ঢাকা ০২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo খাগড়াছড়িতে জামায়াতের নির্বাচনী গণমিছিল শেষে সমাবেশে Logo পানছড়িতে অষ্টপ্রহার ব্যাপী মহানামযজ্ঞ ও সরস্বতী পূজা পরিদর্শনে বিএনপি Logo পানছড়িতে বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান Logo আপনারা থাকার কষ্ট করছেন, আমরা এখানে উঁচু উঁচু বিল্ডিং করে দিতে চাই Logo পানছড়িতে খালেদা জিয়ার স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত Logo ছয় মাসে ব্যাংক থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিলো সরকার Logo প্রাণ ফিরছে লোগাং ইউপি শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদে Logo পানছড়িতে ভারতীয় অবৈধ পন্য আটক Logo পানছড়িতে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া-রাবিশ ব্যবহার Logo মুসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে খাগড়াছড়িতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে ২ কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

Iftekhar Ahamed
  • আপডেট সময় : ০৫:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১
  • / ১০৫২ বার পড়া হয়েছে
জেলা প্রতিনিধি:

পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাধানগর মক্তব পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে দশজন আহত হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে পৌরসভা নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর ফরিদুল ইসলাম ডালুর পক্ষে মিছিল বের করেন তার সমর্থক কয়েক শ নারী-পুরুষ। এ সময় একই ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী সানাউল হক সানুর সমর্থকরা হাতুড়ি ও রড নিয়ে হামলা চালিয়ে কয়েকজন নারীকে আহত করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে মিছিল করেন ডালুর সমর্থকরা।

পরে পুলিশী পাহারায় কাউন্সিলর প্রার্থী ডালুর সমর্থকরা মিছিল নিয়ে মক্তব মোড় এলাকায় এলে, সানুর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী ফরিদুল ইসলাম ডালু বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে আমার নারী সমর্থকদের মিছিল ও গণসংযোগের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। হঠাৎ করেই সানাউল হক সানুর ছেলে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক এসে হাতুড়ি, রড ও ধারাল অস্ত্র নিয়ে মিছিল বের করতে বাধা দেয় । আমার সমর্থকরা প্রতিবাদ জানালে তারা নির্মমভাবে আমার নারীকর্মী বীনা, আরজিনা, লতিফা, ফারজানাকে পেটায়। আমি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসার পর তারা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ পাহারায় আমরা মিছিল বের করি। মক্তব মোড় এলাকায় তারা আবারো মিছিলে হামলা করে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী সানাউল হক বলেন, ফরিদুল ইসলাম ডালুর নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। মিথ্যা রটনা করে তার সমর্থক সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে তুহিনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। সে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তবে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সফল হবে না।

পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রওশন আলী জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েই আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উভয়পক্ষকে সংঘর্ষে না জড়াতে সতর্ক করেছি।

ট্যাগস :

পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে ২ কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ০৫:০৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১
জেলা প্রতিনিধি:

পাবনা পৌরসভা নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার বিকেলে রাধানগর মক্তব পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে দশজন আহত হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার বিকেলে পৌরসভা নির্বাচনে ১১ নম্বর ওয়ার্ডে উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর ফরিদুল ইসলাম ডালুর পক্ষে মিছিল বের করেন তার সমর্থক কয়েক শ নারী-পুরুষ। এ সময় একই ওয়ার্ডের প্রতিদ্বন্দ্বী পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী সানাউল হক সানুর সমর্থকরা হাতুড়ি ও রড নিয়ে হামলা চালিয়ে কয়েকজন নারীকে আহত করে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে মিছিল করেন ডালুর সমর্থকরা।

পরে পুলিশী পাহারায় কাউন্সিলর প্রার্থী ডালুর সমর্থকরা মিছিল নিয়ে মক্তব মোড় এলাকায় এলে, সানুর সমর্থকদের সঙ্গে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এ সময় কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করে।

উটপাখি প্রতীকের প্রার্থী ফরিদুল ইসলাম ডালু বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে আমার নারী সমর্থকদের মিছিল ও গণসংযোগের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছিল। হঠাৎ করেই সানাউল হক সানুর ছেলে তুহিনের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক এসে হাতুড়ি, রড ও ধারাল অস্ত্র নিয়ে মিছিল বের করতে বাধা দেয় । আমার সমর্থকরা প্রতিবাদ জানালে তারা নির্মমভাবে আমার নারীকর্মী বীনা, আরজিনা, লতিফা, ফারজানাকে পেটায়। আমি তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ আসার পর তারা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ পাহারায় আমরা মিছিল বের করি। মক্তব মোড় এলাকায় তারা আবারো মিছিলে হামলা করে।

তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে পাঞ্জাবী প্রতীকের প্রার্থী সানাউল হক বলেন, ফরিদুল ইসলাম ডালুর নির্বাচনে নিশ্চিত পরাজয় জেনে সংঘাতের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। মিথ্যা রটনা করে তার সমর্থক সন্ত্রাসীরা আমার ছেলে তুহিনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। সে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। তবে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে আমাকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা সফল হবে না।

পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রওশন আলী জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়েই আমরা তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উভয়পক্ষকে সংঘর্ষে না জড়াতে সতর্ক করেছি।