ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিভিন্ন সবজি চাষে সোনালী দিন খুজে পেয়েছেন সেই কৃষক সাইদার রহমান

News Editor
  • আপডেট সময় : ০১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১
  • / ১১২২ বার পড়া হয়েছে

বিভিন্ন সবজি চাষে সোনালী দিন খুজে পেয়েছেন সেই কৃষক সাইদার রহমান

 

আতিকুর রহমান আতিক: গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালি ইউনিয়নের রামনাথের ভিটা বালুচর গ্রামের মৃত কোমর আলী সরকারের ছেলে পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান । গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করে আসছেন তিনি । এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

তিনি এবার ২ বিঘা জমিতে বেগুন, ১ বিঘা জমিতে টমেটো,১ বিঘা জমিতে করলা, ৮ শতক জমিতে আলু চাষ করেছেন। ৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেই সব চাষকৃত জমির ফসল অনেক বাম্পার হয়েছে। বন্যা ও করোনার মহামাড়ীতে তার ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুল্যের ফসলের ক্ষতি হলেও তবুও দৃঢ় মনোবল নিয়ে ফসল উৎপাদনে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান।

কৃষি বিভাগ থেকে কোন অনুদান পেয়েছেন কিনা তার জবাবে পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান বলেন,বাদিয়াখালী ইউনিয়নের কৃষি অফিসারের মাধ্যমে টমেটোর বীজের জন্য ২ হাজার টাকা এবং ফসল হওয়া পর্যন্ত যে সার প্রয়োজন ছিল সেই সার পর্যাপ্ত পরিমানে পেয়েছি। কিন্ত তার পর থেকে কেউ আর আমার সাথে যোগাযোগ করেন নাই। তার দাবি কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হলে আরো ভালো কিছু করতে পারবেন বলে আশা করেন তিনি।

ট্যাগস :

বিভিন্ন সবজি চাষে সোনালী দিন খুজে পেয়েছেন সেই কৃষক সাইদার রহমান

আপডেট সময় : ০১:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

বিভিন্ন সবজি চাষে সোনালী দিন খুজে পেয়েছেন সেই কৃষক সাইদার রহমান

 

আতিকুর রহমান আতিক: গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালি ইউনিয়নের রামনাথের ভিটা বালুচর গ্রামের মৃত কোমর আলী সরকারের ছেলে পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান । গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের সবজির চাষ করে আসছেন তিনি । এবারও তার ব্যতিক্রম নয়।

তিনি এবার ২ বিঘা জমিতে বেগুন, ১ বিঘা জমিতে টমেটো,১ বিঘা জমিতে করলা, ৮ শতক জমিতে আলু চাষ করেছেন। ৩ ফেব্রুয়ারী বুধবার সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, সেই সব চাষকৃত জমির ফসল অনেক বাম্পার হয়েছে। বন্যা ও করোনার মহামাড়ীতে তার ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা মুল্যের ফসলের ক্ষতি হলেও তবুও দৃঢ় মনোবল নিয়ে ফসল উৎপাদনে কোমর বেঁধে মাঠে নামেন পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান।

কৃষি বিভাগ থেকে কোন অনুদান পেয়েছেন কিনা তার জবাবে পল্লী চিকিৎসক সাইদার রহমান বলেন,বাদিয়াখালী ইউনিয়নের কৃষি অফিসারের মাধ্যমে টমেটোর বীজের জন্য ২ হাজার টাকা এবং ফসল হওয়া পর্যন্ত যে সার প্রয়োজন ছিল সেই সার পর্যাপ্ত পরিমানে পেয়েছি। কিন্ত তার পর থেকে কেউ আর আমার সাথে যোগাযোগ করেন নাই। তার দাবি কৃষি বিভাগ থেকে সহযোগিতা করা হলে আরো ভালো কিছু করতে পারবেন বলে আশা করেন তিনি।