বুড়িগঙ্গা থেকে উদ্ধার ৪ জনকেই হত্যা করা হয়েছে, ধারণা পুলিশের
- আপডেট সময় : ১০:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
- / ১৫৬৪ বার পড়া হয়েছে
বুড়িগঙ্গা থেকে উদ্ধার ৪ জনকেই হত্যা করা হয়েছে, ধারণা পুলিশের
মোফাজ্জল হোসেন ইলিয়াছঃ
বুড়িগঙ্গা নদী থেকে উদ্ধার ৪ মরদেহের কাউকেই এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা যায়নি। আলাদাভাবে উদ্ধার হলেও ৪ জনকেই হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের। পরিচয় শনাক্ত ও হত্যার রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আশপাশের কোনো থানায় নিখোঁজের খবর রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনাস্থল কেরাণীগঞ্জের মীরের বাগ। শনিবার বেলা ১১টার দিকে এখানে বুড়িগঙ্গা নদী থেকে এক নারী ও একটি ছেলে শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কেরাণীগঞ্জের মাদারীপুর ঘাট এলাকা থেকে হাত-বাঁধা অবস্থায় নারী ও পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নারীর বয়স ২৮ ও পুরুষের বয়স ৩৫ বছর বলে ধারণা পুলিশের। এর আগে দুপুরে সদরঘাটের মীরেরবাগ এলাকা থেকে ১ শিশু ও ১ নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, তারা ধারণা করছেন ৪টি মরদেহ পানিতে ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে ভাসছিল।
রোববার সেখানে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শিশুটির বয়স আনুমানিক ৪/৫ এবং নারীটির ত্রিশ বছর। দুজনের গলায়ই কাপড় প্যাঁচানো ছিল। এলাকাবাসী কেউ-ই তাদের চেনেন না।
মরদেহ ও অন্যান্য আলামতে প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা দুজনকেই হত্যা করা হয়েছে।
ঢাকা নৌ পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হাসান ইনাম বলেন, ‘নারীর বোরকার হাতা দিয়ে গলা প্যাচানো ছিল। বাচ্চাটা ওড়না দিয়ে প্যাচানো ছিল। এটা হত্যাকাণ্ড ভাবেই আমরা মামলা নিয়েছি।
অন্যদিকে একইদিন সন্ধ্যায় উপজেলার কালিন্দী ইউনিয়নে মাদারিপুর ঘাট এলাকা থেকে আরেক নারী ও এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তাদের একজনের সঙ্গে আরেক জনের হাত বাঁধা ছিলো।
হাসান ইনাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ময়নাতদন্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট যেটা আসবে তার আলোকেই আমরা ডিএনএ রিপোর্ট করছি। ওই নারী বা এই নারী ধর্ষিত হয়েছে কিনা? সেটা জানতেও আমরা ডাক্তারের কাছে আবেদন করেছি।
শিশুসহ এই চারজনকেই অন্য কোনো জায়গায় হত্যার পর বুড়িগঙ্গায় ফেলে দেয়া হয়েছে বলে ধারণা পুলিশের।




















