ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

হিলি রেলস্টেশনে মাস্টারশূন্য-যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩
  • / ১০৩৫ বার পড়া হয়েছে

হিলি রেলস্টেশনে মাস্টারশূন্য-যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

 

হিলি প্রতিনিধিঃ

 

দিনাজপুরে হিলি রেলস্টেশনে স্টেশন মাস্টার না থাকায় ট্রেন থামছে ২ নাম্বার লাইনে। সেখানে প্ল্যাটফর্ম না থাকায় ট্রেন থেকে ওঠা-নামা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিষয়টি স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ দৈনিক আস্থা কে বলছেন, দ্রুত স্টেশন মাস্টার নিয়োগের চেষ্টা চলছে। পদপূরণ হলেই সমস্যার সমাধান হবে।

 

শুক্রবার (৪ মে) সকালে হিলি রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকাগামী কোনো ট্রেনের স্টপেজ নেই। রাজশাহী-খুলনাগামী ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে প্ল্যাটফর্মের বাইরে ২ নাম্বার লাইনে। ফলে কষ্ট করে, ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে উঠতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী, শিশুদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।

 

হিলি বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আমদানি-রপ্তানীকারক, রাজশাহীগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করেন। অথচ নেই যাত্রী ছাউনি। বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত স্টেশনটি। এর মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল স্টেশন মাস্টার চলে যাওয়ায় ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে পারছে না।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিলিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে একজন স্টেশন মাস্টার কর্মরত ছিলেন। তখন ১ নাম্বার লাইনে ট্রেন দাঁড়াতো। তিনি চলে যাওয়ার পর শুধু একজন বুকিং সহকারী আর ৩ জন স্টাফ দিয়ে স্টেশনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। উত্তরে বিরামপুর ও দক্ষিণে পাঁচবিবি রেলস্টেশন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে হিলি রেল স্টেশন। ফলে ট্রেন ইচ্ছেমতো ২ নাম্বার লাইনে দাঁড়াচ্ছে আবার সেখান থেকে ছেড়ে যাচ্ছে।

 

কয়েকজন নারী যাত্রী বলেন, আমাদের হিলি রেলস্টেশনের কোনো ব্যবস্থাপনাই ভালো নয়। আমরা নারীরা কীভাবে প্ল্যাটফর্ম ছাড়া ২ নাম্বার লাইনে ওতো উঁচুতে ট্রেনে উঠবো? নামাটাও তো কষ্টকর। একই অভিযোগ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন।

আজাহার আলী নামে আরেক যাত্রী বলেন, হিলি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট রয়েছে। বছরে কয়েকশো কোটি টাকা সরকার রাজস্ব এখান থেকে পেয়ে থাকে। অথচ রেলস্টেশনের বেহাল অবস্থা। ঢাকাগামী কোনো ট্রেনের স্টপেজ নেই। নেই যাত্রীদের জন্য স্টেশনে সুব্যবস্থা। রাজশাহী এবং খুলনাগামী যে কয়েকটি ট্রেন এখানে থামে। আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের স্টেশনের সমস্যা সমাধান করুক।

 

হিলি রেলস্টেশনের সহকারী বুকিং মাস্টার মোঃ নয়ন বাবু দৈনিক আস্থাকে বলেন, হিলি রেলস্টেশনে বর্তমানে ২ নাম্বার লাইনে ট্রেন চলায় যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। অস্থায়ী মাস্টার রিজাইন দিয়ে চলে গেছেন। আমি শুধু যাত্রীদের জন্য টিকিট বিক্রি করছি।

ট্যাগস :

হিলি রেলস্টেশনে মাস্টারশূন্য-যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

আপডেট সময় : ০৭:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ মে ২০২৩

হিলি রেলস্টেশনে মাস্টারশূন্য-যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

 

হিলি প্রতিনিধিঃ

 

দিনাজপুরে হিলি রেলস্টেশনে স্টেশন মাস্টার না থাকায় ট্রেন থামছে ২ নাম্বার লাইনে। সেখানে প্ল্যাটফর্ম না থাকায় ট্রেন থেকে ওঠা-নামা করতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিষয়টি স্বীকার করে কর্তৃপক্ষ দৈনিক আস্থা কে বলছেন, দ্রুত স্টেশন মাস্টার নিয়োগের চেষ্টা চলছে। পদপূরণ হলেই সমস্যার সমাধান হবে।

 

শুক্রবার (৪ মে) সকালে হিলি রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ঢাকাগামী কোনো ট্রেনের স্টপেজ নেই। রাজশাহী-খুলনাগামী ট্রেনগুলো দাঁড়াচ্ছে প্ল্যাটফর্মের বাইরে ২ নাম্বার লাইনে। ফলে কষ্ট করে, ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে উঠতে হচ্ছে যাত্রীদের। বিশেষ করে বৃদ্ধ, নারী, শিশুদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে।

 

হিলি বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্থলবন্দর এবং ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের আমদানি-রপ্তানীকারক, রাজশাহীগামী শিক্ষার্থীসহ সাধারণ যাত্রী এই স্টেশন ব্যবহার করেন। অথচ নেই যাত্রী ছাউনি। বসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থাও নেই। নানা রকম সমস্যায় জর্জরিত স্টেশনটি। এর মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল স্টেশন মাস্টার চলে যাওয়ায় ট্রেনগুলো প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে পারছে না।

 

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হিলিতে অস্থায়ী ভিত্তিতে একজন স্টেশন মাস্টার কর্মরত ছিলেন। তখন ১ নাম্বার লাইনে ট্রেন দাঁড়াতো। তিনি চলে যাওয়ার পর শুধু একজন বুকিং সহকারী আর ৩ জন স্টাফ দিয়ে স্টেশনের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। উত্তরে বিরামপুর ও দক্ষিণে পাঁচবিবি রেলস্টেশন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে হিলি রেল স্টেশন। ফলে ট্রেন ইচ্ছেমতো ২ নাম্বার লাইনে দাঁড়াচ্ছে আবার সেখান থেকে ছেড়ে যাচ্ছে।

 

কয়েকজন নারী যাত্রী বলেন, আমাদের হিলি রেলস্টেশনের কোনো ব্যবস্থাপনাই ভালো নয়। আমরা নারীরা কীভাবে প্ল্যাটফর্ম ছাড়া ২ নাম্বার লাইনে ওতো উঁচুতে ট্রেনে উঠবো? নামাটাও তো কষ্টকর। একই অভিযোগ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থী রাকিব হোসেন।

আজাহার আলী নামে আরেক যাত্রী বলেন, হিলি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এখানে স্থলবন্দর, ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট রয়েছে। বছরে কয়েকশো কোটি টাকা সরকার রাজস্ব এখান থেকে পেয়ে থাকে। অথচ রেলস্টেশনের বেহাল অবস্থা। ঢাকাগামী কোনো ট্রেনের স্টপেজ নেই। নেই যাত্রীদের জন্য স্টেশনে সুব্যবস্থা। রাজশাহী এবং খুলনাগামী যে কয়েকটি ট্রেন এখানে থামে। আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের স্টেশনের সমস্যা সমাধান করুক।

 

হিলি রেলস্টেশনের সহকারী বুকিং মাস্টার মোঃ নয়ন বাবু দৈনিক আস্থাকে বলেন, হিলি রেলস্টেশনে বর্তমানে ২ নাম্বার লাইনে ট্রেন চলায় যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। অস্থায়ী মাস্টার রিজাইন দিয়ে চলে গেছেন। আমি শুধু যাত্রীদের জন্য টিকিট বিক্রি করছি।