ঢাকা ০৬:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo গুইমারায় শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত Logo খাগড়াছড়িতে অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলিতে সুষ্ঠু ভোট গ্রহণের দাবিতে ৪ প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে নিয়ে মিথ্যাচার কোনোভাবেই কাম্য নয়-মাহদী Logo ১৬ মাসে ৫৬০ হয়রানি, ১১৪৪ সাংবাদিক আক্রান্ত Logo ভোলায় প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ Logo উখিয়ায় বিএনপি ছেড়ে ৫শ নেতাকর্মী জামায়াতে যোগদান Logo প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে তারেক রহমান: দ্য ইকোনমিস্ট Logo খাগড়াছড়ি প্রার্থীদের সাথে খাগড়াছড়িতে সেনা বাহীনির মতবিনিময় Logo খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে ৬ প্রার্থীর বৈঠকের গুঞ্জন Logo খাগড়াছড়িতে ২০৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ১৮৫টিকেই ঝুঁকিপূর্ণ

নির্যাতনে কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অজ্ঞান

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • / ১১১৪ বার পড়া হয়েছে

নির্যাতনে কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অজ্ঞান

 

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬১ বার কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে ছাত্রীর মামা মোঃ মহসিন মিয়া আজ মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযুক্তরা হলো, কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান ও কম্পিউটার অপারেটর আসিফ।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী অসুস্থতার কারণে ৩ দিন স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামানের নির্দেশে বিদ্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর আসিফ ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত বিষয়ে পাঠদানের জন্য প্রবেশ করেন। যা সম্পূর্ণ শিক্ষানীতি বিরোধী। ওই দিন আমার বোনের মেয়ে জ্বর অবস্থাতেই উপস্থিত হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে ৩ দিন অনুপস্থি থাকার কারণে তাকে ২০০ বার কাণ ধরে উঠবস করার জন্য বলেন কম্পিউটার অপারেটর। সাথে ১০ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সে ভয়ে কান ধরে উঠবস করা শুরু করে। ৬০ বার উঠবস করে সে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থতার কথা জানালে কম্পিউটার অপারেটর আসিফ ধমক দিয়ে আরও ৫ বার, মোট ২০৫ বার উঠবস করার জন্য বলে। আমার বোনের মেয়ে মোট ৬১ বার উঠবস করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তার সহপাঠীরা মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে আনে। তারপর সে বাড়ি চলে আসে।

জানা যায়, কম্পিউটার অপারেটর আসিফ জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলকাস মিয়ার ছেলে। সূত্রে আরও জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে আসিফের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।

অভিযোগে মোঃ মহসিন মিয়া আরও উল্লেখ করেন, আমি আমার ভাগ্নীর নিরাপত্তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। তার নিরাপত্তা সহ বিবাদীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাকে তার মামা রাত ১১ টার সময় ফোন দিয়ে জানিয়েছে। প্রতিবেদককে বিস্তারিত জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলতাফ হোসেন বলেন, কানে ধরে উঠবস করানো তা ঠিক হয়নি। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।

ট্যাগস :

নির্যাতনে কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অজ্ঞান

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩

নির্যাতনে কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী অজ্ঞান

 

নরসিংদী প্রতিনিধিঃ

নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬১ বার কান ধরে উঠবস করানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এব্যাপারে ছাত্রীর মামা মোঃ মহসিন মিয়া আজ মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযুক্তরা হলো, কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান ও কম্পিউটার অপারেটর আসিফ।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন, কামরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী অসুস্থতার কারণে ৩ দিন স্কুলে অনুপস্থিত ছিলেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামানের নির্দেশে বিদ্যালয়ের কম্পিউটার অপারেটর আসিফ ৬ষ্ঠ শ্রেণির গণিত বিষয়ে পাঠদানের জন্য প্রবেশ করেন। যা সম্পূর্ণ শিক্ষানীতি বিরোধী। ওই দিন আমার বোনের মেয়ে জ্বর অবস্থাতেই উপস্থিত হয়। কিন্তু বিদ্যালয়ে ৩ দিন অনুপস্থি থাকার কারণে তাকে ২০০ বার কাণ ধরে উঠবস করার জন্য বলেন কম্পিউটার অপারেটর। সাথে ১০ টাকা চাঁদা দাবি করেন। সে ভয়ে কান ধরে উঠবস করা শুরু করে। ৬০ বার উঠবস করে সে আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে। অসুস্থতার কথা জানালে কম্পিউটার অপারেটর আসিফ ধমক দিয়ে আরও ৫ বার, মোট ২০৫ বার উঠবস করার জন্য বলে। আমার বোনের মেয়ে মোট ৬১ বার উঠবস করে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। পরবর্তীতে তার সহপাঠীরা মাথায় পানি ঢেলে জ্ঞান ফিরিয়ে আনে। তারপর সে বাড়ি চলে আসে।

জানা যায়, কম্পিউটার অপারেটর আসিফ জয়নগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আলকাস মিয়ার ছেলে। সূত্রে আরও জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে আসিফের দাপটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী।

অভিযোগে মোঃ মহসিন মিয়া আরও উল্লেখ করেন, আমি আমার ভাগ্নীর নিরাপত্তা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি। তার নিরাপত্তা সহ বিবাদীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আখতারুজ্জামান বলেন, বিষয়টি আমাকে তার মামা রাত ১১ টার সময় ফোন দিয়ে জানিয়েছে। প্রতিবেদককে বিস্তারিত জানাবেন বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আলতাফ হোসেন বলেন, কানে ধরে উঠবস করানো তা ঠিক হয়নি। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখবো।