ঢাকা ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিবন্ধী শিশু চুরি করে ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের নারী আটক

News Editor
  • আপডেট সময় : ০২:৫২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
  • / ১১২৬ বার পড়া হয়েছে

প্রতিবন্ধী শিশু চুরি করে তাকে ব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের মিনা (৬০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শারমিন আক্তার হ্যাপি নামে এক আইনজীবী কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

গতকাল রবিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির মসজিদসংলগ্ন এলাকা থেকে ওই নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জে অবৈধভাবে বালু বিক্রি, এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মামলার এজাহারে বলা হয়, এই নারী সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্য। এই চক্রের সদস‌্যরা শিশু চুরি করে এনে তাদের দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করায়।

মিনার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাছিরনগর থানার জেডানগরে। তার স্বামীর নাম সিরাজ মিয়া।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছগির হোসেন ঢাকা আইনজীবী সমিতি সংলগ্ন মসজিদের সামনে হুইল চেয়ারে কান্নারত অবস্থায় আনুমানিক দেড় বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে পেয়ে তার মা-বাবার খোঁজ করেন। তখন মিনা শিশুটির মা পরিচয় দেন। পরে ওই নারী স্বীকার করেন যে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তির জন্য তাকে শিশুটিকে দিয়েছে। এরপর ওই আইনজীবী কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

ট্যাগস :

প্রতিবন্ধী শিশু চুরি করে ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের নারী আটক

আপডেট সময় : ০২:৫২:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

প্রতিবন্ধী শিশু চুরি করে তাকে ব্যবহার করে ভিক্ষাবৃত্তি চক্রের মিনা (৬০) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় শারমিন আক্তার হ্যাপি নামে এক আইনজীবী কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

গতকাল রবিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির মসজিদসংলগ্ন এলাকা থেকে ওই নারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

দেওয়ানগঞ্জে অবৈধভাবে বালু বিক্রি, এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

মামলার এজাহারে বলা হয়, এই নারী সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের সদস্য। এই চক্রের সদস‌্যরা শিশু চুরি করে এনে তাদের দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করায়।

মিনার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাছিরনগর থানার জেডানগরে। তার স্বামীর নাম সিরাজ মিয়া।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ছগির হোসেন ঢাকা আইনজীবী সমিতি সংলগ্ন মসজিদের সামনে হুইল চেয়ারে কান্নারত অবস্থায় আনুমানিক দেড় বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে পেয়ে তার মা-বাবার খোঁজ করেন। তখন মিনা শিশুটির মা পরিচয় দেন। পরে ওই নারী স্বীকার করেন যে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তির জন্য তাকে শিশুটিকে দিয়েছে। এরপর ওই আইনজীবী কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।