ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত ৪

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১
  • / ১৪১৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত ৪ ।প্রাণহানি দিয়ে শুরু হয়েছিল দিন। আজ শনিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। পশ্চিমবঙ্গের শীতলকুচিতে এবার আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।

রাজ্যের মাথাভাঙা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত চলছে মৃতদের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে। হতাহতরা সবাই নিজেদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় মেলেনি।

মমতা হুইলচেয়ারে বসেই নামতে যাচ্ছেন প্রচারে

শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, সিআরপিএফ জওয়ানরা বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।

গোটা ঘটনায় ‘অ্যাকশন টেকেন’ রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ।

শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা। -এনডিটিভি।

ট্যাগস :

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত ৪

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ এপ্রিল ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে নিহত ৪ ।প্রাণহানি দিয়ে শুরু হয়েছিল দিন। আজ শনিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। পশ্চিমবঙ্গের শীতলকুচিতে এবার আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের।

রাজ্যের মাথাভাঙা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত চলছে মৃতদের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গেছে। হতাহতরা সবাই নিজেদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের পরিচয় মেলেনি।

মমতা হুইলচেয়ারে বসেই নামতে যাচ্ছেন প্রচারে

শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, সিআরপিএফ জওয়ানরা বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।

গোটা ঘটনায় ‘অ্যাকশন টেকেন’ রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ।

শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা। -এনডিটিভি।