াল প্রেস ব্রিফিং এবং কূটনৈতিক বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ এই বিশ্লেষক ও সাংবাদিক আরও বলেন , যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল অবস্থান: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে সরাসরি প্রেস কনফারেন্সে বলা হয়েছিল— শেখ হাসিনার অবস্থান ও তাঁর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের নিজস্ব বিষয়। তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই এটি ঠিক করবে।

কূটনৈতিক তাৎপর্য: সৈয়দ বোরহান কবীর বিশ্লেষণ করে দেখান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের বক্তব্যই সরাসরি প্রমাণ করে যে তারা শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিয়েছে এবং ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে পুরো বিষয়টি বন্ধুপ্রতিম ভারতের হাতেই ছেড়ে দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও আমেরিকার মতো দুটি পরাশক্তির মধ্যস্থতা এবং সম্মতি নিশ্চিত হওয়ার পর আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের আইনি ও রাজনৈতিক পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও মসৃণ হয়ে গেল। সূত্র: দ্য বেঙ্গল টাইমস।

আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই যুক্তরাষ্ট্র: বোরহান কবীর

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিসেম্বরে নির্ধারিত স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিবর্তন এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে কোনো আপত্তি প্রকাশ করছে না, বরং তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ও সুনির্দিষ্টভাবে তাঁর স্বদেশে ফেরার পথকেই সমর্থন করছে।

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী টকশো ‘পরিপ্রেক্ষিত’-এর সাবেক সঞ্চালক, আন্তর্জাতিক বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ‘পরিপ্রেক্ষিত’-এর নির্বাহী পরিচালক সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সৈয়দ বোরহান কবীর এক বিশেষ রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সৈয়দ বোরহান কবীর বলেন, বিগত কিছু দিনে ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক নীতি-নির্ধারকদের মধ্যে বাংলাদেশ সংকট ও শেখ হাসিনার ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব নিয়ে একাধিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিনি স্পষ্টভাবে করেন, “আমরা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সূত্রে যতটুকু নিশ্চিতভাবে জেনেছি—বর্তমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্বিক মনোভাব এখন শতভাগ শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পক্ষেই। তারা অনুধাবন করতে পেরেছে যে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার জন্য শেখ হাসিনার বিকল্প নেই। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে।”

প্রেস কনফারেন্সের বার্তা: সিদ্ধান্ত ভারতের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: আমেরিকার অফিসিয়াল প্রেস ব্রিফিং এবং কূটনৈতিক বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে জ্যেষ্ঠ এই বিশ্লেষক ও সাংবাদিক আরও বলেন , যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অফিসিয়াল অবস্থান: মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে সরাসরি প্রেস কনফারেন্সে বলা হয়েছিল— শেখ হাসিনার অবস্থান ও তাঁর ভবিষ্যৎ সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণরূপে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের নিজস্ব বিষয়। তারা দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমেই এটি ঠিক করবে।

কূটনৈতিক তাৎপর্য: সৈয়দ বোরহান কবীর বিশ্লেষণ করে দেখান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের বক্তব্যই সরাসরি প্রমাণ করে যে তারা শেখ হাসিনার বাংলাদেশে ফেরার বিষয়টি সহজভাবে মেনে নিয়েছে এবং ভারতের সিদ্ধান্তের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে পুরো বিষয়টি বন্ধুপ্রতিম ভারতের হাতেই ছেড়ে দিয়েছে।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ও আমেরিকার মতো দুটি পরাশক্তির মধ্যস্থতা এবং সম্মতি নিশ্চিত হওয়ার পর আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের আইনি ও রাজনৈতিক পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার ও মসৃণ হয়ে গেল। সূত্র: দ্য বেঙ্গল টাইমস।

আস্থা/এমএইচ