ঢাকা ০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo ২০১৮ সালের যুবলীগ নেতা হত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি শেখ হাসিনা Logo আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া ছয় সমন্বয়ক মীর জাফর-মাসুদ কামাল Logo সুবর্ণচরে সাংবাদিকদের হত্যার হুমকি, থানায় জিডি Logo উত্তরের ৬ জেলার নেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক Logo রাঙামাটিতে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু; বাবা-মা আটক Logo রিয়াদে এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্সের উদ্যোগে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিলাদ Logo বাগেরহাটে ছুরিকাঘাতে আইনজীবী নিহত Logo নামাজ পড়ানোকে কেন্দ্র করে মসজিদের ভেতরে মারামারি সাথিয়া Logo ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে পরিবহন সংঘর্ষ; নিহত দুই ভাই Logo দশমিনায় সড়ক মেরামত করছে ইসলামী আন্দোলনের নেতা কর্মীরা

ফ্যাসিবাদবিরোধী কণ্ঠস্বর দমনে আইনের অপব্যবহার; উদ্বেগ NHCRF এর

থালাপতি বিজয়ের নামে মামলা: ভিন্নমত দমনে রাজনৈতিক অপপ্রয়োগের নিন্দা

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / ৭৫১৫ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনৈতিক নেতা থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে “ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন”। সম্প্রতি তার দলের সমাবেশে নিরাপত্তাজনিত একটি ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে যে মামলা করা হয়েছে, তা নিছক আইনি পদক্ষেপ নয় বরং ভিন্নমত দমন ও ভয় দেখানোর রাজনৈতিক অপপ্রয়োগ বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

থালাপতি বিজয় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অবতীর্ণ এবং বিজেপির কর্তৃত্ববাদী আদর্শের বিরোধিতা করছেন। এর পরপরই মামলা দায়ের হওয়া কাকতালীয় নয়, এটি এক ধরনের বার্তা ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই শাস্তি। এমন ধারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন মনে করে সমাবেশ করা, বক্তব্য দেওয়া ও রাজনৈতিক মত প্রকাশ করা মৌলিক অধিকার। নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে, কিন্তু মামলা দিয়ে ভয় দেখানো চলবে না। ভারতের গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে এই ধরনের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে নাগরিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ফাউন্ডেশনের মতে দক্ষিণ এশিয়ায় আজ যে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিচ্ছে, তার দায় বহন করছে ক্ষমতাসীনদের অসহিষ্ণু রাজনীতি। বিশেষ করে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসনব্যবস্থা নাগরিক স্বাধীনতা সীমিত করছে, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমন করছে এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে তুলছে।

ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন মনে করে মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষাই গণতন্ত্রের প্রাণ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা সাংস্কৃতিক দায়িত্ব। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ মিলেই কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা প্রতিরোধ করবে।

সংগঠনটি দাবি জানিয়েছে, এই মামলার স্বচ্ছ তদন্ত হোক এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের অপচেষ্টা বন্ধ করা হোক। বিজয়ের মতো সাংস্কৃতিক আইকনদের কণ্ঠ রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।

এমএইচ মানিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন (NHCRF), বাংলাদেশ।

ফ্যাসিবাদবিরোধী কণ্ঠস্বর দমনে আইনের অপব্যবহার; উদ্বেগ NHCRF এর

থালাপতি বিজয়ের নামে মামলা: ভিন্নমত দমনে রাজনৈতিক অপপ্রয়োগের নিন্দা

আপডেট সময় : ০৩:১০:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনৈতিক নেতা থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে “ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন”। সম্প্রতি তার দলের সমাবেশে নিরাপত্তাজনিত একটি ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে যে মামলা করা হয়েছে, তা নিছক আইনি পদক্ষেপ নয় বরং ভিন্নমত দমন ও ভয় দেখানোর রাজনৈতিক অপপ্রয়োগ বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে।

থালাপতি বিজয় প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ে অবতীর্ণ এবং বিজেপির কর্তৃত্ববাদী আদর্শের বিরোধিতা করছেন। এর পরপরই মামলা দায়ের হওয়া কাকতালীয় নয়, এটি এক ধরনের বার্তা ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে কথা বললেই শাস্তি। এমন ধারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী এবং সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত।

হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন মনে করে সমাবেশ করা, বক্তব্য দেওয়া ও রাজনৈতিক মত প্রকাশ করা মৌলিক অধিকার। নিরাপত্তা সংক্রান্ত অভিযোগ থাকলে তা স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে, কিন্তু মামলা দিয়ে ভয় দেখানো চলবে না। ভারতের গণতন্ত্র রক্ষা করতে হলে এই ধরনের কর্তৃত্ববাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে নাগরিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

ফাউন্ডেশনের মতে দক্ষিণ এশিয়ায় আজ যে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংকট দেখা দিচ্ছে, তার দায় বহন করছে ক্ষমতাসীনদের অসহিষ্ণু রাজনীতি। বিশেষ করে বিজেপির নেতৃত্বাধীন শাসনব্যবস্থা নাগরিক স্বাধীনতা সীমিত করছে, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমন করছে এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে তুলছে।

ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন মনে করে মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষাই গণতন্ত্রের প্রাণ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা সাংস্কৃতিক দায়িত্ব। দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ মিলেই কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা প্রতিরোধ করবে।

সংগঠনটি দাবি জানিয়েছে, এই মামলার স্বচ্ছ তদন্ত হোক এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধের অপচেষ্টা বন্ধ করা হোক। বিজয়ের মতো সাংস্কৃতিক আইকনদের কণ্ঠ রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।

এমএইচ মানিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস ক্রাইম রিপোর্টার্স ফাউন্ডেশন (NHCRF), বাংলাদেশ।