ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সীমান্তের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়তে চায় ভারত

Astha DESK
  • আপডেট সময় : ০২:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / ১০৩৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সীমান্তের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়তে চায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

প্রাচীনকালে দুর্গ বা প্রাসাদের চারপাশ সুরক্ষিত রাখতে পরিখা খনন করে তাতে কুমির ছেড়ে দেওয়ার গল্প আমরা ইতিহাসে পড়েছি। একবিংশ শতাব্দীতে এসে

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্গম নদীপথ ও জলাভূমি রক্ষায় এবার কুমির এবং সাপের মতো সরীসৃপ মোতায়েন করার কথা ভাবছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেল-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের ৪ হাজা ৯৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের বড় একটি অংশ নদীমাতৃক বা জলাভূমি বেষ্টিত। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পক্ষ থেকে আসা এক নির্দেশনার ভিত্তিতে বিএসএফ এই অদ্ভুত কিন্তু কৌশলগত পরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে।

গত ২৬ মার্চ বিএসএফ-এর ইস্টার্ন এবং নর্থ-ইস্টার্ন সেক্টর সদর দপ্তরে পাঠানো এক গোপন বার্তায় বলা হয়েছে, যেসব নদীপথ বা পাহাড়ি ছড়ায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে অপারেশনাল প্রয়োজনে সাপ বা কুমির মোতায়েন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে।

ভারতের এই পদক্ষেপের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পরিকল্পনার অদ্ভুত মিল পাওয়া গেছে। ফ্লোরিডায় ‘অলিগেটর আলকাট্রাজ’ নামক একটি ডিটেনশন সেন্টারের চারপাশে প্রাকৃতিকভাবেই কুমির ও অজগর থাকে, যা বন্দিদের পালানো রোধে কাজ করে।

২০১৮ সালে ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে রিও গ্র্যান্ডে নদীতেও এমন ব্যবস্থা করার কথা বলেছিলেন, যদিও পরে তিনি তা কৌতুক হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ভারত অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথেই বিবেচনা করছে।

মূলত এই এলাকাগুলোতেই অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে সরীসৃপ মোতায়েনের এই বিকল্প ও কঠোর পদ্ধতি ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ

ট্যাগস :

বাংলাদেশ সীমান্তের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়তে চায় ভারত

আপডেট সময় : ০২:১৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ সীমান্তের নদীতে কুমির ও সাপ ছাড়তে চায় ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

প্রাচীনকালে দুর্গ বা প্রাসাদের চারপাশ সুরক্ষিত রাখতে পরিখা খনন করে তাতে কুমির ছেড়ে দেওয়ার গল্প আমরা ইতিহাসে পড়েছি। একবিংশ শতাব্দীতে এসে

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দুর্গম নদীপথ ও জলাভূমি রক্ষায় এবার কুমির এবং সাপের মতো সরীসৃপ মোতায়েন করার কথা ভাবছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ফেডারেল-এর এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও ভারতের ৪ হাজা ৯৬.৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের বড় একটি অংশ নদীমাতৃক বা জলাভূমি বেষ্টিত। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পক্ষ থেকে আসা এক নির্দেশনার ভিত্তিতে বিএসএফ এই অদ্ভুত কিন্তু কৌশলগত পরিকল্পনার সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করেছে।

গত ২৬ মার্চ বিএসএফ-এর ইস্টার্ন এবং নর্থ-ইস্টার্ন সেক্টর সদর দপ্তরে পাঠানো এক গোপন বার্তায় বলা হয়েছে, যেসব নদীপথ বা পাহাড়ি ছড়ায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব নয়, সেখানে অপারেশনাল প্রয়োজনে সাপ বা কুমির মোতায়েন করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে।

ভারতের এই পদক্ষেপের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি পরিকল্পনার অদ্ভুত মিল পাওয়া গেছে। ফ্লোরিডায় ‘অলিগেটর আলকাট্রাজ’ নামক একটি ডিটেনশন সেন্টারের চারপাশে প্রাকৃতিকভাবেই কুমির ও অজগর থাকে, যা বন্দিদের পালানো রোধে কাজ করে।

২০১৮ সালে ট্রাম্প মেক্সিকো সীমান্তে রিও গ্র্যান্ডে নদীতেও এমন ব্যবস্থা করার কথা বলেছিলেন, যদিও পরে তিনি তা কৌতুক হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। ভারত অবশ্য বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথেই বিবেচনা করছে।

মূলত এই এলাকাগুলোতেই অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঠেকাতে সরীসৃপ মোতায়েনের এই বিকল্প ও কঠোর পদ্ধতি ব্যবহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

দৈনিক আস্থা/এমএইচ