ঢাকা ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পানছড়িতে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ছাগল ও শুকর বিতরণ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / ১১২২ বার পড়া হয়েছে

পানছড়িতে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ছাগল ও শুকর বিতরণ

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামের দরিদ্র জেলে পরিবারগু লোর জীবিকা উন্নয়ন ও আয়বর্ধনের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় দরিদ্র ১৯ জন জেলের মাঝে ছাগল ও ৬ জন জেলের মাঝে শুকর বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২জুন/২০২৫ ইং) দুপুরের দিকে এসকল পশু বিতরন করা হয়।

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিকল্প কর্মসংস্থান কার্যক্রম (Alternative Income Generating Activities – AIGA) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসকল পশু বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মৎস্য অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা নাসরিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি।

এসময় উপজেলা ফারহানা নাসরিন বলেন, “সরকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনে বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাহাড়ি এলাকায় জেলেদের জন্য ছাগল ও শুকর বিতরণ একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ, যা তাদের বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করবে।”

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা বলেন, “মৎস্য সম্পদ নির্ভর দরিদ্র জেলে পরিবারগুলোর মৌসুমি আয় নির্ভরতা কমাতে এআইজিএ কর্মসূচির আওতায় পশুপালন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করা হবে।”

অনুষ্ঠান শেষে নির্বাচিত দরিদ্র জেলেদের মাঝে ছাগল ও শুকর হস্তান্তর করা হয়। উপকারভোগী পরিবারগুলো সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ সহায়তা তাদের পারিবারিক জীবনে বড় ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন এই প্রকল্পটি পার্বত্য এলাকায় জেলেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং টেকসই জীবিকায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য উপজেলাতেও ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ট্যাগস :

পানছড়িতে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ছাগল ও শুকর বিতরণ

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

পানছড়িতে দরিদ্র জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ছাগল ও শুকর বিতরণ

মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ

পার্বত্য চট্টগ্রামের দরিদ্র জেলে পরিবারগু লোর জীবিকা উন্নয়ন ও আয়বর্ধনের লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে

খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি উপজেলায় দরিদ্র ১৯ জন জেলের মাঝে ছাগল ও ৬ জন জেলের মাঝে শুকর বিতরণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার (২জুন/২০২৫ ইং) দুপুরের দিকে এসকল পশু বিতরন করা হয়।

‘পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প’-এর আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বিকল্প কর্মসংস্থান কার্যক্রম (Alternative Income Generating Activities – AIGA) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এসকল পশু বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মৎস্য অফিস প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পানছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা নাসরিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা এর সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি।

এসময় উপজেলা ফারহানা নাসরিন বলেন, “সরকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা অর্জনে বহুমাত্রিক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। পাহাড়ি এলাকায় জেলেদের জন্য ছাগল ও শুকর বিতরণ একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ, যা তাদের বিকল্প আয়ের পথ তৈরি করবে।”

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রিয় কান্তি চাকমা বলেন, “মৎস্য সম্পদ নির্ভর দরিদ্র জেলে পরিবারগুলোর মৌসুমি আয় নির্ভরতা কমাতে এআইজিএ কর্মসূচির আওতায় পশুপালন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সুবিধাও প্রদান করা হবে।”

অনুষ্ঠান শেষে নির্বাচিত দরিদ্র জেলেদের মাঝে ছাগল ও শুকর হস্তান্তর করা হয়। উপকারভোগী পরিবারগুলো সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ সহায়তা তাদের পারিবারিক জীবনে বড় ভূমিকা রাখবে।

উল্লেখ্য, মৎস্য অধিদপ্তরের আওতাধীন এই প্রকল্পটি পার্বত্য এলাকায় জেলেদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, বিকল্প কর্মসংস্থান এবং টেকসই জীবিকায়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটি পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যান্য উপজেলাতেও ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।