ঈদের চার গানে পিবি রুদ্র।
- আপডেট সময় : ০২:৩৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ এপ্রিল ২০২১
- / ১২৯৩ বার পড়া হয়েছে
ঈদের চার গানে পিবি রুদ্র।
সিয়াম সরকার জান, বিনোদন প্রতিনিধিঃ
তরুণ মিউজিক ডিরেক্টর, সুরকার ও সংগীতশিল্পী পিবি রুদ্র। ইতোমধ্যে তাঁর কম্পোজিশনে সারা ফেলেছে শামস ভাই’এর লেনাদেনা শিরোনামের একটি গান ও কামারুজ্জামান রাব্বি’র আমি বামন হইয়্যা চান্দের পানে হাত বাড়ামু না শিরোনামের গান। সে নিজেও বেশ কিছু গান গেয়েছেন।
যেগুলো দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে বেশ ভালোভাবেই। আজকের আস্থা’র আয়োজনে তাঁর সাথে কথোপকথন।
জানঃ শুভ বিকেল দাদা। কেমন আছেন?
রুদ্রঃ এই তো আছি ভালোই। তুমি কেমন আছো?
জানঃ আমিও ভালোই আছি দাদা। আপনার দিন কাল কেমন যাচ্ছে? গান বাজনার কী খবর? ঈদে কী পরিকল্পনা আছে নতুন কোনো গানের?
রুদ্রঃ পরিকল্পনা তো অবশ্যই আছে।
জানঃ কী সেগুলো? জাতি জানতে চায়!
রুদ্রঃ ঈদে আমার মোট চারটি গান আসছে। একটি গান করছি “বিষ পেয়ালা” নামক একটা গান। গানটি লিখেছেন সবুজ অরণ্য। সুর ও কম্পোজিশন আমারই। আর শামস ভাইয়ের একটা গান আসবে। আমার আগে প্রকাশিত একটি গান নাটকে যাবে। আর মণীষা ভাদুড়ি মেরী’র কন্ঠে একটি গান আসবে, যেটা তুমিই লিখেছো আর সুর করেছো। এ-ই ঈদের পরিকল্পনা।
জানঃ আচ্ছা। এবার আপনাকে একটা বিশেষ প্রশ্ন করছি। আপনি তো একজন মিউজিক ডিরেক্টর তাই না? তো বর্তমানে মিউজিক কম্পোজিশনের যে সিস্টেম তা সম্পূর্ণ সফটওয়্যার ভিত্তিক – এই বিষয়ে আপনার কী অভিমত? এটা কী ভালো না খারাপ হচ্ছে?
রুদ্রঃ না না। খারাপ হবে কেনো? অবশ্যই ভালো হচ্ছে , যা হচ্ছে। কেননা, এই যুগটাই তো প্রযুক্তির যুগ, তাই না? তো সেক্ষেত্রে আমরা যদি প্রযুক্তির সহায়তা নেই তাহলে তো সমস্যা নেই, তাই না? এতে করে আমাদের মান মানে মিউজিকের মান আরও ভালো হচ্ছে আগের তুলনায়। সব মিলিয়ে ভালোই। আর আমি তাদের সাধুবাদ জানাই যারা মিউজিকে প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে।
জানঃ আপনার কাছে কী মনে হয়, করোনা কী দেশের গানের জগতে কোনো বিরুপ প্রভাব ফেলেছে বা ফেলতে পারে? কী মনে করেন আপনি ব্যক্তিগতভাবে?
রুদ্রঃ অবশ্যই ফেলেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এর স্বীকার। করোনার কারণে দেখা গেছে যে, শিল্পীরা আর্থিকভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ভালো ভালো গীতিকার সুরকার ও মিউজিক ডিরেক্টররা চলে গেছেন অন্য পেশায়। আর অনেকে গান বের করতে পারছে না, শ্যুটিং সম্পন্ন করতে পারছে না। সব মিলিয়ে খুব সমস্যা হচ্ছে আমাদের। তবে এখনো একটি আশা আছে যে, আবার সব ঠিক হয়ে যাবে।
জানঃ শুনলাম আপনার বিয়ের বয়স হয়ে গেছে৷ তো বিয়ে নিয়ে কী পরিকল্পনা?
রুদ্রঃ আপাতত কোনো প্ল্যান নেই। সময় হলে সবই জানতে পারবে।
জানঃ প্রেম কী আছে জীবনে?
রুদ্রঃ প্রেম তো অবশ্যই আছে। থাকবে না কেনো? সংগীতের প্রতি প্রেম তো আছেই।এই আর কি!
জানঃ বাংলাদেশ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে আপনার প্ল্যান কী? কোনো আশা কী আছে?
রুদ্রঃ আসলে আমি নিজেকে মিউজিক ডিরেক্টরের চেয়েও একজন গায়ক হিসেবে ভাবতে ও বলতে পছন্দ করি। আমি মায়ের কাছ থেকে প্রথম গান শিখি ও বাংলাদেশ ধ্রুব পরিষদ থেকে সাত বছর গান শিখেছি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে। তো এরই ধারাবাহিকতায় ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে একজন মান সম্পন্ন শিল্পী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই। এটুকুই আশা।
জানঃ তা ঠিক আছে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে, আপনার নিজের গানের চেয়ে অন্যের গানের কম্পোজিশন আপনি বেশী করেন।
রুদ্রঃ এটা তোমার ভুল ধারণা। আমি গান গাওয়া ও কম্পোজিশন দুটোই সমান তালে করার চেষ্টা করি। একটু তো কম বেশী হতেই পারে।
জানঃ মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির এই খারাপ অবস্থার জন্য আপনি করোনা বাদে কাউকে দায়ী করতে চান?
রুদ্রঃ না। কাউকে আমি দোষ দিতে চাই না।
জানঃ আচ্ছা। ঠিক আছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পক্ষ থেকে ও দৈনিক আস্হা’র পক্ষ থেকে। শুভ বিকেল।
রুদ্রঃ তোমাকেও ধন্যবাদ। খুব ভালো লাগলো তোমার এই আয়োজনে যুক্ত হতে পেরে। ভালো থেকো। এই প্রত্যাশাই রইলো। আর দর্শকদের আমি একটি কথাই বলতে চাই অবশেষে, বাংলা গান শুনুন, বাংলা গানের সাথেই থাকুন। শুভ বিকেল।


















