ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম:
Logo বেয়াইয়ের সাথে সঙ্গম: অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিয়াইনের মৃত্যু Logo আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা যেতে পারে: তথ্য উপদেষ্টা Logo ভারতে বাংলাদেশি আঞ্চলিক সশস্ত্র কমান্ডার আটক, দুই সহযোগী পলাতক Logo চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি ক্যাব চট্টগ্রামের Logo পার্বত্য চট্টগ্রাম শরণার্থী পুনর্বাসন টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হলেন ডা. স্বপন কুমার চাকমা Logo রোয়াংছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত Logo পানছড়িতে বিশ্ব শিক্ষক দিবস/২৬ উদযাপিত Logo হামলার ফুটেজ না দেওয়ায় সিসিটিভির হার্ডডিক্স খুলে নিলেন সাংবাদিকরা Logo রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তদন্ত কমিটি গঠন Logo নতুন কারা মহাপরিদর্শক হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ারুল কবীর

ফরিদপুরে দাওয়াতকে কেন্দ্র আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত-১৫

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৯৪ বার পড়া হয়েছে

ফরিদপুরে দাওয়াতকে কেন্দ্র আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত-১৫

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও পার্শ্ববর্তী মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, গুনবহা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার সাহেব আলী ও ওয়ার্ড আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেম্বার মঞ্জুর হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
এর মধ্যে গত ২ জুন মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়েতে সাহেব আলী মেম্বারকে দাওয়াত না দেওয়ায় সে তার লোকজন নিয়ে পিকনিক করে।

এঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকেলে মঞ্জু মেম্বারের লোকজনকে মারধর করা হলে সেই ক্ষোভে শনিবার সকালে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

আহতদের মধ্যে মঞ্জু গ্রুপের মঞ্জু মেম্বারকে (৫২) ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া আনোয়ার (৫০), ওবায়দুল (৪৫), ইমরুল (৩৫), মিঠুন মোল্যাকে (৪৮) বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সাহেব আলী মেম্বারের লোকজনকে পাশের মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

সাহেব আলী মেম্বার মুঠোফোনে বলেন, আমার অবস্থা ভালো না। আমার শরীরে তিন-চারটি কোপ, জখম রয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। রাতে আর কিছু ঘটেনি। সকালে আমি রাস্তায় বের হয়ে দেখি মঞ্জু ও বাকিয়ারের সঙ্গে লোকজন ঢালসড়কি নিয়ে আসছে। আমি পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এসেই আমার ওপর হামলা করে। তারপর ওদের কে-বা কারা মেরেছে আমি জানিনা।  মঞ্জু মেম্বারের গ্রুপের জিয়াউর রহমান জানান, মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় সাহেব আলী মেম্বার ও তার লোকজন ঝামেলা পাকাচ্ছিল। শুক্রবার ভেন্নাতলার হাটে গেলে আমাদের লোকজনকে মারধর করে। শনিবার সকালে তারা দল বেধে এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মঞ্জু মেম্বার আহত হয়।

বোয়ালমারী থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, সাহেব আলী মেম্বার ও মঞ্জু মেম্বার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়েতে সাহেব আলীকে দাওয়াত না দিলে তারা পিকনিক করে। এ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে শুক্রবার বিকেলে ঝামেলা হয়। শনিবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুইজনকে আটক করে থানায় এনেছে। এছাড়া এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

ফরিদপুরে দাওয়াতকে কেন্দ্র আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত-১৫

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ জুলাই ২০২৩

ফরিদপুরে দাওয়াতকে কেন্দ্র আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ আহত-১৫

ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের হরিহরনগর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও পার্শ্ববর্তী মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, গুনবহা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি ও সাবেক মেম্বার সাহেব আলী ও ওয়ার্ড আ.লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক মেম্বার মঞ্জুর হোসেনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে।
এর মধ্যে গত ২ জুন মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়েতে সাহেব আলী মেম্বারকে দাওয়াত না দেওয়ায় সে তার লোকজন নিয়ে পিকনিক করে।

এঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকেলে মঞ্জু মেম্বারের লোকজনকে মারধর করা হলে সেই ক্ষোভে শনিবার সকালে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

আহতদের মধ্যে মঞ্জু গ্রুপের মঞ্জু মেম্বারকে (৫২) ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া আনোয়ার (৫০), ওবায়দুল (৪৫), ইমরুল (৩৫), মিঠুন মোল্যাকে (৪৮) বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সাহেব আলী মেম্বারের লোকজনকে পাশের মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

 

সাহেব আলী মেম্বার মুঠোফোনে বলেন, আমার অবস্থা ভালো না। আমার শরীরে তিন-চারটি কোপ, জখম রয়েছে। আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুক্রবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। রাতে আর কিছু ঘটেনি। সকালে আমি রাস্তায় বের হয়ে দেখি মঞ্জু ও বাকিয়ারের সঙ্গে লোকজন ঢালসড়কি নিয়ে আসছে। আমি পাশে দাঁড়িয়েছিলাম। এসেই আমার ওপর হামলা করে। তারপর ওদের কে-বা কারা মেরেছে আমি জানিনা।  মঞ্জু মেম্বারের গ্রুপের জিয়াউর রহমান জানান, মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়েতে দাওয়াত না দেওয়ায় সাহেব আলী মেম্বার ও তার লোকজন ঝামেলা পাকাচ্ছিল। শুক্রবার ভেন্নাতলার হাটে গেলে আমাদের লোকজনকে মারধর করে। শনিবার সকালে তারা দল বেধে এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় মঞ্জু মেম্বার আহত হয়।

বোয়ালমারী থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, সাহেব আলী মেম্বার ও মঞ্জু মেম্বার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছে। মঞ্জু মেম্বারের মেয়ের বিয়েতে সাহেব আলীকে দাওয়াত না দিলে তারা পিকনিক করে। এ ঘটনার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে শুক্রবার বিকেলে ঝামেলা হয়। শনিবার সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ দুইজনকে আটক করে থানায় এনেছে। এছাড়া এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।