ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo দেড় বছর পর কার্যালয়ে আ.লীগের নেতাকর্মীরা Logo বিএনপি নিরঙ্কুশ জয়লাভ করায় পানছড়ির জিয়ানগরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল Logo রমজানে স্কুল বন্ধের বিষয়ে আগামীকাল আলোচনা করব-সাইদুর রহমান Logo শপথ অনুষ্টানে ঢাকায় আসছেন ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা Logo পার্বত্যবাসীর স্বপ্ন পূরণে ওয়াদুদ ভূইয়াকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় পাহাড়বাসী Logo হাতিয়ায় ধর্ষণের অভিযোগ সঠিক নয়, দাবি পুলিশের Logo বিক্ষোভের ডাক দিল ১১ দলীয় জোট Logo চাঁদাবাজির অভিযোগে বিএনপির ২৬ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা নবনির্বাচিত এমপি Logo গনদাবীতে পরিণত হচ্ছে ওয়াদুদ ভুইয়াকে মন্ত্রী করার দাবী Logo এআই ইম্প্যাক্ট সামিটের জন্য শপথে আসছেন না নরেন্দ্র মোদি

পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ কমেছে ১০ শতাংশ

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪
  • / ১১০৬ বার পড়া হয়েছে

পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ কমেছে ১০ শতাংশ

আস্থা ডেস্কঃ

আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ছিল অনেক পোশাক কারখানা। তার সাথে যুক্ত হয়েছে গ্যাস সংকট। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় ১০ শতাংশ ক্রয়াদেশ কমেছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, উৎপাদন কমলেও বড় পরিসরে বাজার হারানোর শঙ্কা নেই।

দেশে দৈনিক ৩শ ৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে মিলছে ২শ ৮০ কোটি। এর মধ্যে গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন হচ্ছে ২শ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

আর আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া যাচ্ছে বাকি ৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে শিল্পকারখানায় ১শ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এতে ব্যাহত হচ্ছে বস্ত্রশিল্পের উৎপাদন।

বর্তমানে গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক কারখানায় সক্ষমতার প্রায় ২০ শতাংশ উৎপাদন কমে গেছে বলে দাবি করছেন উদ্যোক্তারা। সময়মতো রপ্তানি না হলে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে বলছে উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমরা এখন উভয় সংকটের মধ্যে আছি। একদিকে অর্ডার আগের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে। অন্যদিকে যেসব অর্ডার আছে সেগুলোও গ্যাস সংকটের কারণে সঠিক সময়ে এবং সঠিকভাবে উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে বায়ারদের কাছে বাংলাদেশ আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এসব কারণে ১০ শতাংশ ক্রয়াদেশও কমেছে।

শাশা ডেনিমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, শ্রমিক অসন্তোষের সমাধান, জ্বালানি সংকট কমিয়ে যদি পুরো ফ্লো নিয়ে কাজ করা যায় তাহলে যে ক্ষতি হয়ে গেছে তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব। এ ছাড়া সামনে যে অর্ডার ফ্লো রয়েছে এ সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে দ্রুতই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, উৎপাদন ব্যাহত হলে ক্ষতির মুখে পড়বেন উদ্যোক্তারা। তবে বড় পরিসরে বাজার হারানোর শঙ্কা নেই।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহজনিত ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণে বায়াররা হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য অর্ডারগুলো অন্য দেশে শিফট করতে পারেন। তবে লং রানে সমস্যা হবে না। কারণ বাংলাদেশের মতো এত বড় সাপ্লাইবেজ নিকটবর্তী কোনো দেশেরই নেই।

উদ্যোক্তারা আরও বলছেন, পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ থাকলেও সময়মতো রপ্তনি করা গেলে অতীতের ক্ষতি পোষানো সম্ভব হবে।

ট্যাগস :

পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ কমেছে ১০ শতাংশ

আপডেট সময় : ১২:১৯:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৪

পোশাক শিল্পে ক্রয়াদেশ কমেছে ১০ শতাংশ

আস্থা ডেস্কঃ

আগস্ট-সেপ্টেম্বরে শ্রমিক অসন্তোষে বন্ধ ছিল অনেক পোশাক কারখানা। তার সাথে যুক্ত হয়েছে গ্যাস সংকট। এতে উৎপাদন কমে যাওয়ায় ১০ শতাংশ ক্রয়াদেশ কমেছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানিকারকেরা। তবে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, উৎপাদন কমলেও বড় পরিসরে বাজার হারানোর শঙ্কা নেই।

দেশে দৈনিক ৩শ ৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে মিলছে ২শ ৮০ কোটি। এর মধ্যে গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন হচ্ছে ২শ কোটি ঘনফুট গ্যাস।

আর আমদানি করা এলএনজি থেকে পাওয়া যাচ্ছে বাকি ৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এর মধ্যে শিল্পকারখানায় ১শ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এতে ব্যাহত হচ্ছে বস্ত্রশিল্পের উৎপাদন।

বর্তমানে গ্যাসের চাপ কম থাকায় অনেক কারখানায় সক্ষমতার প্রায় ২০ শতাংশ উৎপাদন কমে গেছে বলে দাবি করছেন উদ্যোক্তারা। সময়মতো রপ্তানি না হলে ক্রেতাদের আস্থা ধরে রাখা কঠিন হবে বলছে উদ্যোক্তারা।

বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমরা এখন উভয় সংকটের মধ্যে আছি। একদিকে অর্ডার আগের তুলনায় অনেকটা কমে গেছে। অন্যদিকে যেসব অর্ডার আছে সেগুলোও গ্যাস সংকটের কারণে সঠিক সময়ে এবং সঠিকভাবে উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে বায়ারদের কাছে বাংলাদেশ আস্থা হারিয়ে ফেলছে। এসব কারণে ১০ শতাংশ ক্রয়াদেশও কমেছে।

শাশা ডেনিমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মাহমুদ বলেন, শ্রমিক অসন্তোষের সমাধান, জ্বালানি সংকট কমিয়ে যদি পুরো ফ্লো নিয়ে কাজ করা যায় তাহলে যে ক্ষতি হয়ে গেছে তা পুষিয়ে ওঠা সম্ভব। এ ছাড়া সামনে যে অর্ডার ফ্লো রয়েছে এ সমস্যাগুলো সমাধান করা গেলে দ্রুতই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।

অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, উৎপাদন ব্যাহত হলে ক্ষতির মুখে পড়বেন উদ্যোক্তারা। তবে বড় পরিসরে বাজার হারানোর শঙ্কা নেই।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সরবরাহজনিত ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণে বায়াররা হয়তো সাময়িক সময়ের জন্য অর্ডারগুলো অন্য দেশে শিফট করতে পারেন। তবে লং রানে সমস্যা হবে না। কারণ বাংলাদেশের মতো এত বড় সাপ্লাইবেজ নিকটবর্তী কোনো দেশেরই নেই।

উদ্যোক্তারা আরও বলছেন, পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ থাকলেও সময়মতো রপ্তনি করা গেলে অতীতের ক্ষতি পোষানো সম্ভব হবে।